রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০

স্মৃতি








সেটিংস
আমরা আশা করি আপনি Facebook-এ আপনার অতি সাম্প্রতিক স্মৃতিগুলি থেকে অনেক দিন আগের স্মৃতিগুলি আবার ফিরে দেখা উপভোগ করবেন।

2 বছর আগে
 
সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে




0:00 / 2:50

27 জুন, 2018
 সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে

প্রতিহিংসার জঘন্যতম নিদর্শন'' ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতির পশ্চিমবঙ্গ সফরের 'স্বাগতম' ফ্লেক্স, হোডিং, ব্যানার খুলে দিচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত বিধাননগর পৌরসভা।





Basuki Nath Misra
এই গ্রুপে একটি স্মৃতি শেয়ার করেছেন:
💥ALL BENGAL RSS💥রাস্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ💥(সাপোর্টারস্)
💥
27 জুন, 2018

 সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে

বেদ যজ্ঞ সম্মেলনঃ—২৭/ ০৬/ ২০১৬ স্থানঃ—ঘোড়শালা* মুর্শিদাবাদ* পঃবঃ
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ –[ বেদযজ্ঞের মাধ্যমে যত বিদ্যা দান করবে ততই নিজেকে মুক্ত আত্মা রূপে দেখতে পাবে।]


Basuki Nath Misra
Gopinath Barman
এবং
আরও 79
জনের সাথে।


27 জুন, 2016
 Calcutta, India সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে

বেদ যজ্ঞ সম্মেলনঃ—২৭/ ০৬/ ২০১৬ স্থানঃ—ঘোড়শালা* মুর্শিদাবাদ* পঃবঃ
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ –[ বেদযজ্ঞের মাধ্যমে যত বিদ্যা দান করবে ততই নিজেকে মুক্ত আত্মা রূপে দেখতে পাবে।]
বৈদিক যুগে আচার্য – মুনি- ঋষি – ছাত্র- ছাত্রী বা শিষ্য- শিষ্যা সকলেই বেদ যজ্ঞের মাধ্যমেই বিদ্যা আদান- প্রদান করতেন। ছাত্রদের মধ্যে দুটি বিভাগ ছিল। উপকুর্বাণ ও নৈষ্ঠিক। উপকুর্বাণ বিভাগের ছাত্ররা পাঠ শেষ হলে পিতৃগৃহে ফিরে গিয়ে গার্হস্থ জীবন আরম্ভ করতেন। নৈষ্ঠিক ছাত্রগণ গৃহে ফিরে যেতেন না। তাঁরা কৌমার্যব্রত গ্রহণ করতেন। তাঁরা পরবর্তীকালে কোনও পণ্ডিত বা ঋষি হতেন বেদ যজ্ঞের মাধ্যমে বিদ্যা দান করে মানব সমাজকে বেদের আলোতে আলোকিত করে ধরে রাখার জন্য। বিদ্যাদানের জন্য আচার্য কোনও মূল্য বা পারিশ্রমিক গ্রহণ করতেন না। বিদ্যা- বিক্রয় অপরাধ মধ্যে গণনা হতো। আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আচার্য প্রায় দশ হাজার ছাত্রের ভরণ পোষণের ভার নিয়ে শিক্ষা দান করতেন। এরূপ আচার্যগণকে কুলপতি বলা হতো। আর একশ্রেণির আচার্য ছিলেন তাঁরা ভ্রাম্যমাণ—তাঁদেরকে চরক বলা হতো। চরক অর্থ ভ্রাম্যমাণ। ব্রাহ্মণেরা ক্ষত্রিয় আচার্যদিগের নিকট হতেও শিক্ষা গ্রহণ করতেন, এর প্রমাণ বেদে অনেক পাওয়া যায়। আচার্য ও শিষ্যের মধ্যে সম্বন্ধ ছিল অতি মধুর ও আন্তরিকতাপূর্ণ। শিক্ষা গ্রহণকালে প্রত্যেককে আচার্যের আজ্ঞাধীন হয়ে থাকতে হতো। অসংকোচে ভিক্ষা গ্রহণ করতে হতো। এই ভিক্ষাবৃত্তি দ্বারা তাদের মনে বিনয়ের উদয় হতো। আচার্যের গৃহস্থলীর তদারক ও গোচারণ ছাত্রজীবনের অন্যতম কর্তব্য ছিল। ছাত্রগণকে নিদ্রা, আলস্য, ক্রোধ, অহংকার, নাম-যশের আকাঙ্ক্ষা, সৌন্দর্যচর্চা ও ইন্দ্রিয়- পরায়ণতা হতে নিবৃত্ত থাকতে হতো। জীবনগঠনের জন্য সকলের জন্যে একই নিয়ম ছিল – সমস্ত রকম বিলাসিতা ত্যাগ করে সকলকে শিক্ষাঙ্গনে থাকতে হতো। প্রতিদিন আচার্য ও শিষ্য একত্র মিলিত হয়ে প্রার্থনা করতেন---- ওঁ সহ নাববতু সহ নৌ ভুনক্তু। সহ বীর্যং করবাবহৈ। তেজস্বি নাবধীতমস্তু মা বিদ্বিষাবহৈ।। ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ। এর অর্থ --- “ ব্রহ্ম আমাদের উভয়কেই রক্ষা করুন, তিনি আমাদের একত্রে বহন করুন। আমরা একত্রে জ্ঞানলাভের শক্তি যেন অর্জন করি। আমাদের শিক্ষা যেন তার প্রকৃত বৈশিষ্ট্যকে প্রকাশ করতে পারে—অথবা আলোকের ন্যায় সুদীপ্ত হয়ে উঠতে পারে। আমাদের মধ্যে যেন কখনও বিদ্বেষের সৃষ্টি না হয়”। এই সুন্দর শিক্ষা ব্যবস্থা সমাজের সর্বশ্রেণীর মানুষকে আলোকিত করে রাখতো। এই প্রশিক্ষণ পেয়ে সমাজে কেউ বেকার থাকতো না ও হীনমন্যতায় ভুগতো না। সবায় এক পরব্রহ্মের আলোতে আলোকিত হয়ে থাকতো বৃহত্তর সমাজে। ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।

