মঙ্গলবার, ১০ জুলাই, ২০১৮

হিন্দু বনাম ...


                   হিন্দু বনাম ...


                   ফেসবুক থেকে শেয়ার করেছেন                প্রণব কুমার কুণ্ডু


হিন্দু মেয়েদের এক পা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তো অন্য পা মুসলমানদের ঘরে :
প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রে মুসলমানদেরকে বিয়ের পরিণতি একটি হিন্দু মেয়ের জন্য হয় ভয়াবহ, তারপরও সেটা আমাদের হিন্দু মেয়েরা যেমন বোঝে না; তেমনি, মেয়েকে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো অভিভাভাবকরাও বোঝেনা যে, মেয়েকে প্রকৃত হিন্দু না বানিয়ে বা হিন্দু ধর্মের শিক্ষা না দিয়ে তাকে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠালে এ ধরণের ঘটনা ঘটবেই। হিন্দুদের উদাসীনতার কারণেই হিন্দুসমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
একসমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ৯০% হিন্দু মেয়ের মুসলিম বয় ফ্রেন্ড আছে, এরা সবাই যে লাভ জিহাদের ফাঁদে প’রে হিন্দুসমাজ ও বাড়ি ছাড়ে তা কিন্তু নয়, কিন্তু এর মধ্যে প্রতি ১০ জনে একজন মেয়ে তো এ ঘটনা ঘটাচ্ছে, এটা কি সমাজের জন্য একটি বিশাল ক্ষতি নয় ? আর এই ১০ জনের একজন যে আপনার মেয়ে বা আপনার পরিবারের আত্মীয় স্বজনের মেয়ে হবে না, তার গ্যারান্টি কী ? একটা কথা মনে রাখবেন, মুসলমানদের উদ্দেশ্য হলো যেকোনো প্রকারে হিন্দু সমাজকে ধ্বংস করা, এই লাভ জিহাদ তার একটা লেটেস্ট সিস্টেম। তাই অপনার পরিবারের মেয়েরা যদি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে, আপনি কিছুতেই এর ছোবল থেকে নিরাপদ নয়।
মুসলমানদেরকে বিয়ের পরিণতি যে কী, সেটা বোঝার জন্য শুধু মাত্র গাইবান্ধা জেলার ১০ জন মেয়ের পরিণতির কাহিনী পড়ুন, বুঝতে পারবেন লাভ জিহাদের শিকার আপনার মেয়ে বা বোনের পরিণতি কী হতে যাচ্ছে-
এরা অধিকাংশই উচ্চশিক্ষিত ও বিত্ত্ববানলাভ জিহাদ সম্পর্কে উদাসীন বাবা মায়ের আদরের কন্যা সন্তান। এবার দেখুন ধর্মান্তরিত হওয়ার তাদের জীবন কিভাবে কাটছে বা কেটেছে-
১। চন্দনা রায়।
বর্তমানে সামান্য ৩ তালাকে বিবাহ বিচ্ছেদ প্রাপ্ত।
২। মমি সেনগুপ্ত।
বর্তমানে তালাক প্রাপ্ত হওয়ার আগেই গর্ভে ৩ মাসের অন্তঃস্বত্বা অবস্থায় আত্মহত্যা।
৩। ববি রানী সরকার
বর্তমানে তালাক প্রাপ্ত।
৪। মলি রানী স্মৃতি
বর্তমানে তালাক প্রাপ্ত, এজন্যই তালাক প্রাপ্ত ১ কন্যা সন্তানের জম্ম দিয়েছিল।
৫। শিল্পী রানী সরকার
সাত পাকে ঘুরে বিয়ে করা স্বামীকে ছেড়ে সামান্য ৩ কবুলে বিয়ে করা মুসলিম স্বামীর ঘরেও সুখ জোটেনি এই মহিলার।
৬। অর্পিতা সূত্রধর
বর্তমানে তালাক প্রাপ্ত কিন্তু কোথাও যাওয়ার যায়গা না থাকায় শত পাশবিক নির্যাতন সহ্য করেও নির্যাতিত স্বামীর ঘরে অবস্থান করছে।
৭। সুমি চক্রবর্তী
দীর্ঘ ৪ বছর সংসার করার পর বিচ্ছেদ।
৮। মনিকা অধিকারী
প্রথমে বড় ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে তারপর ছোট ভাইয়ের সাথে পালিয়ে নিকাহ, বর্তমানে নিখোঁজ।
৯। বন্দনা রানী সরকার
বর্তমানে বিবাহ বিচ্ছেদ। কিন্তু দমে থাকার মেয়ে নন, তাই ১ সন্তানকে ফেলে রেখে অন্য একজনের সাথে সংসার পেতেছে।
১০। মৌসুমি বিশ্বাস।
আপাতদৃষ্টিতে ভালো এজন্য আছে যে, চাকুরি করে স্বামীকে খাওয়ায়, সংসার চালায়। কিন্তু ১০ এর মধ্যে ৯ জনের যা পরিণতি, তার এর হতে কতক্ষণ ?
মেয়ে, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কিভাবে মুসলমানদের ফাঁদে পড়ছে, সেটা বোঝার
জন্য পড়ুন নিচের এই পোস্টটি :
মেয়ের উচ্চ শিক্ষা এবং হিন্দু পরিবার :
উচ্চ শিক্ষা দেওয়ার জন্য মেয়েকে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে নিশ্চিন্তে বসে আছেন ? তাহলে কাঁদার উপযুক্ত আপনিই, বুঝতে পারছেন না তো কী বলছি, পড়ুন নিচের রিপোর্টটি-
রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীতে বান্ধবীকে বিভিন্ন কায়দায় প্ররোচিত করে ধর্মান্তরিত করে জঙ্গীবাদে সম্পৃক্ত করার অভিযোগ গত ১৪ নভেম্বর পবা থানায় একটি মামলা হয়েছে মামলা নম্বর ১৬।
মামলায় বাদী ও আলোচিত কলেজ ছাত্রীর পিতা ধরনী কুমার ঘোষ এখন তার কন্যা তনুকে ফিরে পেতে বিভিন্ন জায়গায় ধর্না দিচ্ছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, তার মেয়ে তনুকে যারা মুসলিম ধর্মে দিক্ষীত করে জঙ্গীবাদে
উদ্বুদ্ধ করেছে তারা অত্যন্ত শক্তিশালী সিন্ডিকেট।
পুলিশ জানায়, রাজশাহী নওহাটা এলাকার জনৈক কলেজ পড়ুয়া মেয়ে তনুকে তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী মিতু প্রথমে দোয়া দরুদ মুখস্ত করায় পরবর্তীতে নামাজ পড়ানো শিখায়।
গত বছর মিতু ও তার আলোচিত বান্ধবী তনু এক বছর সময় ধরে নগরীর একটি মেসে থাকাকালে মিতু তনুকে ইসলামী চিন্তা চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে।
ঠিক ঐ সময় তনুকে রেটিনা কোচিং সেন্টারে বিনা খরচে ভর্তি করায় মিতুসহ তার সহযোগীরা এতে কোচিং সেন্টারে সম্পৃক্ত আশিক ও জহুরুলের নাম পাওয়া যায়।
তনুকে মেডিক্যালে ভর্তি করিয়ে দেয়ার নামে চলে তনুর ওপর জঙ্গীবাদ খড়গ। তনুকে হিন্দু থেকে পুরোদস্তুর মুসলমানে রুপান্তরের চেষ্টা চালাতে থাকে মিতু এবং তার সহযোগীরা।
পরবর্তীতে গত ৬ নভেম্বর, 2016 তে তনুকে এভিডেভিট করিয়ে আয়েশা সিদ্দিকা নাম দিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করানো হয়। এরপর গত ১০ নভেম্বর তনু ওরফে আয়েশা সিদ্দিকা নিখোঁজ হয়।
নিখোঁজের পর তনুর বাবা পবা থানায় মামলা দিতে চাইলে পুলিশ মামলা না নিয়ে একটি ডায়েরী করেন। তনুর খোঁজে পবা থানা পুলিশ একদিন মিতুর বাড়ী তল্লাসী চালায় কিন্তু তনুর সন্ধান পাওয়া যায়না।
পরবর্তীতে তনুর পিতা ধরনী কুমার ঘোষ বাদী হয়ে পবা থানায় গত ১৪ নভেম্বর একটি মামলা দায়ের করলে ঐ দিনই পুলিশ মিতু ও তার ভাই মোমিনকে গ্রেপ্তার করে।
পরদিন থেকেই খোদ পুলিশকে জানানো হয় তনু রাজশাহীতে আসছে এবং পুলিশ বলতে থাকে তনু উদ্ধার হবে যে কোন সময়। পরবর্তীতে তনুকে গত ১৭ নভেম্বরে পবা থানা যুবলীগ সভাপতি এমদাদুল হকের হেফাজত থেকে উদ্ধার করে।
এমদাদ পুলিশকে জানায়, তনু একাই তার কাছে এসেছে। মিতু ও তার ভাই মোমিন গ্রেপ্তারের পর থেকেই যুবলীগ নেতা এমদাদ তদবির চালাচ্ছিলেন।
তনুকে উদ্ধারের পর তাকে নিয়ে আসা হয় রাজশাহীর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে। তনু পুলিশকে কোন সদুত্তর না দিয়ে তার নিখোঁজ হওয়ার ব্যাপারে নানা ধরনের অবান্তর কথাবার্তা বলে।
সে তার পরিবারের সদস্যদের ওপর নানা অভিযোগ দিয়ে সে নিজেই ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছে বলে জানায়। অথচ তার বক্তব্য সম্পূর্ন মিথ্যা সে ব্যাপারে বহু তথ্য পুলিশের কাছে রয়েছে।
শুধু তাই নয় তনুকে ধর্মান্তরিত করে জঙ্গী দলে ভেড়ানো হয় বলেও ধারনা পুলিশের। তনুকে উদ্ধারের পর ১৭ নভেম্বর বিকেলে তনুকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
