মঙ্গলবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

শ্রেষ্ঠতা


শ্রেষ্ঠতা




প্রণব কুমার কুণ্ডু












ইন্দ্রিয়গুলি থেকে মন শ্রেষ্ঠ !
মন থেকে বুদ্ধি শ্রেষ্ঠ !
বুদ্ধি থেকে হিরণ্যগর্ভ শ্রেষ্ঠ !
হিরণ্যগর্ভ থেকে অব্যক্ত প্রকৃতি
বা অব্যাকৃত মায়াতত্ত্ব শ্রেষ্ঠ !


সূত্র : কঠোপনিষদ। তৃতীয় বল্লী। এগারোতম মন্ত্র।
সূত্র : কাঠিয়াবাবা কৃষ্ণদাস বাবাজীর,  'নিম্বার্ক সাধন প্রণালী'।

নিম্বার্ক বৈষ্ণবধর্ম




প্রণব কুমার কুণ্ডু









প্রণব কুমার কুণ্ডু




বহুকাল আগে, দক্ষিণ ভারত থেকে, সাধু নিয়মানন্দ বৃন্দাবনে এসেছিলান।
সাধু নিয়মানন্দ, বৃন্দাবনের এক নিম গাছের তলায় বসে, সাধনা শুরু করেছিলেন !
সেই সাধনায়, তিনি, সিদ্ধিলাভও করেছিলেন !
লোকে তখন তাঁকে, নিম্বাকাচার্য বলত, এবং নিম্বাকাচার্য হিসাবেই, তিনি খ্যাতিলাভ করেছিলেন !

তাঁর প্রতিষ্ঠিত বৈষ্ণব ধর্ম, নিম্বার্ক বৈষ্ণব ধর্ম হিসাবে বিখ্যাত !

চেতাবনি


চেতাবনি



প্রণব কুমার কুণ্ডু











Your connection is not private
Attackers might be trying to steal your information from xml.blueparrot.media (for example, passwords, messages, or credit cards). Learn more
NET::ERR_CERT_AUTHORITY_INVALID

রবিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

জয় জয় জগন্নাথ


জয় জয় জগন্নাথ


প্রণব কুমার কুণ্ডু





Pranab Kumar Kundu  ফেসবুক থেকে                
একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন৷
মন্তব্যগুলি
মন্তব্য লিখুন...ভালো ছবি !
ভালো ছবি !
ভালো ছবি।

‎Pratap C Saha‎-র চিত্রশিল্পী অতুল বসু




‎Pratap C Saha‎-র  চিত্রশিল্পী অতুল বসু


 ফেসবুক থেকে     শেয়ার করেছেন       প্রণব কুমার কুণ্ডু


প্রণব কুমার কুণ্ডু







চিত্রশিল্পী
অতুল বসু (জন্মঃ- ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৮ - মৃত্যুঃ- ১০ জুলাই, ১৯৭৭)


