বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

অস্ত্র


অস্ত্র

শেয়ার করে্ছেন                                                     প্রণব কুমার কুণ্ডূ ।


🔴🔴🔴#শান্তির_প্রতিষ্ঠায়_অস্ত্রের_প্রয়োজনীতা🔴🔴🔴
প্রাচীন ভারতে মুসলিমরা #আল_তাকিয়া/#মুদারাৎ বা, #ইসলামি_শঠতা প্রয়োগ করে বারংবার অন্যায় যুদ্ধে হিন্দুদের পরাজিত করেছে। দশটি শতাব্দী পেরিয়ে যাওয়ার পরেও হিন্দুরা ইসলামের প্রকৃত চরিত্র সম্পর্কে জানতে একটুকুও আগ্রহী হয়নি। 

#ইসলামি_মিল্লাত#কুফর#দার_উল_ইসলাম#দার_উল_হারব#জেহাদ#কিতাল#কাফের#মুমিন এই ইসলামিক শব্দ গুলির মানে কি এটাই সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দুরা এখনো জানে না। তারপরও এই সেকুলার মূর্খেরা ইসলামের হয়ে উকালতি করতে আসে।

#কেউ_লজিক দিয়ে বোঝাবেন একজন ধর্ম প্রচারকের এত গুলি #অস্ত্র কিসের জন্য?? যেখানে মরুভূমিতে কোন জংলি জীবজন্তুর ভয় নেই????
🔴🔴🔴#শান্তির_প্রতিষ্ঠায়_অস্ত্রের_প্রয়োজনীতা🔴🔴🔴
প্রাচীন ভারতে মুসলিমরা #আল_তাকিয়া/#মুদারাৎ বা, #ইসলামি_শঠতা প্রয়োগ করে বারংবার অন্যায় যুদ্ধে হিন্দুদের পরাজিত করেছে। দশটি শতাব্দী পেরিয়ে যাওয়ার পরেও হিন্দুরা ইসলামের প্রকৃত চরিত্র সম্পর্কে জানতে একটুকু ও আগ্রহী হয়নি।
#ইসলামি_মিল্লাত#কুফর#দার_উল_ইসলাম#দার_উল_হারব#জেহাদ#কিতাল#কাফের#মুমিন এই ইসলামিক শব্দ গুলির মানে কি এটাই সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দুরা এখনো জানে না। তারপরও এই সেকুলার মূর্খেরা ইসলামের হয়ে উকালতি করতে আসে।
#কেউ_লজিক দিয়ে বোঝাবেন একজন ধর্ম প্রচারকের এত গুলি #অস্ত্র কিসের জন্য?? যেখানে মরুভূমিতে কোন জংলি জীবজন্তুর ভয় নেই????



যিশুর জীবন কথা


শেয়ার করেছেন
                                           প্রণব কুমার কুণ্ডু।
“যীশু খ্রীষ্ট ও ‘নাথ যোগী’ সম্প্রদায়”
ডাঃ মৃনাল কান্তি দেবনাথ