বিচারক তার জবানবন্দী গ্রহন করেন। তনু নিজ জিম্মায় চলে যেতে চাইলে আদালত তাতে সম্মতি দেন। যুবলীগ নেতা এমদাদুল হক তনুকে তার জিম্মায় নেয়ার জন্য অনুরোধ করলে তনু তার সাথে যেতে রাজী হয় এবং সন্ধ্যায় ৭টার দিকে তনু যুবলীগ নেতা এমদাদের মোটর সাইকেলে উঠে আদালত চত্ত্বর ত্যাগ করে। এসময় যুবলীগ নেতা এমদাদের সাথে আরো কয়েক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
তারা সকলেই গ্রেপ্তারকৃত মিতু ও মোমিনের পক্ষের লোকজন। বিজ্ঞ আদালতে আসামী পক্ষ এবং বাদী পক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন তনুর বাবা মা সহ পরিবারের সদস্যরা।
এসময় আদালতে তনুর পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়তে দেখা যায়। সবকিছু উপেক্ষা করে এমদাদ তনুকে নিজ জিম্মায় কেন নিলেন এতে তার স্বার্থ কি এটা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ মিতু ও মোমিন গ্রেপ্তারের পর যুবলীগ নেতা এমদাদের থানায় তদবির পরবর্তীতে নাটকীয় ভাবে নিখোঁজ তনুকে হাজির করানো এবং তনুকে আদালত নিজ হেফাজতে নেয়ার প্রকৃত কারনও রহস্য উম্মোচনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
তনুকে ধর্মান্তরিত করা, রেটিনা কোচিং এ বিনা পয়সায় ভর্তি করা এবং রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়া অত:পর নাটকীয় ভাবে প্রত্যাবর্তন এসব প্রশ্নের উত্তর না মিলতেই যুবলীগ নেতা এমদাদের তনুকে নিজ জিম্মায় গ্রহনের কারন উদঘাটন হওয়া জরুরী।
একই সাথে তনু জঙ্গীবাদে সম্পৃক্ত কিনা তাও যাচাই বাছাই করা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ঘটনাটি রাজশাহী পুলিশ সুপার মোয়াজ্জেম হোসেন ভূইয়া ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী বিশেষ ভাবে নজরদারীতে রাখায় অচিরেই রহস্য উদঘাটিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তনুর পরিবার।
এইবেলাডটকম/অরুন/গোপাল
-----------------------------------------
এই রিপোর্টে পরিষ্কার যে, হিন্দু ছেলে-মেয়েরা যখন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে মুসলিম ছেলে-মেয়েদের সাথে হোস্টেল বা মেসে থাকতে বাধ্য হয়, তখন তারা প্রথমে ঐ হিন্দু ছেলে-মেয়েটিকে হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করে বিব্রত ও হেয় করে; কারণ, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে হিন্দু ধর্ম শিক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় হিন্দু ছেলে মেয়েদের ধর্ম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকে না, এতে ঐ হিন্দু ছেলে-মেয়ের কাছে এক সময় তার ধর্ম ভুয়া মনে হয় এবং এভাবে আস্তে আস্তে সে ইসলামের দিকে ঝুঁকতে থাকে।
যখন কোনো হিন্দু ছেলে মেয়ে ইসলামের ব্যাপারে পজিটিভ মনোভাব দেখায়, তখন তাকে মুসলিম ছেলে মেয়েরা দেয় নানা সুযোগ সুবিধা, যেমন এই মেয়েটিকে ফ্রিতে তারা মেডিক্যাল কোচিং করাসহ অন্যান্য আর্থিক সুযোগ সুবিধা দিয়েছে।
হিন্দু ছেলে মেয়েদেরে মুসলমান বানাতে মুসলমানদের এত উৎসাহ বা আগ্রহ কেনো ?
ছোট বেলা থেকেই প্রত্যেকটা মুসলিম ছেলে মেয়েকে পরিবার থেকে এই শিক্ষা দেওয়া হয় যে, কোনো একজন হিন্দুকে মুসলমান বানাতে পারলে তার বিনা বিচারে বেহেশত নিশ্চিত; কারণ, একজন হিন্দুকে মুসলমান বানানো হলো হজের সমান ছোয়াব। এ কারণে প্রত্যেকটি মুসলমানের টার্গেট থাকে হিন্দু ছেলে মেয়ে, অনবরত তারা তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দেয় এবং ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে নানা নসিহত করতে থাকে। একারণেই কোনো হিন্দু ছেলে যদি কোনো মুসলিম মেয়ের প্রতি আগ্রহ দেখায়, তাহলে সহজেই সেই মেয়েটি তার প্রেমে সাড়া দেয়, আর কোনো হিন্দু মেয়ে যদি কোনো মুসলিম ছেলের প্রতি আগ্রহ দেখায়, তাহলে তো কোনো কথা ই নেই, ছেলের পুরো পরিবার লেগে থাকে ঐ হিন্দু মেয়েটির পেছনে, তাকে ইসলামে কনভার্ট করার জন্য; কারণ, এটা তাদের কাছে বেহেশত নিশ্চিত করার জন্য মহা পুন্যের কাজ, এমন হলে মুসলিম পরিবারে হিন্দু মেয়েদের আদর যত্নের কোনো শেষ থাকে না। এই ছলনায় ভুলে যখনই কোনো হিন্দু মেয়ে ইসলামের ফাঁদে পা দিয়ে নিজের ঘর-বাড়ি বাপ মাকে ছাড়ে, তার কিছু দিন পরেই সে বুঝতে পারে ইসলাম ও মুসলমানদের আসল রূপ, কিন্তু পরিবার ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করা মেয়ের তখন সেগুলো মেনে নেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না।
লাভজিহাদের ফাঁদে পড়ে হিন্দু ছেলেরা কনভার্ট হয় বাধ্য হয়ে, কারণ তার প্রেমিকাকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে পাবার আর অন্য কোনো পথ থাকে না তার কাছে, এর মূল কারণ মুসলিম সমাজের ছাড় না দেওয়ার মনোভাব এবং সামাজিক শক্তি। এক কথায় মুসলিম সমাজের শক্তির কাছে ঐ হিন্দু ছেলেটি আত্মসমর্পন করে। এই আত্মসমর্পন না করেও তার কোনো পথ থাকে না; কারণ মুসলিম সমাজের হিংস্রতা ও অসহযোগিতার কারণে কোনো হিন্দু ছেলের পক্ষে কোনো মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করে হজম করা সম্ভব হয়ে উঠে না। কোনো হিন্দু ছেলে যদি কোনো মুসলিম মেয়েকে ভাগিয়ে এনে বিয়ে করে, তাহলে সে সর্বত্র শিকার হবে অসহযোগিতার, তার চাকরি চলে যাবে, মুসলিম বন্ধু বান্ধব শত্রুতে পরিণত হবে, তার পরিবারের সামাজিক স্বাধীনতা নষ্ট হবে, এমনকি সে খুনও হয়ে যেতে পারে। এতসব প্রতিকূল অবস্থাকে মোকাবেলা করা কার পক্ষে সম্ভব ? তাই হিন্দু ছেলের সাথে কোনো মুসলিম মেয়ের সম্পর্ক থাকলেও, হয় সেই ঘটনায় তাকে ধর্মত্যাগ ক'রে মুসলিম হয়ে মেয়েটিকে হাসিল করতে হয়, না হলে তাকে সেই মেয়েটিকেই ত্যাগ করতে হয়।
কিন্তু কোনো হিন্দু মেয়ে যদি কোনো মুসলিম ছেলের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলে, তাহলে এখানে মেয়েটিকে ইসলাম গ্রহন করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পথ থাকে না; এই ক্ষেত্রে মেয়েরা কনভার্ট হয়- সস্তা প্রেমের আবেগে, লাভ জিহাদের ফাঁদে প'ড়ে, ইসলাম ও মুসলমানদের নোংরামিকে না জানার ফলে।
কোনো হিন্দু ছেলে মুসলিম মেয়ের ফাঁদে পড়লেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছেলেরা নানা বিষয় চিন্তা করে সেই ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসে; কিন্তু কোনো হিন্দু মেয়ে মুসলিম ছেলেদের ফাঁদে পড়লে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েরা কনভার্ট হতে বাধ্য হয়।