2 বছর আগে

27 জুন, 2018
 
সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে

সবাই


বিবেকানন্দের ভাবনায় আয়-ব্যয়
#
#
গৃহস্থের
আয় অনুযায়ী
ব্যয় করার নিয়ম।
আয়ের এক চতুর্থাংশ
পরিবারের ভরণপোষণে
এক চতুর্থাংশ
দানে
স্বভাবতই
রামকৃষ্ণ মিশনে
এক চতুর্থাংশ
সঞ্চয়ে
এক চতুর্থাংশ
নিজের জন্য
ব্যয়।
এক চতুর্থাংশ
নিজের জন্য
ব্যয় করলে
গিন্নি
কান্নাকাটি করে
তাঁর
অংশবিশেষের জন্যে
চাপ দিয়ে
কাড়াকাড়ি শুরু করবেন !
#
#
#
* ভাবনায় : 'স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও রচনা', দশম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২২০।
#
#
এই দিনে
2 বছর আগে

27 জুন, 2018
 
সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে

সবাই



বাঁকুড়ার জয়পুরে একটি পুরানো মন্দির ।
  

2 বছর আগে

27 জুন, 2018
 
সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে

সবাই


2 বছর আগে

27 জুন, 2018
 
সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে

সবাই


সঙ্গীতজ্ঞ রাধিকাপ্রসাদ গোস্বামী
#
#
সঙ্গীতজ্ঞ রাধিকাপ্রসাদ গোস্বামী।
বাড়ি বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরে।
জন্ম-মৃত্যু ১৮৬৩-১৯২৪।
তিনি
মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের
আদি ব্রাহ্মসমাজের
সঙ্গীতাচার্য ছিলেন।
রবীন্দ্রনাথের বেশ কয়েকটি গানে
তিনি
সুরসংযোজনা করেছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ
রাধিকাপ্রসাদের
পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
#
#
#
*সুবল/১১২০।
#
#

আপনি সমস্ত সম্পন্ন করেছেন
আপনার আরও স্মৃতি দেখতে আগামীকাল আবার পরীক্ষা করুন!

