রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮

রূপক রায়-এর কলাম


রূপক রায়-এর কলাম


ফেসবুক থেকে, অংশবিশেষ        শেয়ার করেছেন            প্রণব কুমার কুণ্ডু



এবার স্বামী বিবেকানন্দের একটা গল্প শুনুন, স্বামীজী যখন আমেরিকায় গিয়েছিলেন শিকাগোর ধর্মসভায় যোগ দিতে, তখন তিনি যাদের বাড়িতে আশ্রয় পেয়েছিলেন, তারা কি তাকে স্বামীজীর ইচ্ছা মতো খাবার রান্না করে দিতো ? নিশ্চয় নয়। শুধু তাই নয়, খ্রিষ্টান পরিবারে অঢেল চলে গরু, শুয়োরসহ সবধরণের মাংস। ফলে ঐসব পরিবারে সাধারণত যেসব খাবার রান্না হতো স্বামীজী গরু শুয়োর সমৃদ্ধ ঐসব খাবার সবই খেতেন। কিন্তু তাতে স্বামীজীর হিন্দুত্ব নষ্ট হয়েছে, না জাত গিয়েছে ? স্বামীজী যে কাজের জন্য আমেরিকায় গিয়েছিলেন ঠিক সেই কাজ করে আবার ভারতে ফিরে এসেছিলেন, গরু ও শুয়োরের মাংস তার কোনো ক্ষতি করতে পারে নি। কিন্তু ভারতে ফিরে তিনি তো আর এসব নিষিদ্ধ মাংস খান নি। এ জন্যই হিন্দুশাস্ত্রের নির্দেশ, “যস্মিন দেশ যদাচার” অর্থাৎ- যেমন দেশ, তেমন আচার। শুধু তাই নয়, স্বামীজী কোনো দিনই নিরামিষ- ভোজী ছিলেন না। জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি মাছ মাংস খেয়ে গেছেন। আপনি, আমি কি তার চেয়ে বড় হিন্দু ?

রূপক রায়-এর কলাম ( দুই )


রূপক রায়-এর কলাম ( দুই )


ফেসবুক থেকে অংশবিশেষ      শেয়ার করেছেন                                    প্রণব কুমার কুণ্ডু


......  আমি জানতাম স্বামী বিবেকানন্দও আমেরিকায় গিয়ে পরিস্থিতির শিকার হয়ে, না জেনে নয়, স্বেচ্ছায়, গরুর মাংস খেয়েছিলেন, কিন্তু তাতে তাঁর যে হিন্দু মন, তার বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয় নি...... 



ফেসবুক থেকে শেয়ার করেছেন                               প্রণব কুমার কুণ্ডু

শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮

কাশ্মিরি জঙ্গি




      কাশ্মিরি জঙ্গি                   শেয়ার করেছেন                   প্রণব কুমার কুণ্ডু

দাবী উঠছিল বহু দিন ধরেই, অবশেষে কাশ্মীরে রাজ্যপাল শাসন লাগুর পর সবথেকে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললো কেন্দ্র সরকার। পৃথিবী ব্যাপী প্রথম থেকেই নিরীহদের হত্যাকারী জঙ্গীদের তাদের ধর্মের সাথে জোড়ার পরিবর্তে একটী বিশেষ শ্রেনীর লোক দাবী করে আসেন যে সন্ত্রাসবাদীদের কোন ধর্ম হয়না। আর এই প্রসঙ্গেই আরেক মহল প্রশ্ন তোলে যে যদি তাদের কোন ধর্ম না হয়, তাহলে তাদের মৃত্যুর পর ইসলামিক নিয়মে কেন কবর দেওয়া হয়? তাদের মৃতদেহ পুড়িয়ে বা আস্তাকুড়ে ফেলে দেওয়া উচিৎ। অবশেষে মৃত জঙ্গীদের মৃতদেহের সাথে এমনটাই করতে চলেছে ভারতীয় সেনা বাহিনী।

NSA অজিত ডোভালের পরামর্শ মত সেনা বাহিনী এবার থেকে নিহত জঙ্গীদের মৃতদেহ আর তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেবে না। এর পরিবর্তে তারা সেই দেহ কোন এক গোপন জায়গাতে ফেলে দেবে( কোন ধর্মীয় রীতি মানা হবে কিনা জানানো হয়নি)। ওসামা বিন লাদেনের মৃতদেহের সাথে এমনটাই করেছিল আমেরিকা।

সেনার অভিযোগ যে নিহত জঙ্গীর মৃতদেহ তাদের পরিবারের হাতে দেওয়ার পর তাকে উপত্যকায় নায়ক বানিয়ে দেওয়া হয়, শেষ জানাজায় হাজার হাজার লোক জড়ো হয় জাদের মধ্যে থেকেই ভবিষ্যতের জঙ্গী জন্ম নেয়, বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর যেমনটা হয়েছিল।

তাই স্বভাবতই সেনা বাহিনীর এই সিদ্ধান্ত এযাবতের সবথেকে বড় সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠার আশঙ্কা করছেন অনেকে, কারণ এই সব জঙ্গীদের সন্ত্রাসের পথে নামানো মাথারা এদের মৃত্যুর পর জন্নত পাওয়ার আশ্বাস দেয়, সেই ক্ষেত্রে ধর্মীয় রীতি মেনে শেষ কৃত্য না হলে ভবিষ্যতের জঙ্গীরা সন্ত্রাসবাদের পথে নাও নামতে পারে বলেই মনে করছেন সেনার আধিকারিকরা। তাই সবদিক থেকে এই সিদ্ধান্তকে সময়োপযোগী বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।