লাভ জিহাদ হিন্দু সমাজের একটি মারাত্মক ক্ষত, এই ক্ষত থেকে রক্ষার একমাত্র উপায় হলো পরিবার থেকেই হিন্দু ছেলে মেয়েদেরকে ধর্ম শিক্ষা প্রদান করা এবং একই সাথে ইসলাম ও মুসলমানদের জঘন্য মন-মানসিতা সম্পর্কে জানিয়ে তাদেরকে সতর্ক করা। এককথায়, ছেলে-মেয়েদেরকে মানবধর্ম না শিখিয়ে হিন্দু ধর্ম শেখানো, তাহলে আদালতে গিয়ে আপনার মেয়ে বলবে না যে, আমি আমার মা বাবাকে চিনি না বা আমি স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহন করেছি; আর আপনাদেরকে আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙ্গেও পড়তে হবে না। কারণ, মনে রাখবেন ১৮+ বয়সী একটি মেয়ের কাছে বাংলাদেশের হিন্দু পিতা-মাতারা সবচেয়ে অসহায়; মেয়ে যদি একবার হাতের বাইরে চলে যায়, না পাবেন কোনো আইনী সাহায্য, না পাবেন কোনো সামাজিক সহায়তা; কারণ, আপনার হিন্দুসমাজ দুর্বল, তাই সেই সমাজের শক্তি দিয়ে আপনি মেয়েকে উদ্ধার করতে পারবেন না, আর তাকে উদ্ধার করত পারলেও সমাজে পুনরায় তাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন না; কারণ, হিন্দু ছেলেরা ভাঙ্গা গ্লাসে জল খেতে পছন্দ করে না, এর মূল কারণ, হিন্দু সমাজ মনে করে মেয়েরা কাচের পাত্র, একবার কারো সাথে রাত কাটালেই তা ভেঙ্গে যায়, আর একবার ভেঙ্গে গেলে তা আর জোড়া লাগে না। অন্যদিকে, মুসলিম সমাজের সবাই আপনার মেয়েকে গেলার জন্যই বসে আছে, আপনি কাঁদবেন না তো কে কাঁদবে ? তাই সাবধান হোন, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েদের ব্যাপারে এক দিনের জন্য দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়েছেন, তো মরেছেন; কারণ, আপনার মেয়েকে হাত করে হিন্দু সমাজকে ধ্বংস করার জন্য প্রতিটি মুসলমান হাত ধুয়ে রেডি হয়ে বসে আছে।
কিভাবে বুঝবেন- আপনি, আপনার মেয়ে এবং আপনার পরিবার লাভ জিহাদের ছোবল থেকে নিরাপদ ?
যখন আপনার মেয়ের চোখে মুখে দেখবেন মুসলমানদের প্রতি একরাশ ঘৃণা, তখনই বুঝবেন, আপনি সেফ জোনে, তখন নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমান, কোনো আপত্তি নাই।
এখন কেউ প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে কি ছেলে মেয়েদেরকে আমরা, মানুষকে ঘৃণা করতে শেখাবো ?
আমি মানুষকে তো ঘৃণা করতে শেখাতে বলি নি, বলেছি মুসলমানদের ঘৃণা করা শেখাতে; কারণ, মুসলমানরা মানুষ নয়, প্রত্যেকে এক একটা জানোয়ার। না হলে তারা কিভাবে, তুচ্ছ কারণে হাজার হাজার লোক একত্রিত হয়ে, নাসিরনগরের মতো ঘটনায়, একযোগে অসহায় নিরস্ত্র হিন্দুদের উপর হামলা করে তাদের বাড়ি-ঘর লুঠ করতে পারে ? পৃথিবীতে আর একটাও এমন জাতি দেখাতে পারবেন, যারা এই ভাবে কারো উপর হামলা করে ? দেখাতে পারবেন, যদি আপনারা কোনো বনজঙ্গলের হিংস্র প্রাণীর উদাহরণ দেন, যেখানে একদল জানোয়ার হয়তো কোনো তৃণভোজীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
এখানে মানবতাবাদী হিন্দু এবং মুসলমানদেরকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি যে, কোরান হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে কেউ যদি প্রমান করতে পারে যে, মুসলমানরা মানুষ, তাহলে আমি শুধু ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে লেখা ই ছেড়ে দেবো না, ইসলাম গ্রহন করে মুসলমান হয়ে যাবো। যদি কেউ এই চ্যালেঞ্জটি গ্রহন করতে চান, তাহলে হাত তুলে, Sorry, মেসেজ বা কমেন্ট করে সাড়া দেবেন।
শেষে একটা কথা মনে রাখবেন, আপনার মেয়ে হিন্দু সমাজকে ত্যাগ করে শুধু যে আপনাকেই দুঃখ কষ্ট দেবে বা আপনার পরিবারেরই চোখের জল ঝরাবে, তা কিন্তু নয়, পুরো হিন্দু সমাজকেই সে যন্ত্রনা দেবে; তাই আপনার একটু সতর্কতা এবং সচেতনতা, শুধু আপনাকে এবং আপনার পরিবারকেই নয়, বাঁচাতে পারে সমগ্র হিন্দু সমাজের মান সম্মানকে।
যখন একটি হিন্দু মেয়ে ফাঁদে পড়ে ভুল করে ধর্ম ত্যাগ করছে, তখন সেটা শুধু মেয়েটির পরিবারেরই ব্যাপার নয়, ব্যাপার সমগ্র হিন্দু সমাজের। তাই লাভ জিহাদ বন্ধ করার জন্য আমাদের সকলকেই সচেতন হতে হবে ও সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে; এমন তো নয় যে, মেয়েটি মুসলমান এলাকায় গিয়ে মুসলমানদের সাথে প্রেম করে, আর কোনো হিন্দুর তা চোখে পড়ে না ? প্রেম করলে তা সমাজের মধ্যেই করে, আর সেই দৃশ্য কোনো না কোনো হিন্দুর চোখে ঠিকই পড়ে। যখন আপনার চোখে এই ধরণের ঘটনা ধরা পড়বে, তখন যদি সেই ঘটনাকে এড়িয়ে না গিয়ে প্রকৃত হিন্দুর মন নিয়ে সেই ঘটনাটিকে দেখুন এবং সেই মতো ব্যবস্থা নিন, তাহলে কিন্তু হিন্দু সমাজ একটি বিপর্যয় থেকে বাঁচতে পারে।
অনেকে চোখের সামনে এসব ঘটনা দেখেও কোনো স্টেপ নেয় না বলেই এই ধরণের ঘটনাগুলো ঘটে আর তার ফল ভোগ করতে হিন্দু পুরো হিন্দু সমাজকে।
কোনো কোনো হিন্দুর এই ধারণা আছে যে, কারো মেয়ে সম্পর্কে এই ধরণের কথা তাকে জানালে, সে মাইন্ড করবে এবং মেয়ের নামে অপবাদ বা বদনাম দিচ্ছে বলে দোষারোপ করবে। প্রথমেই বলছি, আপনার এই ধারণাটাই তো ভুল, আপনি যদি কারো শুভাকাঙ্ক্ষী হোন, তাহলে সে আপনার সম্পর্কে এমন ভাববে কেনো ? যদি এই ধরণের ইনফরমেশন কাউকে দিতে হয়, সেটা দেবেন মেয়ের বাপ বা বড় ভাইকে, ভুলেও মেয়ের মা বা বাড়ির অন্য কোনো মেয়েকে দিতে যাবেন না; কারণ তাহলে তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে; কারণ, মেয়ে সম্পর্কে কোনো মা ই খারাপ কথা শুনতে রাজী নয়, মেয়ে যদি পতিতাও হয়, মায়ের কাছে সেই মেয়ে ধোয়া তুলসী পাতা; তাই মেয়ে সম্পর্কে মাকে কোনো কথা বলতে গেলেই, সাথে সাথে সে আপনার মুখের উপর বলে দেবে, আপনি আমার মেয়ের সম্পর্কে বদনাম করতে এসেছেন ? এর পর আপনার মুখে আর কোনো জবাব থাকবে না, যে মন-মানসিকতা ও উদ্যম নিয়ে হিন্দু সমাজের মঙ্গলের জন্য কাজটা করতে গিয়েছিলেন, আপনার সেই মন ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।
এমন ঘটনার ইঙ্গিত পেলেই, বলবেন, মেয়ের বাবা বা বড় ভাইকে এবং সবার সামনে নয়, একা একা কোথাও নিরিবিলি স্থানে ডেকে নিয়ে গিয়ে, যেন আপনাদের কথা কেউ শুনতে না পায়। যদি প্রয়োজন হয়, একটু ভূমিকা করে বলবেন, আপনার মেয়ে বা বোন তো শুধু আপনারই নয়, আমারও, তাই ওর কিছু খারাপ হলে সেটা শুধু আপনারই খারাপ লাগবে না, লাগবে আমারও, তাছাড়া হিন্দু সমাজের মুখ পুড়লে সেই কলঙ্ক আমারও, তাই আপনাকে বিষয়টা জানাতে এসেছি, এতে আমি যে আপনার ক্ষতি চাই না, ভালো চাই, এটা নিশ্চয় আপনি বুঝতে পেরেছেন? এর পর সে আপনার কথার আর কোনো বিরোধিতা করতে পারবে না, তারপর তাকে সবকথা বুঝিয়ে বলুন। আর যদি মেয়ের বাবা বা বড় ভাইকে নিজে সরাসরি না বলতে পারেন, তাহলে এমন কাউকে সেই কথাটা বলুন, যে ঐ মেয়ের বাবা বা বড় ভাইয়ের কাছে কথাটা পৌঁছে দিতে পারে, এককথায় যে কোনো প্রকারেই হোক, মেয়ের বাপ বা বড় ভাইয়ের কাছে খবরটা পৌঁছান, তাহলেই শুধু সেই পিতা বা বড় ভাই ই নয়, পুরো হিন্দু সমাজ আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। আর চোখের সামনে লাভজিহাদকে ঘটতে দেখে যদি চুপ করে থাকেন, তাহলে তা বাস্তবায়ন হবে, সেই কষ্ট শুধু সেই পরিবারই পাবে না, হিন্দু সমাজের সদস্য হিসেবে কষ্ট পাবেন আপনিও, আর কুলাঙ্গার হিন্দু হিসেবে আপনি যদি কষ্ট নাও পান, তবু হিন্দু সমাজের সদস্য হওয়ায় বাজারের মধ্যে মুখ পুড়বে আপনারও, সেই মুখ পোড়া থেকে বাঁচতে অন্তত কিছু কাজ করেন।
জয় হিন্দ।