চরিত্রের বহিরঙ্গ রূপটি চর্চা-ভিত্তিক এবং সেগুলি দৈনন্দিন জীবনে পালনীয়।


চরিত্রের বহিরঙ্গ রূপটি চর্চা-ভিত্তিক এবং সেগুলি দৈনন্দিন জীবনে পালনীয়।
অমৃতকথা
 

চরিত্রের বহিরঙ্গ রূপ

চরিত্রের বহিরঙ্গ রূপটি চর্চা-ভিত্তিক এবং সেগুলি দৈনন্দিন জীবনে পালনীয়। চরিত্রের বহিরঙ্গের সুস্পষ্ট কয়েকটি লক্ষণ আছে। যেমনঃ
১। উদ্যোগী হওয়া: ভালো হওয়ার জন্য উদ্যোগ প্রয়োজন, রোখ চাই।
নীতিশাস্ত্রে একটি উক্তি আছে—
উদ্যোগিনং পুরুষসিংহমুপৈতি লক্ষ্মী।
ন হি সুপ্তস্য সিংহস্য প্রবিশন্তি মুখে মৃগাঃ।।
—উদ্যোগী পুরুষসিংহের নিকট লক্ষ্মীদেবী আসেন। সুপ্ত সিংহের মুখে মৃগ (নিজে নিজে) প্রবেশ করে না। মৃগবধের উদ্যোগ চাই, পলায়মান মৃগের পশ্চাতে ধাবমান হতে হয়। শুভ ভাব আয়ত্তে আনবার জন্য আগ্রহ ও উদ্যম প্রয়োজন।
২। দীর্ঘসূত্রী না হওয়া: কোন কাজই ফেলে রাখতে নেই। সাধক তুলসীদাসের একটি দোঁহা রয়েছে—
কাল কর্‌ যো আজ কর্‌
আজ কর্‌ যো আভি
পল্‌ মে পরলয় হো যায়গা
বহুরী করেগা কভ্‌?
—কাল যা করার কথা, সে কাজ আজই কর। আর আজ করার যে কাজ, সে কাজ এখুনিই করো। মুহূর্তের মধ্যে প্রলয় ঘটে যেতে পারে,— আসল কাজ কবে করবে? তাই কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করার অভ্যাস প্রয়োজন, তাতে সময় সাশ্রয় হয়। মানসিক চাঞ্চল্য পরিহার করা যায়। সময়মতো করণীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারলে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখা অধিকতর সহজ হয়।
৩। আলস্য পরিত্যাগ: অলসতা কাল হরণ করে। তামসিক প্রবৃত্তির মানুষ অলস হয়। তামসিকতার প্রধান শত্রু নিরলস হওয়া। আর যিনি নিরলস, ঈশ্বর তাঁর সহায়।
৪। সময়ানুবর্তী হওয়া: সময়মতো চলা-ফেরা ও কাজ করা যৌথ জীবনে অপরিহার্য। কোনও নির্দিষ্ট সময়ে কোথাও যেতে হবে বা কোনও কাজ শেষ করতে হবে, স্থির করলে নির্ধারিত সময়ে কাজটি শেষ করা উচিত। মানুষের জীবন অতি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু কর্তব্য কর্মের তালিকা দীর্ঘ। তাই সময়ের সদ্ব্যবহার না করতে পারলে অনেক কাজই অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
৫। মিষ্টভাষী ও সদাচারী হওয়া: মানুষে মানুষে ব্যবহার ও আচার আচরণ যত শোভন হবে, ততই সমাজটা বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। ধরি, আপনার কোনও আত্মীয়-স্বজন হঠাৎ বিপদে পড়েছেন। তিনি দিশেহারা, আপনি গিয়ে পাশে দাঁড়ালেন, তিনি অকূলসমুদ্রে যেন পরম ভরসা পেলেন। আপনার সমবাদনায় তাঁর ভারাক্রান্ত মন হাল্কা হলো, তিনি ভরসা ফিরে পেলেন। স্বামী বিবেকানন্দ কথাপ্রসঙ্গে বলেছেন, “দুঃখার্ত মানুষের দুঃখ লাঘবের জন্য কেউ অর্থকারী সাহায্য বা সময় বা পরিশ্রম দান না করতেও পারেন, বা তার সামর্থ্য নাও থাকতে পারে, কিন্তু সর্বক্ষেত্রেই আন্তরিক সমবেদনা তাঁর দুঃখকে লাঘব করতে পারে।” তাই তিনি নির্দেশ দিচ্ছেন— মানুষের দুঃখে কেউ যদি কিছু না করতেও পারে, সে যেন অন্তত দুটো মিষ্টি কথা বলে। দ্বিতীয়ত কর্কশ ভাষায় নির্দেশ দিলে মানুষের স্বাধীন সত্তা-স্বাভাবিক কারণেই বিদ্রোহ করে ওঠে। কিন্তু আন্তরিকভাবে আপন মনে করে কথা বললে তার ভালো লাগে, মনে তার প্রেরণা জাগে।