যীশুকে নিয়ে কাহিনীর শেষ নেই। একজন মানুষ যদি মারাই গিয়ে থাকেন তিনি কি করে বেঁচে ওঠেন , একজন মানুষ যার জঠর থেকে জন্ম নিলেন,  সেই মাতা কি করে অক্ষত যোনী (Virgin Marry) হতে পারেন, তা সারা জীবন ভেবে কুল কিনারা পেলাম না।
আমাদের হিন্দু ধর্মে অনেক কল্প কথা আছে, যা বিশ্বাস করা যায় না, আমি করিও না। শ্রী কৃষ্ণকে নিয়ে নানা রসালো আলোচনা শুনি,পড়ি। যার একবিন্দু সত্য নয়। কিন্তু তার জন্ম বৃতান্ত বিশ্বাস করি কারণ মা দেবকী এবং পিতা বসুদেব এক সংগেই ছিলেন কারাগারে, একই ঘরে। সুতরাং সন্তানের জন্ম হতেই পারে। মা দেবকী অক্ষত যোনী ছিলেন এমন দাবী কোনোদিন শুনিনি। হিন্দুরা এই দাবীও করে না শ্রী কৃষ্ণ মারা যাবার পর আবার বেচে উঠেছিলেন। শ্রী রাম চন্দ্র সেতু তৈরী করেছিলেন সেটাকে এতোদিন কল্প কথা বলে সবাই উড়িয়ে দিয়েছেন। আজ সেটা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। ৭০০০ বছর আগে সেটাও বিশ্বাস যোগ্য ( ১৭৫০০০০ বছর বিশ্বাস যোগ্য নয়) ।
যীশুকে নিয়ে একটি পুস্তক আছে। রাশিয়ান ভাষায় লেখা। একজন রাশিয়ান নিজে তিব্বতের এক বৌদ্ধ গুম্ফায় একটি লামার কাছে শুনেছিলেন এক “ঈশাই যোগী” র কথা । সেই ঈশাই যোগী ভারতে যে সময় কাটিয়েছিলেন ১৩ বছর বয়ষ থেকে ২৯ বছর বয়ষ অবধি এবং পরে তাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত থেকে বেঁচে,  তিনি তার পূর্ণ বয়ষে (বৃদ্ধ বয়ষে=৭৫ বছর) কাশ্মীরে দেহ রক্ষা করেন, সেই সব বৃতান্ত লেখা, সযত্নে রক্ষিত একটি পুঁথি,  ওই গুম্ফার লামা রাশিয়ান ভদ্রলোককে দেখান। রাশিয়ান ভদ্রলোক ঐ বৌদ্ধ গুহায় অনেকদিন থেকে সেই পুঁথির রাশিয়ান ভাষায় অনুবাদ করেন। সেই রাশিয়ান ভাষার বই প্রথমে জার্মান এবং পরে ইংরেজীতে লেখা হয়েছে। ইংরেজী ভার্সান আবার নানা জনে লিখেছেন, যার একটি আমার কাছে আছে। নাম, “Jesus Lived in India’ – His Unknown life.
ইংরেজীতে যা পড়েছি, তা বিশ্বাস করলে, (বিশ্বাস না করার কারণ নেই কিছু), অবাক হতে হয় এই কথা ভেবে যে, একজন মহাপুরুষের সত্য কাহিনী বিকৃত করে সারা পৃথিবীতে আজ ২০১৭ বছর ধরে কি মিথ্যার ঝুড়ি বলে বেড়ানো হচ্ছে।
দেখুন এবং পড়ুন সেই ইংরেজি বই এর একটি পাতা। “নাথ যোগী” সম্প্রদায়ের এক সুযোগ্য শিষ্য যীশুকে প্রকৃত পক্ষে “ছিনতাই” (Hijacked) করে নেওয়া হয়েছে। নাথ গুরু ‘চেতন নাথের শিষ্য’ আজ হয়ে গেছেন ‘খ্রীষ্টান’ দের ধর্ম গুরু। অথচ, যীশু সামান্য কয়েক বছর ছাড়া (জীবনের প্রথম ১২ বছর এবং ৩০ বছর থেকে ক্রুশে বিদ্ধ করা অবধি) বাকী জীবন এই পুণ্য ভুমি ভারতেই কাটিয়েছেন (৭৫ বছর বয়ষ অবধি )। তক্ষশীলাতে পাঠ নিয়েছেন, গুরু চেতন নাথের কাছে যোগ শিক্ষা করেছেন, বৌদ্ধ লামাদের কাছে বৌদ্ধ দর্শন শিখেছেন, পুরীর জগন্নাথ ধামে “ভক্তি বাদ “ শিখেছেন। নিজে কাশ্মীর এবং তার পার্শবর্তী এলাকায় “ভক্তি ভালোবাসার ধর্ম” প্রচার করেছেন। কাশ্মীরে তার কবর আজো বিদ্যমান। তিনি “ইশাই যোগী” নামে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু তার সমস্ত প্রমাণ নষ্ট হয়েছে জেহাদীদের দ্বারা এবং বিকৃত করা হয়েছে জেহাদীদের বৈমাত্রিয় ভাই খ্রীষ্টান দের দ্বারা।