From: Krishna kumar das

💜 জয় হোক সনাতন ধর্মের !

আরও প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন ক

দীনেশ গুপ্ত


   দীনেশ গুপ্ত


    ফেসবুক থেকে শেয়ার করেছেন                     প্রণব কুমার কুণ্ডু


দীনেশ গুপ্ত। ১৯৩০ সালের ৮ ডিসেম্বর রাইটার্স ভবন আক্রমণ করেন তিনি, বিনয় বসু ও বাদল গুপ্ত। কারাবিভাগের অত্যাচারী ইনস্পেক্টর জেনারেল সিম্পসন-কে হত্যা করেন তাঁরা। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধের পর বিনয় ও বাদল আত্মহত্যা করলেও, কোনওক্রমে বেঁচে যান দীনেশ। তাঁকে সারিয়ে তুলে বিচারের পর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দীনেশের ফাঁসি হয়ে ৭ জুলাই, ১৯৩১ সালে, মাত্র ২০ বছর বয়সে। ফাঁসির আগে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে বসে অনেকগুলি চিঠি লিখেছিলেন তিনি বিভিন্নজন-কে। সেই চিঠিগুলির মধ্যে থেকেই একটি, ফাঁসির ৭ দিন আগে তাঁর মা-কে লেখা চিঠি এখানে উপস্থিত করা হল -
মা,
যদিও ভাবিতেছি কাল ভোরে তুমি আসিবে, তবু তোমার কাছে না লিখিয়া পারিলাম না।
তুমি হয়তো ভাবিতেছ, ভগবানের কাছে এত প্রার্থনা করিলাম, তবুও তিনি শুনিলেন না! তিনি নিশ্চয় পাষাণ, কাহারও বুক-ভাঙা আর্তনাদ তাঁহার কানে পৌঁছায় না।
ভগবান কি আমি জানি না, তাঁহার স্বরূপ কল্পনা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু তবু এ-কথাটা বুঝি, তাঁহার সৃষ্টিতে কখনও অবিচার হইতে পারে না। তাঁহার বিচার চলিতেছে। তাঁহার বিচারের উপর অবিশ্বাস করিও না, সন্তুষ্ট চিত্তে সে বিচার মাথা পাতিয়া নিতে চেষ্টা কর। কি দিয়া যে তিনি কি করিতে চান, তাহা আমরা বুঝিব কি করিয়া?
মৃত্যুটাকে আমরা এত বড় করিয়া দেখি বলিয়াই সে আমাদিগকে ভয় দেখাইতে পারে। এ যেন ছোট ছেলের মিথ্যা জুজুবুড়ির ভয়।
যে মরণকে একদিন সকলেরই বরণ করিয়া লইতে হইবে, সে আমাদের হিসাবে দুই দিন আগে আয়ছিল বলিয়াই কি আমাদের এত বিক্ষোভ, এত চাঞ্চল্য?
যে খবর না দিয়া আসিত, সে খবর দিয়া আসিল বলিয়াই কি আমরা তাহাকে পরম শত্রু মনে করিলাম? ভুল, ভুল-মৃত্যু ‘মিত্র’ রূপেই আমার কাছে দেখা দিয়াছে। আমার ভালোবাসা ও প্রণাম জানিবে।
- তোমার নসু
আলিপুর সেন্ট্রাল জেল
৩০. ৬. ৩১. কলিকাতা।



আরও প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করুন

অদ্ভূত সংযোগ ! আব্রাহাম লিংকন এবং জন এফ কেনেডি !