তিনি প্রাকৃতিক দৃশ্য, প্রতিকৃতি এবং পল্লীদৃশ্য বাস্তবানুগ ধারায় ফুটিয়ে তুলতে বিশেষ পারঙ্গম ছিলেন। ছবি আঁকার জন্য তিনি মূলত তেল রং ব্যবহার করতেন। চিত্রকলা বিষয়ক তিনটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণে অতুল বসুর ভূমিকা ছিল। ১৯১৯ সালে হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ আর্ট প্রতিষ্ঠা করেন। এক্ষেত্রে অতুল বসু তাকে সহায়তা করেছিলেন। এই প্রতিষ্ঠান বাস্তববাদের উপর গুরুত্বারোপ করত এবং বাংলার স্কুলগুলোতে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির চেষ্টা করত। ওয়াস টেকনিকে অঙ্কিত লিরিক্যাল থিমের সাথে এর সুস্পষ্ট পার্থক্য ছিল। এই একাডেমি মূলত প্রতিকৃতি, প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং পল্লীর চিত্র অংকনের ধারাকে অনুসরণ করেছিল। ১৯২১ সালে ভবানীচরণ লাহার সহযোগিতায় অতুল বসু সোসাইটি অফ ফাইন আর্টস প্রতিষ্ঠা করেন। এই সোসাইটি প্রচলিত প্রাচ্য কলাচিত্রের তৎপরতা ও প্রদর্শনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছিল। এছাড়া ১৯৩৩ সালে প্রদোৎকুমার ঠাকুর কর্তৃক একাডেমি অফ ফাইন আর্টস প্রতিষ্ঠার সময়ও অতুল বসু সক্রিয় সহযোগিতা করেন। তিনি কিছুকাল আবার কলকাতা স্কুল অফ আর্টস-এর অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।
মূলত তেল রং ব্যবহার করে অতুল বসু তার শৈল্পিক অভিব্যক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটাতেন। তাঁর চিত্রকর্মে কোমল উপস্থাপনা বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। কেবল সে চিত্রশিল্পীর পক্ষেই এটি সম্ভব যে তার শৈল্পিক পেশায় সূক্ষ্ণ কারিগরি তারতম্য সম্বন্ধে জানে। এছাড়া তার ছবিগুলোতে তুলির ব্যবহার অতি ব্যপৃত ছিল। তিনি উইন্ডসোর দূর্গ এবং বাকিংহাম প্রাসাদে সংরক্ষিত মূল বিষয়গুলো থেকে প্রতিকৃতি অংকন করে বিখ্যাত হন। তার আত্মপ্রতিকৃতির শৈল্পিক মান ছিল অতি উঁচু।
বিখ্যাত চিত্রকর্মসমূহ
কল্পনাপ্রবণ ও স্মৃতি জাগরুক স্ফিংস (তেল প্লাইউড দ্বারা অংকিত)
আত্মপ্রতিকৃতি (১৯৪৫)
তিনি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা শশিকুমার বসু ছিলেন শিক্ষক। তার ছেলেবেলা ময়মনসিংহ শহরেই কেটেছে। ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশন-এর ময়মনসিংহ শাখায় তার প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন হয়। এরপর পড়াশোনা করেন ভারতের পশ্চিম বঙ্গের রাজধানী কলকাতার জুবিলি আর্ট একাডেমিতে। এই আর্ট একাডেমির পাঠ্যসূচি বাংলার অন্য আট দশটি সাধারণ বিদ্যাপীঠের মত ছিল না। সেখানে তার সহপাঠী ছিলেন হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার এবং ভবানীচরণ লাহা। এখানকার ছাত্র থাকাকালীন সময়ে তিনি লন্ডনে অধ্যয়ন এবং ইউরোপ জুড়ে বিশেষ ভ্রমণের জন্য বৃত্তি পান। তার চিত্রকলার বিষয়বস্তু বিনির্মাণে এই ভ্রমণ বিশেষ প্রভাব রেখেছিল।
Published works:
Exhibition of Paintings and Drawings of Atul Bose (Calcutta, 1939)
Verified Perspective (Calcutta, 1944)
A Hundred Years of Painting and Politics in Bengal [in Bengali] (Calcutta: Ananda, 1976)
...............

শেয়ার করেছেন : প্রণব কুমার কুণ্ডু

কৃষ্ণ ( দুই )


কৃষ্ণ ( দুই )



মানিক কুমার-এর পোস্ট      শেয়ার করেছেন : প্রণব কুমার কুণ্ডু






Manik Kumar একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন৷



HG Vishvambhar Das


Blessings Krishna

In India, the cows & oxen are not relaxed and free from fear...


In India, the cows & oxen are not relaxed and free from fear...






Pranab Kumar Kundu










In India, the cows & oxen are not relaxed and free from fear, because they assume, know & understand, that they might be killed in an extremely abominable, repulsive, & loathsome oppressed manner, cut in pieces, & then cooked to serve with the main meal as food, specially in a particular religious community.

Though, Cow Slaughter is banned in the Indian Constitution, it appears that the Central Government & the State Governments, are not well aware about the same, or, completely ignoring of the same !