নতুন প্রজন্ম



  নতুন প্রজন্ম               শেয়ার করেছেন      প্রণব কুমার কুণ্ডু



পলাশীর যুদ্ধ-ষড়যন্ত্রে বিশ্বাসঘাতকদের পরিণাম


      পলাশীর যুদ্ধ-ষড়যন্ত্রে বিশ্বাসঘাতকদের পরিণাম         শেয়ার করেছেন             প্রণব কুমার কুণ্ডু



পলাশী ষড়যন্ত্রের বিশ্বাসঘাতকদের পরিণাম

ইংরেজদের ষড়যন্ত্র ও সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নবাব সিরাজউদ্দৌলা বাংলার সিংহাসনচ্যুত হন।
নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে যারা ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন, তাদের করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়।
মীরজাফর খ্যাত হতে চেয়েছিলেন ‘মহবত্ জং’ নামে। কিন্তু তার পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে ‘ক্লাইভের গাধা’ হিসেবে। রাজকার্যে বীতশ্রদ্ধ হয়ে ভাং সেবন করে তিনি টঙ হয়ে থাকতেন।

১। মসনদচ্যুত হওয়ার পর মীরজাফর মারা যায় কুষ্ঠরোগের শিকার হয়ে।
২। লর্ড ক্লাইভ নিজের হাতে ...
পড়তে থাকুন


শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮

নির্বাচিত কলাম তসলিমা নাসরিন


নির্বাচিত কলাম তসলিমা নাসরিন      ফেসবুক থেকে শেয়ার করেছেন                     প্রণব কুমার কুণ্ডু




বাঙালি মেয়েদের জন্য ‘সতীত্ব রক্ষা’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ একগামিতা শুধু নারীর জন্য অবশ্য পালনীয়, পুরুষের জন্য নয়। পরপুরুষ সঙ্গমে পাতিব্রত্য ধর্মের লোপ হলে সতীত্বনাশ হয়। সামাজিক বৈধতা অতিক্রম করলে নারীকে ‘পতিতা’ হতে হয়, কিন্তু পুরুষ যথেচ্ছাচারী হলে তাকে ‘পতিত’ হতে হয় না। একটি পুরুষ যত বহুগামী হোক না কেন, বিয়ে করার বেলায় কুমারী ছাড়া নৈব নৈব চ। আমি কিছু প্রগতিশীল শিক্ষিত পুরুষের কথা জানি, যারা স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হতে গিয়ে বিছানায় সাদা চাদর বিছিয়েছে স্ত্রীর কুমারীত্ব প্রমাণ করার উদ্যেশ্যে। চাদরে রক্তের দাগ না পাওয়ায় তারা স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। নারীর যোনিমুখে একটি অসম্পূর্ণ পাতলা আবরণ থাকে, গ্রিকদের বিয়ের দেবতা ‘হাইমেন’-এর নাম অনুসারে আবরণটির নাম হাইমেন (সতীচ্ছেদ) রাখা হয়েছে। বিখ্যাত গাইনোকোলোজিস্ট স্যার নরম্যান জেফকট বলেছেন-‘প্রথম সঙ্গমে হাইমেন বিদীর্ণ হয়, এর ফলে সামান্য রক্তপাত হতে পারে অথবা নাও হতে পারে। হাইমেন বিদীর্ণ ছাড়াও সঙ্গম সম্ভব। সুতরাং কুমারীত্ব প্রমাণ করবার জন্য এটি একটি চিহ্ন বটে কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য নয়।’


সহজিয়া বাউল প্রসঙ্গে স্বামী পরমানন্দ


সহজিয়া বাউল প্রসঙ্গে স্বামী পরমানন্দ

রসতত্ত্ব ও সহজ সাধনা

তুলে ধরেছেন :                            প্রণব কুমার কুণ্ডু


সহজিয়া বাউলদের ভিতর এইরূপ ধারণা প্রচলিত আছে যে—শ্রীমন্মহাপ্রভু-পার্ষদ স্বরূপ দামোদর গোস্বামী হলেন এই মতের আদিগুরু।
 
তাঁর নিকট হতে শ্রীরূপ গোস্বামী রসতত্ত্ব এবং সহজ সাধনার রহস্য অবগত হয়েছিলেন। 

তাঁর পর যথাক্রমে 
শ্রীরঘুনাথ গোস্বামী 
শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ 
এবং সিদ্ধ মুকুন্দদেব গোস্বামী 
এই রসতত্ত্ব 
ও সহজ সাধনার রহস্য 
জ্ঞাত হয়েছিলেন। 

এই মুকুন্দদেব গোস্বামী রাজপুত্র ছিলেন। 
তিনি বৈরাগ্য অবলম্বন করে কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামীর আশ্রয় পেয়েছিলেন।
 
এইরূপ কথা বাউলদের ভিতর প্রচলিত আছে যে—শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী তাঁকে দিয়েই শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থ লিখিয়েছিলেন। 

আবার এইরূপ কিংবদন্তীও আছে যে, শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী বলে যেতেন 
আর শ্রীমুকুন্দদেব গোস্বামী তা লিখতেন।

স্বামী পরমানন্দের ‘বাউলের মর্মকথা’ থেকে



সূত্র : বর্তমান, অমৃতকথা, তারিখ ২২/৬/২০১৮। [সংগৃহীত]। লেখাটিতে সজ্জা-বিন্যাস ঘটানো হয়েছে।