                      অদ্ভূত সংযোগ ! আব্রাহাম লিংকন এবং জন এফ কেনেডি !



                      ফেসবুক থেকে শেয়ার করেছেন                        প্রণব কুমার কুণ্ডু


-------অদ্ভূত সংযোগ -----


এমন বেশ কিছু ঘটনা থাকে, যে গুলির মধ্যে একটি অদ্ভূত সংযোগ লক্ষ্য করা যায়। যেমন - আমেরিকার রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকন আর জন এফ কেনেডি-র জীবনে ঘটা ঘটনার সংযোগ। হয়তো এমনটা আর দ্বিতীয় বার হবে না।

ওঁরা দুজনেই পর-পর দুই শতাব্দীতে একই বছরে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
লিংকন-- ১৮৬০
কেনেডি--১৯৬০
দুজনেরই হত্যা শুক্রবারে হয়েছিল।
----------++----------++---------++--------
ওনাদের দুজনেরই মৃত্যুর পরে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নামের সংগে জনসন যুক্ত ছিল।
এন্ড্রু জনসন
লিন্ডন জনসন
--------------++----+-+------------+++----------
এই দুজন পর-পর দুই শতাব্দীতে একই বছরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
এন্ড্রু জনসন-- ১৮০৮
লিন্ডন জনসন-- ১৯০৮
-----------++-----------++---------++-----------
এই দুজন উত্তরাধিকারী রাষ্ট্রপতিরই নাম ৭ অক্ষরের ছিল।
দুজনের খুনির নাম ১৫ অক্ষরের ছিল।
JOHN WALKER BOOTH
&
LEE HARVEY OSWALD
----------++------------++--------++------------
লিংকনের খুনীর জন্ম ১৮৩৯ সালে হয়েছিল
&
কেনেডির খুনীর জন্ম ১৯৩৯ সালে হয়েছিল।
দুজনেরই সন্তানের মৃত্যু হোয়াইট হাউসে হয়েছিল।
----------++-------------++------------++-----------
লিংকনের হত্যা সিনেমা হলে হয়েছিল এবং খুনী ভেয়র হাউসে পালিয়ে গিয়েছিল।
আর
কেনেডির হত্যা ভেয়র হাউসে হয়েছিল এবং খুনী সিনেমা হলে পালিয়ে গিয়েছিল।
------------++----------++------------++-------------
দুজন খুনীরই হত্যা ওদের শাস্তি হবার আগেই হয়ে গিয়েছিল।
দুজন রাষ্ট্রপতিরই প্রথম প্রাথমিকতা ছিল-- সামাজিক অধিকার।
-------------++---------++---------++------------------
ধন্যবাদ---

শম্ভাজিরাও গুরুজি


                  শম্ভাজিরাও গুরুজি


                  ফেসবুক থেকে শেয়ার করেছেন              প্রণব কুমার কুণ্ডু



Ravana Asura গোষ্ঠীটিতে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন: 💥ALL BENGAL RSS💥রাস্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ💥

Joyanta Karmoker

ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজীর সাথে যাঁকে দেখা যাচ্ছে তাঁকে কেউ চেনেন কি ?
ইনি হলেন সম্ভাজিরাও গুরুজি | এনার বয়স ৮৬ বছর | এঁর ডাক নাম "ভিড়ে গুরুজি"। শিক্ষাগত যোগ্যতা : এমএসসি (অ্যাটমিক এনার্জি), গোল্ড মেডালিস্ট | পুনের বিখ্যাত ফার্গুসন কলেজের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ছিলেন | একজন একনিষ্ঠ স্বয়ং সেবক | ১৯৮০ র দশকে ইনি "শ্রী শিব প্রতিষ্ঠান হিন্দুস্থান" -এর প্রতিষ্ঠা করেন | মহারাষ্ট্রতে এনার প্রায় দশ লক্ষ শিষ্য আছেন |
এনার আরো একটি বিশেষ পরিচয় আছে | ইনি দেশে যত দুর্গ, কেল্লা আছে তার সংরক্ষণ এবং সাফসাফাই করেন | যুবকদের রাষ্ট্র সেবার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন | রাষ্ট্রধর্মের প্রসার করেন | ৮৬ বছর বয়সেও যেকোনো উচ্চতার দুর্গ বা কেল্লাতে অনায়াসে উঠতে পারেন | ইনি কোনো দিন জুতো পড়েন না | আর সবসময় এই রকমেরই বেশভূষায় থাকেন | এনার নিজের নামে কোনো ঘর বাড়ি আর অন্যান্য সম্পত্তি নেই |
আমরা আন্না হাজারের মত একজন ভন্ডকে নিয়ে অনেক আদিখ্যেতা করেছি বা এখনো করি | এনার শিষ্যের সংখ্যা আনা হাজারের থেকে অনেক গুন বেশী | কিন্তু ইনি কোন দিন আন্নার মত তার রাজনৈতিক ফায়দা নেন নি | রাষ্ট্রধর্মে বলীয়ান সত্যিকারের এই দেশভক্তকে আমার শত শত প্রনাম |
অারো ডিটেইলস জানতে google এ সার্চ করে নিন।


মহম্মদ আলি জিন্নাহ ! সেই সময়ের এই উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ আইনজীবী !



                 মহম্মদ আলি জিন্নাহ ! সেই সময়ের এই উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ আইনজীবী !,



