শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২১
জ্যোতির্লিঙ্গের নাম
জ্যোতির্লিঙ্গের নাম
শেয়ার করেছেন :- প্রণব কুমার কুণ্ডূ
শিব পুরাণ (“শতরুদ্র সংহিতা”, অধ্যায় ৪২/২-৪) অনুযায়ী
দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের নাম ও অবস্থান নিম্নরূপ:
১/ সোমনাথ (গুজরাট)সোমনাথ পাঁচ বার ধ্বংসপ্রাপ্ত
ও ছয় বার পুনর্নির্মিত হয়। ভারতের বিভিন্ন
কিংবদন্তিতে এই মন্দিরের উল্লেখ রয়েছে।
২/মল্লিকার্জুন (অন্ধ্র প্রদেশ)মল্লিকার্জুন বা
শ্রীশৈলম কৃষ্ণা নদীর তীরে একটি পাহাড়ের
উপর অবস্থিত। মন্দিরটি প্রাচীন ও এর স্থাপত্য
সৌন্দর্য দর্শনীয়।
৩/মহাকালেশ্বর(মধ্য প্রদেশ) উজ্জয়িনীর
মহাকালে (অপর নাম অবন্তী) মহাকালেশ্বর
জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির অবস্থিত। এটিই একমাত্র
দক্ষিণমুখী মন্দির। মন্দিরের গর্ভগৃহে
যেখানে শিবলিঙ্গটি রয়েছে সেখানে সিলিং-এ
একটি শ্রীযন্ত্র উলটো করে ঝোলানো
থাকে।
৪/ওঙ্কারেশ্বর(মধ্য প্রদেশ)নর্মদা নদীর
একটি দ্বীপে ওঙ্কারেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ ও
মামল্লেশ্বর মন্দির অবস্থিত।
৫/কেদারনাথ(উত্তরাখণ্ড)কেদারনাথ সর্ব-
উত্তরে অবস্থিত জ্যোতির্লিঙ্গ। এটি তুষারাবৃত
হিমালয়ে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দির। এই
মন্দিরকে ঘিরেও অনেক কিংবদন্তি গড়ে
উঠেছে। এই মন্দিরে যেতে গেলে
পায়ে হেঁটে যেতে হয়। বছরের মধ্যে
ছয় মাস মন্দির বন্ধ থাকে।
৬/ভীমাশঙ্কর( মহারাষ্ট্র) ভীমাশঙ্কর
জ্যোতির্লিঙ্গ ঠিক কোথায় তা নিয়ে বিতর্ক
রয়েছে। মহারাষ্ট্রের পুনের কাছে একটি
ভীমাশঙ্কর মন্দির রয়েছে (ছবিতে) এই
অঞ্চলটি প্রাচীনকালে ডাকিনী দেশ নামে
পরিচিত ছিল। কিন্তু উত্তরাখণ্ডের কাশীপুরও
প্রাচীনকালে ডাকিনী দেশ নামে পরিচিত ছিল।
এখানে মোটেশ্বর মহাদেব নামে একটি
ভীমাশঙ্কর মন্দির আছে। ভীমাশঙ্কর
মন্দিরের অন্যান্য দাবিদার মন্দিরগুলি মহারাষ্ট্রের
সহ্যাদ্রি, অসমের গুয়াহাটির কাছে ও ওড়িশার
গুনুপুরে অবস্থিত।
৭/কাশী বিশ্বনাথ (উত্তর প্রদেশ)বারাণসীর
বিশ্বনাথ মন্দির হিন্দুদের পবিত্রতম মন্দিরগুলির
অন্যতম।
৮/ত্র্যম্বকেশ্বর শিবমন্দির(মহারাষ্ট্র)
ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দিরটি গোদাবরী নদীর
উৎসের কাছে অবস্থিত।
৯/বৈদ্যনাথ ( ঝাড়খণ্ড) বৈদ্যনাথ জ্যোতির্লিঙ্গের
অবস্থানও বিতর্কিত। ঝাড়খণ্ডের দেওঘরের
বৈদ্যনাথ মন্দিরটি জ্যোতির্লিঙ্গ আখ্যাপ্রাপ্ত। এটিই
একমাত্র তীর্থ যা একাধারে জ্যোতির্লিঙ্গ ও
শক্তিপীঠ। বৈদ্যনাথ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যান্য
দাবিদার মন্দিরগুলি হল হিমাচল প্রদেশের কাংড়া