যীশুর বাণী বলে, যীশুর নামে সারা পৃথিবীতে যে গসপেল আজ প্রচার করা হয়, সেটি আসলে সেন্ট পলের লেখা। একে বলা হয় “Paulinism”. সেন্ট পল শিক্ষিত ছিলেন এবং প্রথম জীবনে ঘোরতর যীশু বিরোধী ছিলেন। ক্রুশে ৩ ঘন্টা রেখে দেবার পর তার দেহ নামিয়ে আনা হয় এবং যীশুর অনুগামীদের কাছে দেওয়া হয়। যীশুর দেহ এক গুহায় রেখে দেওয়া হয়েছিলো তারই নির্দেশে। নাথ যোগী চেতন নাথের কাছে যীশু যোগ শিক্ষা করেন বহুদিন। তিনি জানতেন, ৩ ঘন্টা ক্রুশে থাকলে কিছু রক্ত ঝরবে, তিনি হয়তো অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন। যোগ সিদ্ধ শরীর শেষ হবে না। তিনদিন গুহার মধ্যে থেকে তিনি সুস্থ হন এবং ছদ্ধবেশে পলায়ন করেন ।রেখে যান তার রক্তমাখা চাদর টি। তিনি প্রথমে যান সিরিয়ার দামাস্কাসে। রাস্তায় গ্যালিলিতে তাকে কেউ কেউ চিনতে পারে। সে কথা বাইবেলে লেখা আছে। দামাস্কাসেও অনেকে যীশুকে ছদ্ধবেশে চিনেছিলো। সেই সংবাদ পেয়ে রাজা হেরোদ পলকে পাঠায় যীশুকে ফলো করতে এবং তার খবর দিতে। দামাস্কাসেই পলের সংগে যীশুর দেখা হয়। সেখানে গুপ্ত আস্তানায় দুজনের কথোপকথন হবার পর (প্রকৃত ধর্ম নিয়ে ) পল যীশুর শিষ্যত্ব নেন। যীশু তাকে বলেন, ‘যাও ফিরে যাও। আমি আর ওখানে যেতে পারি না। আমার কথা এবং ঈশ্বরের বানী প্রচার করো”। সেই পল লেখেন তার মতো করে এবং সেখানে সংযোজন হয় পরবর্তী কালে লুক ইত্যাদির কথা। সেটাই “নিউ টেষ্টামেন্ট” এবং গসপেল, যা আজো চলছে।
পুরানো সিল্ক রুট ধরে যীশু চলে আসেন তার পরিচিত ভারতে, কাশ্মীরে। সেখানেই তিনি থাকেন তার জীবনের শেষ দিন অবধি। প্রচার করেন ভক্তি ধর্ম। সবাই তাকে “ইশাই যোগী” নামেই জানতো,কারণ তার আসল নাম ছিলো ইশাই । যীশু তার মা মেরীকেও ভারতে আনার চেষ্টা করেন। মা মেরী যীশুর শিষ্য পিটারের সংগে বর্তমান তুরষ্কের এক জঙ্গলে লুকিয়ে ছিলেন। যীশু তা জানতেন। (আমি ২০১২ সালে সেই গোপন আস্তানা দেখেছি, সেখানকার ছবিও আমার কাছে আছে)। আসার রাস্তায় কাশ্মীরের কিছু আগেই,  পথশ্রম এবং ঠান্ডায় ‘মা মেরী’ র জীবনাবসন হয়। সেখানে তার কবর আজো আছে।
যীশুর জীবনের কাহিনী লুকানো হয়েছে,কারণ,  তা না হলে গল্প কথা বানিয়ে দল ভারী করা যাবে না। সত্য কাহিনী শোনালে যীশুকে আর রোম বা অন্য পশ্চিমী জগতে ধরে রাখা যাবে না। তাই নানা গল্প লেখা হয়েছে।
নাথ যোগীদের একজন, বিহারের রাজগীরে বেশ কিছুদিন বাস করা এক যোগী, ভারতে যোগ ধর্মে দীক্ষিত এবং জগন্নাথ ধাম থেকে “ভক্তিবাদ” শেখা এক মহাপুরুষকে তাহলে এক ভারতীয় বৈদিক ধর্ম গুরু হিসেবে মানতে হয়। সেক্ষেত্রে, রোমের ভ্যাটীকানে কি করে আটকে রেখে সারা দুনিয়াময় তার নামে ব্যাবসা করা যাবে???