Pranab Kumar Kundu     শেয়ার করেছেন           প্রণব কুমার কুণ্ডু



Pinak Biswas এতে ইতিহাসের বিভিন্ন তথ্য  ফেসবুক থেকে



ব্যারিস্টার জিন্নাহ ও একটি নিষিদ্ধ বই
পি বিশ্বাস
মহম্মদ আলি জিন্নাহ ঘোড়েল রাজনীতিবিদ ছিলেন, তবে তার চাইতেও ছিলেন প্রখরবুদ্ধি ব্যারিস্টার। ইনি পৃথিবীর অন্যতম ব্যতিক্রমী ব্যক্তি যিনি স্রেফ মেট্রিকুলেশন লেভেলের যোগ্যতা নিয়ে ব্যারিস্টারি পড়তে যান এবং শ্রেষ্টতম ইন্সটিটিউট লিংকনস ইন থেকে বার অ্যাট-ল হন!! তার অসামান্য মেধা আর পরিশ্রম সে যোগ্যতা অর্জনে সাহায্য করেছিল। যদিও তাকে জহরলাল ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা হাফ এডুকেটেড ব্যারিস্টার বা ম্যাটকু ব্যারিস্টার বলত। কারণ থার্ড ডিভিশনে ম্যাট্রিক পাশ করে ব্যারিস্টারি পড়ার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন তিনি। আদতে জিন্নাহ বুদ্ধির দৌড়ে নেহরুকে এক হাটে কিনে তিন হাটে বেচে দেওয়ার মুরোদ রাখতেন, তাও কানাকড়ি তে!
জিন্নার রাজনীতি নিয়ে লেখার ধক নেই, আমি বরং তার উকিলি জীবন ও বইটার গল্পে আলোকপাত করি।
জিন্নাহ নাকি আদালতে কখনো হারতে শেখেননি। অথচ একটি কেস, যেটিতে এপিয়ার করার পর রাজনীতিবিদ হিসেবে তার দ্রুত উত্থান ঘটে, সেটিতে তিনি পরাজিত হন।
সে মামলায় মেরিট ছিলনা, নামকরা উকিলরা হার নিশ্চিত জানলে তাতে সচরাচর হাত দিতে চানননা, অথচ এই কেসে অযাচিতভাবে জিন্নাহ লড়েছিলেন! কেন?
সেই গল্পটা বলা যাক।
গৌরচন্দ্রিকা টা বিরক্তিকর হতে পারে, একটু ধৈর্য ধরে পড়তে অনুরোধ করি।
জিন্নাহর জীবনের দুখানা ভাগ ছিল। রাজনীতিক ও আইনজ্ঞ। যে লোকটা জন্মে রোজা নামাজের ধার মাড়াতোনা, ইসলামে যত হারাম কাজ, অখাদ্য কুখাদ্য খেত, অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল চিন্তায় উদ্বুদ্ধ সে কিকরে এত্তবড় মসীহা হল? চুড়ান্ত আধুনিক, পশ্চিমি শিক্ষায় আলোকপ্রাপ্ত জিন্না ক্রমশ হয়ে উঠলেন এক শ্রেনীর মুসলিমদের ধর্মগুরু। রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল, গদির লোভ, সর্বোপরি নেহরুর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সর্বশক্তি প্রয়োগ করলেন। ক্ষমতার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে ভন্ডামির প্রকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে উঠলেন মহম্মদ আলি জিন্নাহ।
এই ভন্ডামিটা তাকে করতে হয়েছিল।
ধর্মকে পুঁজি করে রাজপাটে বসতে গেলে বড় মাপের বকধার্মিক হতে হয়। আলোচিত মামলাটা ছিল ভন্ডামির ভিত্তিপ্রস্তর।
জিন্নাহ আদালতে কখোনো হারেননি।
মানে তিনি হারতে পছন্দ করতেন না। সাদাত হোসেন মান্টো তুলে ধরেছেন তার ড্রাইভারের বয়ান, স্যার জীবনে কখনো সরি বলেননি। সরি শব্দটা পারলে জীবন থেকেই ছেঁটে ফেলতেন।
মাত্র ২০ বছর বয়েসে বোম্বে হাইকোর্টে ওকালতি শুরু করার কিছুদিনের মধ্যেই দেওয়ানী ও ফৌজদারি দুই ধারাতেই তার দক্ষতা প্রমানিত হল। প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেটের লোভনীয় পদ প্রত্যাখ্যান করে মন দিলেন পুরোদস্তুর প্র‍্যাকটিশে। এজলাসে ছিলেন খাপখোলা তলোয়ার। এক সাহেব জাজ তাকে সতর্ক করেন এই বলে: Mr Jinnah, remember that you are not addressing a third class magistrate
জিন্নাহর জবাব চাবুকের মত আছড়ে পড়ল
My Lord, allow me to warn you that you are not addressing a third class pleader
ঔদ্ধত্যের সাথে মিশেছিল অপরিসীম আত্মবিশ্বাস। বুঝুন আইনে কতখানি দখল থাকলে এভাবে পালটা দাবড়ানি দেওয়া যায়।
যখন বোম্বের হায়েস্ট পেইড ল-ইয়ার তখন দাঁড়ালেন বাল গঙ্গাধর তিলকের পক্ষে, বিখ্যাত সিডিশন মামলায়। জাতীর জনক গান্ধীজী যখন ভগৎ সিংদের অনশনের সময় হিরন্ময় নীরবতা পালন করছেন তখন তাদের পক্ষে ব্রিটিশ আইনসভায় জিন্না বললেন The man who goes on hunger strike has a soul. He is moved by that soul and he believes in the justice of his cause; he is not an ordinary criminal who is guilty of cold-blooded, sordid, wicked crime!
শাব্বাস!
এমনকি ভগৎ সিং দের ট্রায়াল যে কতটা আনফেয়ার, ব্রিটিশ আইন যার গর্বে সাহেবদের পা পড়েনা তাকেও আচ্ছাসে তুলোধোনা করলেন।
তাহলে কি জিন্না কখোনো হারেননি?
হেরেছিলেন, কখোনো হারেননি ওটা মিথ।
বিখ্যাত বোম্বের বাওলা মার্ডার কেসে তিনি যে অভিযুক্তের হয়ে দাঁড়ান সেই মৃত্যুদন্ডের হাত থেকে বাঁচে, তবে যাবজ্জীবন হয়। বাকিদের ফাঁসি (এটাকে হার বলা যায় কি?)
এবার আসি সেই মামলার গল্পে যেখানে ঘটে তার চরম পরাজয়। এটা সারাভারত ব্যপী বিখ্যাত মামলা, আজো বিখ্যাত। এক খুনী আসামীর হয়ে আপিল কেসে আদালতে আর্গুমেন্ট করেন তিনি। সেই খুনী যে কিনা খুনটাকে অপরাধই মনে করেনি এবং ফাঁসি যেতে উদগ্রীব হয়েছিল, ধর্মরক্ষায়, তথাকথিত জিহাদের নামে।
আর এই কেসে দাঁড়ানোটাই ছিল ধুরন্ধর জিন্নার চাল। আস্তিনের তলা থেকে পাসিয়ে দিলেন রঙের টেক্কাখানা নিজের ধর্ম-রাজনীতির কেরিয়ার মজবুত করতে!! ক্রমশ হয়ে উঠলেন ধর্মান্ধ মুসলিমদের নয়া যুগপুরুষ।
১৯২০ দশক, পাঞ্জাবে আর্য সমাজী ও মুসলিমদের ধর্মীয় সংঘাত জন্ম দেয় পারস্পরিক খেউড়ের। একপক্ষ রামায়নের সীতা কে পতিতা বানিয়ে নোংরা গল্প ফেঁদে এক প্যামফ্লেট বের করে। এরই পালটা দিতে একজন পন্ডিত চমুপতি ছদ্মনামে লিখে ফেলে রঙিলা রসুল নামে আরেক নোংরা বই। বিষয় মহম্মদের যৌন জীবন। এ বইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়, প্রকাশক কিন্তু লেখকের পরিচয় গোপন রাখতে পেরেছিলেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত প্রকাশক লাহোর হাইকোর্ট থেকে আপিলে নির্দোষ প্রমানিত হন। তার অপরাধ IPC 153A ধারাতে ফেলা গেলনা (এই ফাঁক পূরণ করতে ১৯২৭ সালে তৈরী হল 295A!!)। ফল হল মারাত্মক। লেখককে তো পাওয়া গেলনা। ১৯২৯ সালের ৬ এপ্রিল এক ফ্যানাটিক তরুন ইলমুদ্দিন ছুরি মেরে প্রকাশ্যে খুন করল প্রকাশক রাজপালকে। সে গিলটি প্লিড করে এবং বলা বাহুল্য এই ঘৃন্য কাজের জন্য তার কিস্যু অনুতাপ ছিলনা।
সেসন জাজ দলীপ সিং ইলমুদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন। তার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন লাহোরের উকিল ফারুক হোসেন। আপিলে অভিযুক্তের হয়ে দাঁড়ান জিন্না সাহেব। ট্রায়াল কোর্টে আনিত প্রমানের অপ্রতুলতা, সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা এবং অভিযুক্তের বয়েসের ডিফেন্স নেন তিনি।
জাস্টিস ব্রডওয়ে ও জাস্টিস জনসনের ডিভিশন বেঞ্চ কড়া ভাষায় জিন্নাহর বোগাস যুক্তির সমালোচনা করে বলেন Interestingly, the curious reference to 19 or 20 years deserves some attention. Why did Jinnah as one of the leading lawyers refer specifically to an argument that had been exploded by the same court only two years earlier? That only Mr Jinnah can answer and I do not wish to speculate
অবশ্য জিন্না সাহেবের কিছু করারও ছিলনা। আসামী যেখানে নিজেই ফাঁসিতে ঝুলে শহীদ (?) হতে স্থিতপ্রজ্ঞ সেখানে তাকে বাঁচায় সাধ্য কার।
ফাঁসির পর ইলমুদ্দিন বীরের সম্মান পায়, তার জানাজায় লোক হয় দুই লক্ষ। কবি ইকবাল গদগদ কন্ঠে খুনী ইলমুদ্দিনকে মহান শহীদের মর্যাদা দেন। পাশাপাশি আদালতে জিন্নার সওয়াল তাকেও হিরোর আসনে বসিয়ে দিয়েছিল। যেটা তিনি দারুনভাবে ব্যবহার করলেন। অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্যারিস্টার পরিনত হল অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতায়। জুটলো ব্যাপক জনসমর্থন।
পুনশ্চ: এই সময়ে IPC 295A ধারা বলে রঙিলা রসুল বইটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হয়। যা ভারত পাকিস্তান ও বাংলাদেশে আজো নিষিদ্ধ!!
ইতিহাসের পরিহাস ভারতীয় দন্ডবিধির 295A অতিরিক্ত ধারাটি অন্তর্ভুক্তকরণের সময় একজন তার অপব্যবহার ও প্রয়োগ সম্পর্কে সতর্ক করেন। তার ভয় ছিল হয়ত ধর্মের নামে লেখক, সমালোচকের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হবে। সেই ব্যক্তিটি মহম্মদ আলি জিন্নাহ! এই উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ আইনজীবী।