কমল নন্দীর ‘চারিত্রিক উৎকর্ষ’ থেকে
বর্তমান থেকে।
 

বলিউড এখন ইসলামীকরণের আঁতুড়ঘর



বলিউড এখন ইসলামীকরণের আঁতুড়ঘর

বলিউড এখন ইসলামীকরণের আঁতুড়ঘর । আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র কেন্দ্র । এখানে বিশ্বের তাবড় তাবড় ধনকুবের মুসলমানরা কোটি কোটি টাকা ইনভেস্ট করে মুনাফা কামায় এবং হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরণ করে মুসলিম রাজত্বের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটা গভীর ষড়যন্ত্র রচিত হয়েছে । কিছু স্মাগলার, আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন এবং কালো টাকার কারবারি মিলে একটা মজবুত সিন্ডিকেট তৈরি করেছে । এই সিন্ডিকেট সেকুলারিজমের মুখোশ পরে হিন্দু সমাজকে ধ্বংস করে আস্তে আস্তে বাদশাহী রাজত্বের চিন্তাভাবনায় ভারতীয় হিন্দু সমাজ ও সংস্কৃতিকে তিলে তিলে ধ্বংস করা হচ্ছে । "হিন্দুু মেয়েদের পেটে পাকিস্থানের বীজ ঢুকিয়ে দাও --- এমনিই ভারত দখল হয়ে যাবে "
-- পাক সেনা আধিকারিক টিক্কা খান (১৯৭১, বাংলাদেশ )।।
এটাকে কাকতালীয় বলবেন ? না "ইসলামিকরনের " আগাম পরিকল্পনা ??? কি কারণ হতে পারে ? যে
বলিউডের সব জায়গায় মুসলিম হিরোদেরই
রমরমা ?? আর এদের সবার পত্নীরা "হিন্দু" !
👉 শাহরুখ খানের পত্নী -
"গৌরী "হিন্দু পরিবারের মেয়ে ।
👉 আমীর খানের "দুই" পত্নী -
"রীমা দত্ত /কিরণ রাও" -হিন্দু !!
👉 সাঈফ আলী খানের পত্নীরা -
"অমৃতা / করিনা " দুজনই হিন্দু ।
👉 নবাব পতৌদি হিন্দু মেয়ে শর্মিলা
ঠাকুরকে বিয়ে করেছিল।
👉 ফরহান আখতারের পত্নী -
"অধুনা ভবানী" হিন্দু .....
👉 ফরহান আজমীর পত্নী নাম
পরিবর্তন করে "আয়শা টাকিয়া" হিন্দু।
👉 অমৃতা অরোরার বিয়ে মুসলিম যুবক
"শাকিল লদাখ" এর সাথে হয়েছে ।
👉 সলমন খানের ভাই আরবাজ খানের
পত্নী -মালাইকা অরোরা হিন্দু !!!
👉 সলমন খানের ছোট ভাই সোহেল
খানের পত্নী- সীমা সচদেব হিন্দু ।
👉 আমীর খানের ভাগ্নে ইমরান খানের
পত্নী সেও হিন্দু -অবন্তিকা মল্লিক।
👉 সঞ্জয় খানের ছেলে জায়দ খানের
পত্নী -"মল্লিকা পারেখ "হিন্দু ।
👉 ফিরোজ খানের ছেলে - ফরদীন এর
পত্নী -নাতাশা হিন্দু ।
👉 ইরফান খানের পত্নী - সুতপা
সিকদার হিন্দু ।
👉 নাসিরউদ্দিন শাহ এর হিন্দু পত্নী -
রত্না পাঠক ।
💥 একটা সময় ছিল যখন মুসলিম
অভিনেতারা হিন্দু নাম রাখতো...।
কারণ, তাদের ভয় ছিল, কি দর্শক যদি জানতে পারে যে সে , মুসলমান তাহলে তার ফিল্ম দেখতে কোন হিন্দু আসবে না !!! এদের মধ্যে সব থেকে পরিচিত নাম " ইউসুফ খান " যাকে আমরা "দিলীপ
কুমার" বলে জানি !!
👉 "মহজবীন আলীবক্স " যাকে আমরা মীনা কুমারী বলে জানি ...।
👉 " মুমতাজ বেগম " মধুবালা নাম নিয়ে