******বি দ্রষ্টব্যঃ যেদিন নেতাজীর অন্তর্ধান রহস্য সত্য জানা যাবে সেদিন বোঝা যাবে কি করে একজন ‘ঈশ্বরের দুত” এর সারা জীবন গোপন আস্তানায় ‘গুমনামী বাবা’ হয়ে কাটাতে হয়। কি করে একজন জীবন্ত মানুষকে মৃত বলে ১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল অবধি লুকিয়ে থাকতে বাধ্য করা যায়। তার ব্যবহৃত চশমা, ঘড়ি, পিতা মাতার ছবি, এবং আরো বহু প্রমাণ থাকা স্বত্বেও তার সত্য ইতিহাস লেখার চেষ্টা করা হয় না।**** ক্ষমতা বড়ো বালাই, সেখানে মনুষ্যত্বের কোনো দাম নেই...

সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৭

হিন্দু


হিন্দু

শেয়ার করেছেন                                                        প্রণব কুমার কুণ্ডু।


প্লিজ একটু কষ্ট করে পড়ুন।কথা দিচ্ছি বিষয়টি আপনাকেও ভাবাবেঃ

যে সকল হিন্দুরা এখন ও সেকুলারির তকমা লাগিয়ে ঘুরছেন, তাদের কাছে প্রশ্ন?হিন্দুধর্ম আদি অনন্ত কাল থেকে বিরাজমান আছে ও ভবিষ্যতেও থাকবে আপনাদের এই সেকুলারির জন্য?

হিন্দু মুসলিম যদি ভাই ভাই হয় তবে চলুন দেখি ইতিহাস কি বলে ।

কখনো ভেবেছেন আফগানিস্হানের হিন্দুরা কোথায় গেল ! '
কাবুল ' শহর টা শ্রীরামের পুত্র কুশ বানিয়েছিলেন , আজ সেখানে একটা মন্দির পর্যন্ত নেই ।
' গান্ধার ' যার বিবরণ মহাভারতে পাওয়া যায় । যেখানকার রাণী ছিলেন গান্ধারী । আজ সেই স্হানের নাম কান্দাহার । এবং সেখানে আজ আর কোন হিন্দু বেঁচে নেই ।

কম্বোডিয়া' যেখানের রাজা ছিলিন সূর্য্যদেব বর্মন যিনি পৃথিবীর সবথেকে বড় মন্দির ' 🏯আঙ্কোরভাট নির্মাণ করিয়েছিলেন । আজ সেখানেও কোন হিন্দু নেই ।

' বালিদ্বীপে ' ২০ বছর পূর্বেও ৯০% হিন্দুর দেখা পাওয়া যেত । আর আজ সেখানে মাত্র ২০% অবশিষ্ট রয়েছে ।

কাশ্মীরে ২০ বছর পূর্বেও ৫০% হিন্দু ছিল আর আজ মাত্র ৩% থেকে ৪% ।

কেরলে মাত্র দশ বছর পূর্বেও ৬০% হিন্দু ছিল এখন মাত্র ২০% ।

নর্থ ইস্ট রাজ্যগুলিতেও আজ ভয়ংকর হারে হিন্দু জনসংখ্যা কমে আসছে । এর মধ্যে আমাদের পশ্চিমবাংলাও আছে ।
প্রতিবেশি রাষ্ট্রের লাগাতার অনুপ্রবেশ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ভারতের সবকটি রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে ।

১৫৬৯ সাল পর্যন্ত ইরানের পূর্বনাম ছিল পারস্য । যেখানে একটিও মুসলিম বসতি ছিলনা  শুধুমাত্র পারসিকরািই থাকতেন ।
যখন পারস্যের উপর মুসলিমরা আক্রমণ চালাতো,  তখন পারস্যের বয়স্ক ব্যক্তিরা, তাদের তরুণ যুবকদের বলতেন , আমাদের কেউ হারাতে পারবেনা , কেউ ধ্বংস করতে পারবেনা ।
কিন্তু ধীরে ধীরে পারস্য ইরাণে পরিণত হল, পারসিকদের লুঠ করা হল,  তাদের নারীরা হল গণিমতের মাল, পুরুষদের নৃশংসভাবে খুন করা হল, অবশিষ্টদের ধর্মান্তরিত করা হল ।
অল্পসংখ্যক কিছু বেঁচে যাওয়া পারস্যের অধিবাসী যারা নৌকাযাত্রা করে ভারতে পালিয়ে এসেছিল, তাদেরই হাতেগোনা
কিছুজনের আজ গুজরাতে দেখতে পাওয়া যায় ।

....... সদা সর্বদা শান্তিচাই শান্তিচাই করে,  শান্তির ভিক্ষাকরা হিন্দুদের এবার ভাববার সময় এসেছে । 

কারণ নিকট ভবিষ্যতে সমগ্র হিন্দু জনজাতি চরম সংকটের সম্মুখীন হতে চলেছে । এই সংকট অস্তিত্বের সংকট ।