প্রবন্ধটির সত্যতা যাচাই করা উচিত ! -- প্রণব কুমার কুণ্ডু !


        প্রবন্ধটির সত্যতা যাচাই করা উচিত ! -- প্রণব কুমার কুণ্ডু !


        ফেসবুক থেকে           শেয়ার করেছেন             প্রণব কুমার কুণ্ডু।

মমিনপুর-খিদিরপুর-মেটিয়াব্রুজ; পার্কসার্কাস-মৌলালি; শিয়ালদা-রাজাবাজার; বন্দেলগেট-কুষ্ঠিয়া। কলকাতা শহরের মধ্যে আলাদা ছোট ছোট ইসলামিক শহর।ফিরহাদ হেকিম যেগুলোকে গর্ব করে বলেছিল 'মিনি পাকিস্তান'! গায়ে গায়ে ৫/৬ তলা বেআইনি বাড়ি।ফাঁকে ফাঁকে ছোটবড় মসজিদ।মসজিদের সামনে গরু জবাই করার জন্য কর্পোরেশন থেকে সুন্দর করে বাঁধিয়ে দেওয়া বড় বড় সিমেন্টের চাতাল। সরু সরু গলি, লাখ লাখ লোক।বেশিরভাগই অশিক্ষিত, অমার্জিত, মারমুখী UP, বিহারি মুসলিমের দল।২৪ ঘণ্টা মাথায় টুপি, গায়ে বোঁটকা গন্ধ।মহিলারা সারাদিন বোরখা পরা। এক একটি পরিবারে অন্তত ১০/১২ জন সদস্য।অন্ধকার, স্যাঁতস্যাঁতে, পুতিগন্ধময়।ঘরের ভিতর সারাদিন লাইট জ্বলছে।হুকিং করে কারেন্ট, ২৪ ঘণ্টা কলে পুরসভার মোটা জল।এসব এলাকায় কোনোদিন লোডশেডিং হয় না।প্রায় প্রতিটি বিল্ডিঙের ভিতর একটা করে ছোট কারখানা - প্লাস্টিক, জামাকাপড়, নামি কোম্পানিদের নকল দ্রব্য, ইত্যাদি।প্রতিটি গলির মুখে ২/৩টে গরুর মাংসর দোকান- মাছি বসা, বাসি, হলদে হয়ে যাওয়া গরুর শরীরের ছোটবড় কাটা টুকরো ঝুলছে। প্রতিটি গলির ভিতরে ২/৩টে পরোটা ও কসা গরুর মাংসর দোকান - পেঁয়াজ, রসুন, পোড়া তেল, গরমশলা ও নর্দমার গন্ধ মিশে এক অবর্ণনীয় পরিবেশ।মাঝে মাঝে একটা ছোট ক্লাব, ওদের ভাষায় 'দহলিজ' বা 'দলিজ'।প্রতি পাড়ায় একটা করে প্রাথমিক ইসলামিক স্কুল - বাচ্চারা টুপি মাথায় দিয়ে বা হিজাব পরে দুলে দুলে কোরান-হাদিস পড়ছে।এলাকাগুলোতে ভোর ৪টে থেকে রাত ১টা অবধি হইচই, চেঁচামেচি, গালাগালি, মাছের বাজার লেগে থাকে।মাঝে মাঝেই এর ওর বাচ্চা হারিয়ে যায়, তখন মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা করা হয়, লোকে খুঁজে দেয়।সারাদিন শয়ে শয়ে লোক ঢুকছে বেরোচ্ছে। কে আসছে, কে যাচ্ছে, কে কোথায় থাকে, কে কি করে, কেউ খবর রাখে না, এমনকি সরকারও নয়। দেশিবিদেশি উগ্রপন্থীদের নিরাপদে লুকিয়ে নাশকতামূলক কাজকর্ম করার আদর্শ পরিবেশ।মুসলমান ছাড়া অন্য ধর্মের লোকদের এসব এলাকার ভিতরে প্রবেশ নিষেধ।এমনকি পুলিসও ঢোকে না। Total No-Go-Zone!

শিক্ষিত, কালচারড, রঙিন পাঞ্জাবি পরা ও মিহি গলায় পণ্ডিতি ফলানো ছক্কা বাঙালি, এসব এলাকায় গেছো কখনো? খুঁটিয়ে দেখেছো এখানকার জীবনযাত্রা? আমি দেখেছি, এবং দেখে শিউরে উঠেছি! প্রতিটি বাড়িতে মোটা মোটা বাঁশের ও লোহার রড, ছুরি, রাম দা।প্রতিটি এলাকায় লুকনো প্রচুর বেআইনি রিভলভার, পিস্তল, তরোয়াল।এছাড়া হাতে বানানো পেটো থেকে শক্তিশালী গ্রেনেড - সব আছে।সরকারের কাছে সব খবর আছে, কিন্তু সরকার জেনে না জানার ভাণ করে থাকে।ভোটব্যাঙ্ক! একদিন এই প্রত্যেকটা 'মিনি পাকিস্তান' থেকে লাখ লাখ জিহাদি শয়ে শয়ে অস্ত্র হাতে বেরিয়ে এসে ঝাপিয়ে পড়বে কলকাতার বুকে - দুর্বল-ভীতু-স্বার্থপর-সবজান্তা-উদার-সেকুলার বাঙালির উপর। শুরু হবে আরেক GREAT CALCUTTA KILLINGS!
সেদিন বেশি দূরে নেই।

সেদিন কিন্তু কোনো মমতা, সূর্যকান্ত বা মোদীর দাদুও বাঙালিকে বাঁচাতে পারবে না।


প্রবন্ধটির সত্যতা যাচাই করা উচিত ! -- প্রণব কুমার কুণ্ডু !