হিন্দু হৃদয়ে সুড়সুড়ি জাগিয়েছে ।
👉 " বদরুদ্দীন জামালউদ্দিন কাজীকে
আমরা জনি ওয়াকার নামে সব্বাই জানি...।
👉 আর " হামিদ আলী খান " ভিলেন
" অজিত " নাম ধারন করে অভিনয় করতো ।!!!
👉 সকলের পরিচিত অভিনেত্রী "রীনা
রায় " এর আসল নাম " সায়রা খান "।
👉 জন আব্রাহামও একজন
মুসলিম, যার আসল নাম -ফরহান ইব্রাহিম !
একটু ভাবুন যে গত ৬০ বছরে কি এমন হল ???
যে এখন আর এই "মুসলিম কলাকারদের " হিন্দু
নাম রাখার দরকার নেই। বরং মুসলিম নাম এখন "ব্রান্ড" হয়ে গিয়েছে !!
এটা কি মুসলিমদের পরিশ্রমের ফল ??? নাকি আমাদের "হিন্দুদের" ভেতর থেকে কিছু শেষ হয়ে গিয়েছে ??? একটু চিন্তা করুন। আমরা কোন ফিল্মের বাড়বাড়ন্ত করাচ্ছি ???
কেন এমন হয়, যে অধিকাংশ বলিউড ফিল্মে হিরো "মুসলিম" আর "হিরোইন" হিন্দু মেয়েরা হয়ে থাকে ??? কারণ এটা যে - চলচিত্র ব্যবসার
সব থেকে বড় ফাইনান্সার "দাউদ ইব্রাহিম " এরকমই চায় ।
" টি -সিরিজের" মালিক গুলশান কুমার তার কথা না মানলে তাকে হত্যা করা হয়, এটা সবাই জানি ।
এখনও একজন চিত্রপরিচালক মুসলিম হিরোকে সাইন করালেই "দুবাই" থেকে সামান্য শর্ত ও নামমাত্র সুদে টাকা ধার পাওয়া যায় ।
ইকবাল মীরচি আর আনিস ইব্রাহিম এর মতো দেশদ্রোহী এজেন্টদের সাততারা হোটেলে মিটিং করতে দেখা যায় ।
সলমন খান , শাহরুখ খান , আমীর খান , সাঈফ আলী খান , নাসিরউদ্দিন শাহ, ফরহান আখতার ,
নওয়াজ উদ্দিন সিদ্দিকী, ফওয়াদ খানের মতো নাম থাকলে হিন্দি ফিল্মে সফলতা গ্যারান্টি ।
অক্ষয় কুমার , অজয় দেবগণ , আর ঋত্তীক রোশন এর মতো সফল কলাকারেরা এই দরিন্দাদের দু-চোখের কাটা।
টাব্বু হুমা কুরেশী , সোহা আলী খান আর জরিন খান এর মতো প্রতিভাশালী অভিনেত্রীদের কেরিয়ার জবরদস্তি শেষ করে দেওয়া হয় /হচ্ছে ৷ কেননা এরা মুসলিম বলে ৷ আর ইসলামী কাঠমোল্লাদের এদের কাজ "মজহব বিরোধী"
মনে করে । ফিল্মে কাহানি লেখার কাজও
"সলিম খান" আর "জাবেদ আখতার"
লিখলে সেই ফিল্ম সফল হবে, এটাও এদের
অধিকারের মধ্যেই পড়ে । যে কাহিনিতে একজন ভালো- ইমানদার মুসলমান ৷ একজন "পাখন্ডি" ব্রাহ্মণ ৷ একজন অত্যাচারী রাজা ও তার বলাতকারী ছেলে ক্ষত্রিয় ৷ একজন কালোবাজারি বৈশ্য ৷ একজন "রাষ্ট্রদ্রোহী" হিন্দু নেতা ৷ একজন "ভ্রষ্ট" পুলিশ অফিসার। আর একজন "গরীব" দলিত মহিলা এইগুলো থাকতে হবে এবং এটা "অনিবার্য " শর্ত ।
এই ফিল্মে "গীতিকার" এবং "সংগীতকার" ও "মুসলিম" আবশ্যিক ৷
তখনই এক গান মৌলার নামে হবে আর গায়ককে পাকিস্তান থেকেই আসতে হবে। এই "আন্ডারওয়ার্ল্ড" এর "আসল" পরিচয় জানুন ভারতবর্ষ তথা হিন্দুদের সুরক্ষিত রাখার জন্য হিন্দুসমাজকে সংগঠিত করুন ৷ তখনই আপনি রক্ষা পাবেন এবং আপনার ধর্মকে রক্ষা করতে পারবেন ৷