.....সমগ্র বিশ্বে খ্রীষ্টান ধর্ম অধ্যুষিত দেশ হল ৮০ টি আর  ইসলামিক দেশ হল ৫৬টি । 

কিন্তু একটিও হিন্দু রাষ্ট্র নেই ।

হিন্দু সংখ্যগরিষ্ট দুটি দেশ আছে একটি হল, আমাদের মাতৃভূমি ভারত অপরটি হল, ভারতের প্রতিবেশি নেপাল ।

এটা আমাদের দূর্ভাগ্য যে এটা বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে সেকুলার দেশ।

সংখ্যাগুরু হিন্দুরা এখানে দুর্গাপুজা পালন করতে পারে না, এখানে প্রতি নিয়ত চলে হিন্দুদের উপর অত্যাচার।এখানে মন্দির ভাঙা এখন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

এই দুবৃত্তদের কারণেই, সে দিন আতি নিকটে যে পৃথিবীর বুকে হিন্দু বলে কোন জাতি ছিল,  এটা জানতে ইতিহাসের পাতা উল্টাতে হবে; অথবা কোন যাদুঘরে যেতে হবে,  হিন্দুদের কোন দেব-দেবীর ধ্বংসাবশেষ খুজতে বা অবশিষ্ট কোন ধর্ম গ্রন্থ খুজতে।।

আমার মত একটা তুচ্ছ লোক ও এগুলা নিয়ে আজ ভাবতে শিখেছে কিন্তু আজও ভাবাতে পারেনি হিন্দু কোন প্রধানমন্ত্রী নেতাবৃন্দকে।

চোখের কোণের এই অশ্রুটুকু কি শুধু আমার ভালোর জন্য ঝরল কিনা জানি না?

নিজের জন্য চোখের জল আমার কখনও ঝরে নি যতটা ঝরল ঐ তোমাকেই ভালবেসে।ভালবাসি হিন্দুত্ব।

পৃথিবীতে যদি ঈশ্বরের কাছে চিৎকার করে কেঁদে কেঁদে বলার মত কোন জায়গা থাকত, তবে তার কাছে জানতে চাইতাম তোমার সৃষ্টি যদি আমি হয়েই থাকি,  কি আমার আপরাধ,  এই নিরীহ নিন্দুককে,  কেনবা পৃথিবীতে পাঠিয়ে ছিলে??

গল্পের মতন


  গল্পের মতন

  শেয়ার করেছেন                                       প্রণব কুমার কুণ্ডু।

কাজী শাহিন

সোলন: এথেনিয় গণতন্ত্রের জনক !

সোলন নাকি একবার বলেছিলেন: “কোনও জীবিত মানুষকেই সুখি বলো না।”

কে সোলন?
সোলন ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন আইনপ্রণেতা। কবিতাও লিখতেন।

সোলনের সময়কাল: খ্রিস্টপূর্ব ৬৩৮ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৮। ওই সময়কালকে বলা হয় গ্রিসের ইতিহাসের আর্কাইক যুগ। ওই আর্কাইক যুগের এথেন্সের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ও নৈতিক অধপতনের বিরুদ্ধে অবিরাম সংগ্রাম করেছিলেন সোলন। এ কারণে,এথেন্সের গণতন্ত্রের জনক তাঁকেই বলা হয়।

ষষ্ট শতকের গ্রিস সম্বন্ধে ইউরোপীয় পন্ডিতদের জ্ঞান সীমিত বলেই, সোলন সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞানও সীমিত। তা সত্ত্বেও বলা যায় যে কবিতা লেখার পাশাপাশি যুবা বয়েসে যথেস্ট ভ্রমন করেছিলেন সোলন। অন্তত সোলন যে লিডিয়া রাজ্যে গিয়েছিলেন সেরকম প্রমাণ আছে।

কোথায় ছিল লিডিয়া?
বর্তমানে যে অঞ্চলটি তুরস্ক বা এশিয়া মাইনর--  প্রাচীন লিডিয় রাজ্যটি ছিল সেখানেই।