স্তনকর এবং অন্যান্য কর


স্তনকর এবং অন্যান্য কর


■ ইতিহাসের কূখ্যাত স্তন কর !
 মে ২৬, ২০১৮

Facebook
Twitter
LinkedIn
Google+
StumbleUpon
Pinterest

__লেখকঃ ভানুলাল দাস     __শেয়ার করেছেন             প্রণব কুমার কুণ্ডু______________________________


সময় – ১৮০৩ সাল , স্থান – কেরালার চেরথালা । সমুদ্রের পাশেই থাকা ছোট্ট একটা শহর । আজ থেকে প্রায় ২১৫ বছর আগের কথা ! সে সময় কেরল এর রাজা ছিলেন ত্রিভাঙ্কুর /ত্রিবাঙ্কুর ! আজব দেশের এই আজব শাসক বিভিন্ন করের নামে শোষণ করতেন নিম্নবর্ণের বা দলিত শ্রেণীর মানুষ কে ! সে সময় নিম্নবর্ণের নারী -পুরুষকে নির্বিশেষে অলংকার পরিধানের জন্য কর দিতে হত ! পুরুষরা গোঁফ রাখতে চাইলে কর দিতে হত ! এর চেয়েও ঘৃণ্য এক কর ছিল – স্তনকর বা স্তনশুল্ক ! স্থানীয় ভাষায় যাকে বলা হত – “মূলাক্করম ” ! তখন নিয়ম ছিলো ব্রাহ্মণ ব্যতীত অন্য কোনো হিন্দু নারী তার স্তনকে ঢেকে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র ব্রাহ্মণ শ্রেণীর হিন্দু নারীরা তাদের স্তনকে এক টুকরো সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে পারতো, বাকি হিন্দু শ্রেণীর নারীদেরকে প্রকাশ্যে স্তন উন্মুক্ত করে রাখতে হতো। দলিত জাতীয় নারীর স্তন রাখতে হবে অনাবৃত , উন্মুক্ত ! আবৃত করতে হলে দিতে হবে স্তনশুল্ক অর্থাৎ শুল্কের বিনিময়ে কিনে নিতে হবে আত্মমর্যাদা ! শুল্কের পরিমাণ নির্ভর করবে স্তনের আকারের উপর ! এ শুল্কের কারণ বাড়তি কর আদায় না চোখভোগ ? নাকি দলিতদের আজীবন ঋণের জালে বেঁধে রাখার প্রক্রিয়া ! স্তনশুল্কের মোটা অংশ চলে যেত পদ্মনাভ মন্দিরে ! কত দলিতের ঘাম আর দীর্ঘশ্বাস লেগে আছে সে মন্দিরের পয়সায় ! পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মন্দির ! গিনিস বুক অব রেকর্ড তাইই বলে ! ১৮০৩ সালে নাঙ্গেলী (Nangeli) অর্থাৎ সুন্দরী নামক এক নিম্ন বর্ণের হিন্দু নারী তার স্তনকে আবৃত করে রাখে এবং রাজা “ত্রিভাঙ্কুরের কাছে “স্তন কর” দিতে অস্বীকৃতি জানায়। শাসক দলের এ ঘৃণ্য প্রক্রিয়া কে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে স্তন আবৃত রাখতো নাঙ্গেলি নামের এই পঁয়ত্রিশ বছরের নারী ! কেউ কেউ বুকে আগুন নিয়েই জন্মায় ! নাঙ্গেলি তাদেরই একজন ! কৃষ্ণ বর্ণের অতীব সুন্দরী এই নারীকে জীবিকার প্রয়োজনে প্রায়ই ঘরের বাইরে যেতে হত ! শুল্ক সংগ্রাহকের নজরে পড়ায় তারা শুল্ক দাবী করে ! অস্বীকৃত হয় নাঙ্গেলি ! শুল্ক সে দেবে না ! যেন বলতে চায় – স্তন আমার , তাকে আবৃত রাখব না অনাবৃত রাখব তা ঠিক করার তুমি কে ? শুল্ক সংগ্রাহক অতিষ্ট করে তোলে নাঙ্গেলিকে ! দিন , দিন করের বোঝাও বাড়তে থাকে ! অবশেষে কর দিতে রাজি হয় নাঙ্গেলি ! শুল্ক সংগ্রাহকরা তার থেকে স্তন কর চাইতে এলে , নাঙ্গেলী তাদের কিছুক্ষণ বসতে বলে। এরপর নাঙ্গেলী বাড়ির ভেতর থেকে একটা কলাপাতা এনে,  ঘরের মেঝেতে বিছায়,  আর মঙ্গল প্রদীপ জ্বেলে প্রার্থনা করে। তারপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলে তার স্তনদুটি ! শুল্ক সংগ্রাহকের হাতে শুল্কস্বরূপ তুলে দেয় কলাপাতার আবরণে রক্ত মাখা দুটি স্তন ! কাটা স্তন দেখে খাজনা আদায়কারি অবাক হয়ে যায়। হতবাক সকলে ! নিজেকে কতটা ভালবাসলে এমনটা করা যায় ? অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নাঙ্গেলির মৃত্যু হয় ! নাঙ্গেলির শরীর চিতায় যখন জ্বলছে হঠাৎ এক পুরুষ ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই চিতায় ! নাঙ্গেলির স্বামী ! একেই বুঝি প্রকৃত সহমরণ বলে ! ভারতের ইতিহাসে কোন পুরুষের স্ত্রীর সঙ্গে সহমরণে যাওয়ার প্রথম ও শেষ ঘটনা ! ইতিহাস এ প্রেমিক পুরুষের নাম খোদাই করার তাগিদ অনুভব করে নি ! সহমরণের চিতায় জ্বলে যায় ওদের পার্থিব শরীর । বেঁচে থাকে তাদের অমর প্রেম গাথা ! এই ঘটনার পর থেকেইে স্তনকর রহিত হয়। নিজের প্রাণের বিনিময়ে নাঙ্গেলী এই বিভৎস কর বন্ধ করেন। “”তবে স্তনকর বন্ধ করা হলেও দক্ষিণ ভারতে নারীদের স্তন আবৃত করার জন্য বহু সংগ্রাম করতে হয়েছে। এমনকি বিষয়টি নিয়ে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা পর্যন্ত করতে হয়েছে তাদের। ১৯ শতাব্দীর মাঝে এসে যখন কিছু হিন্দু নারী তাদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করার অধিকার দাবি করে, তখন হিন্দু পুরোহিতরা স্পষ্ট করে বলে দেয়--  নিচু বর্ণের নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করা ধর্ম-বিরোধী। বিষয়টি নিয়ে ১৮৫৯ সালে দক্ষিণ ভারতে একটি দাঙ্গা সংগঠিত হয়। এই দাঙ্গার উদ্দেশ্য ছিলো হিন্দু নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করার অধিকার আদায় করা। এই দাঙ্গা “কাপড়ের দাঙ্গা” হিসেবে পরিচিত।
শোনা যায় এরপর রহিত হয়ে ছিল স্তনশুল্ক বা মূলাক্করম ! নাঙ্গেলি জানতে পারে নি ! ওরা তখন বিচ্ছেদহীন অমৃতলোকে ! নাঙ্গেলী যেখানে বসবাস করতো, পরবর্তীতে নাঙ্গেলীর স্মরণে সেখানকার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় “মুলাচিপারামবু”, যার অর্থ “The land of breasted women”।
সম্প্রতি সাহিত্যিক শিবশংকর পিল্লাই এর নাতি, রাজ নাইর ঘোষণা দেন যে, নাঙ্গেলীর স্মরণে তিনি একটা সিনেমা তৈরি করবেন। তিনি সিনেমাটির নাম ঠিক করেন Mulachi, যার অর্থ “Breasted Woman”। শুধু তাই নয়, সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করার জন্য রাজ নাইরের সাথে হলিউডের নায়িকা এঞ্জেলিনা জোলির কথাও হয়েছিল ।
____________________________________________

🔔 সংগৃহীত এই প্রবন্ধ।