জেলার বৈজনাথ শিবধাম ও মহারাষ্ট্রের বিড জেলার
পারলি বৈজনাথ। পৌরাণিক চরিত্র রাবণের সঙ্গে বৈদ্যনাথ
লিঙ্গ প্রতিষ্ঠার গল্পটি জড়িত।
শেয়ার করেছেন :- প্রণব কুমার কুণ্ডূ
কমেন্ট
লেবেলসমূহ:
জ্যোতির্লিঙ্গের নাম
সমীক্ষা
সমীক্ষা
শেয়ার করেছেন :- প্রণব কুমার কুণ্ডূ
২৮ জন শিল্পপতি যারা ভারতীয় ব্যাঙ্কের টাকা লুটেছেন
১) বিজয় মালিয়া
২) মেহুল চক্সি
৩) নীরব মোদি
৪) নিসান মোদী
৫) পুস্পেস বৈদ্য
৬) আশীষ জবানপুত্রা
৭) সানি কালারা
৮) আরতি কালারা
৯) সঞ্জয় কালারা
১০) বর্ষা কালারা
১১) সুধীর কালারা
১২) যতীন মেহ্তা
১৩) উমেস পারিখ
১৪) কমলেশ পারিখ
১৫) বিনয় মিত্তল
১৫) নিলেস পারিখ
১৬) একলব্য গর্গ
১৮) চেতন জয়ন্তী লাল
১৯) নিতিন জয়ন্তী লাল
২০) দীপ্তি বেইন চেতন
২১) সাভিয়া শেঠ
২২) রাজিব গোয়েল
২৩) অলকা গোয়েল
২৪) ললিত মোদী
২৫) রীতেশ জৈন
২৬) হিতেশ নগেন্দ্রভাই প্যাটেল
২৭) ময়ূরীবেন প্যাটেল
২৮) আশীষ সুরেশভাই
এই ২৮ জন মিলে ব্যাঙ্ক লুঠ করেছেন।
১০,০০০,০০০,০০০,০০০ টাকা। প্রায় দশ ট্রিলিয়ন টাকা।
আপনাদের জ্ঞাতার্থে কয়েকটি তথ্য দিয়ে রাখি:
এই ব্যাঙ্ক লুঠেরাদের মধ্যে যাদের কোন নাম নেই
কোন পাকিস্তানি
কোন মুসলমান
কোন খালিস্থানি
কোন উগ্রপন্থী
কোন নকশাল
কোন বাঙালী
কোন SC,ST,OBC...
চমকে যাওয়ার মতো ঘটনা। এই ২৮ জনের মধ্যে শুধুমাত্র বিজয় মালিয়া ছাড়া বাকি
সবাই গুজরাটি।
এদেরই লুঠ করা সম্পদে যখন দেশ সর্বস্বান্ত। তখনি নজর পড়লো লাভজনক রাষ্ট্রয়ত্ত সংস্থার উপর।
দিনের পর দিন পেট্রোল ডিজেল রান্নার গ্যাসনিত্যপন্য দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি হতে লাগলো।
এই মুনাফালোভী কুচক্রী দেশের শত্রুদের লোকসান সামলাতে LIC BSNLবিমান পরিবহণরেল - এর মত সংস্থাগুলো বেসরকারিকরন হতে লাগলো।
এবার নজর পড়েছে দেশের কৃষিজমি ও কৃষিজাত পন্যর দিকে।
আজকে যারা বিজেপির মতো দলকে জামাই আদর করে এই বাংলায় ডেকে আনতে চাইছেন। এই লুটেরার দল যদি একবার বাংলার মসনদে বসে তাহলে বাংলাকে আবার ১৯৪৩ - এর মতো দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন হতে হবে।
১৯৪৩ - এ এদেরই কৃত্রিম ভাবে সৃষ্টি করা দুর্ভিক্ষে না খেয়ে ৬০ লক্ষ বাঙালী মরেছিল।
এইবার কি হবে কে জানে!
১৯৪৩ এ তবুও ফ্যান দাও-ফ্যান দাও এর হাহাকারে একটু ফ্যান পাওয়া গেছিল।
এবার তাও জুটবে না। কারণ শস্যভাণ্ডার এদেরই গুদামজাত করা আছে ।
যারা এখনো আচ্ছে দিনের স্বপ্নে মশগুল হয়ে এই অপশক্তিকে জামাই আদর করে ডেকে আনতে চাইছেন তারা দয়া করে একটিবার ভাবুন।
অন্তত নিজের পরিবারের জন্য ভাবা প্র্যাকটিস করুন।
33
1টি কমেন্ট
লাইক করুন
কমেন্ট করুন
শেয়ার করুন
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)