ক্রোসাস নামে এক অত্যন্ত ধনশালী সম্রাট শাসন করতেন রাজ্যটি। ক্রোসাস-এর ধনসম্পদের পরিমান এতই বেশি ছিল যে তা রীতিমতো প্রবাদে পরিণত হয়েছিল।
পারস্য রাজ্যটি ছিল লিডিয়ার দক্ষিণ-পুবে।
সেই পারস্যের সম্রাট সাইরাস আক্রমণ করে বসলেন লিডিয়া।
যুদ্ধে ক্রোসাস পরাজিত হলেন। হওয়ারই কথা। ধনসম্পদ নিয়ে সুখভোগে ডুবে ছিলেন। সমসাময়িক রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কথা খেয়াল করেন নি,খেয়াল করেন নি পারস্যের উত্থানের কথা।
সাইরাসের সৈন্যরা তাকে বন্দি করল।
পরিবারসমেত ক্রোসাসকে পুড়িয়ে মারার জন্য শুকনো কাঠের স্তুপ জড়ো করল।
সে কালের নিষ্ঠুরতা তেমনই বিভৎস ছিল!
আগুন জ্বলে উঠেছে। ক্রোসাস আর্তনাদ করে উঠলেন, কোনও জীবিত ব্যাক্তিকেই সুখি বল না।
সাইরাস কাছেই ছিলেন। কথাটা সম্ভবত সাইরাসের কানে গিয়েছিল। তিনি হাত তুলে সৈন্যদের নিরস্ত করলেন। সৈন্যরা জ্বলে-ওঠা আগুন নিভিয়ে দিল।
ক্রোসাসকে কাছে আসার নির্দেশ দিলেন সাইরাস। ক্রোসাস কাছে এলেন। সাইরাস বললেন, আপনি তখন কি বলছিলেন?
ক্রোসাস কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, কি আর বলব। আমার এমনই পোড়া কপাল। ধনসম্পদ কত সুখিই না ছিলাম, এখন পুড়ে মরতে হবে।
সে তো বুঝলাম। কিন্তু আপনি তখন কি বলছিলেন? সাইরাস বিরক্ত হয়ে বললেন।
ক্রোসান বলল, বলছিলাম কোনও জীবিত ব্যাক্তিকেই সুখি বলো না।
কেন? সাইরাস বিস্মিত।
ক্রোসাস তখন বলল, অনেক অনেক দিন আগের কথা। এথেন্স নগর থেকে সোলন নামে একজন যুবক এসেছিল এই লিডিয়া রাজ্যে। তার আগে নানা রাজ্য ঘুরেছিল সোলন। মিশরে গিয়েছিল। আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, এই যে আমার এত ধনসম্পদ দেখছ, এমনটা আর কোথাও দেখেছ? সোলন বলল, না। আমি তখন বললাম, আমার মতো সুখি ব্যাক্তি সে আর কোথাও দেখেছে কি না।তখন সোলন বলল, একমাত্র মৃতরাই সুখি। কোনও জীবিত মানুষকে সুখি বলা ঠিক হবে না। সোলনের কথাই ঠিক। ধনসম্পদ কত সুখিই না ছিলাম, এখন পুড়ে মরতে হবে। আমার এমনই পোড়া কপাল। ক্রোসাস আর্তনাদ করে উঠলেন।
সাইরাস কী যেন ভাবলেন। গভীর চিন্তামগ্ন দেখাল তাঁকে। ক্ষানিকক্ষন বাদে বললেন, না। আপনাকে পুড়ে মরতে হবে না। আপনি মুক্ত।

সাইরাসের কথায় লিডিয়রাজ হয়তো বিস্মিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, পারস্যরাজ সাইরাস-এর পক্ষে সে রকম মানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই সম্ভব। কেননা, ইতিহাসে সাইরাসের পরিচয় সাইরাস দ্য গ্রেট হিসেবে। ইহুদিরা সাধারণত তাদের সম্প্রদায়ের বাইরে কারোর প্রশংসা করে না। একমাত্র সাইরাসের নামটি রয়েছে ওল্প টেস্টামেন্টে একজন দয়ালু শাসক হিসেবে! কাজেই, সাইরাসকে সাইরাস দ্য গ্রেট বলা হয়। যেমন, অশোক। যেমন, আকবর।

ভাবলে অবাক লাগে-সোলনের একটি উক্তি কী ভীষণ প্রভাব ফেলেছিল পারস্যরাজের ওপর । সলোন কবি ছিলেন বলেই, হয়তো, অমন অমোঘ বাক্য বলতে বা লিখতে পারতেন।

অবশ্য, তাঁর রচনার ভগ্নাংশ মাত্র পাওয়া গিয়েছে।

সোলন অবশ্য কবিতা লিখতেন তাঁর রাজনৈতিক মত প্রচার করার জন্য। মানে প্রোপাগান্ডা চালাতে সাহিত্যকে ব্যবহার করতেন।
তা হলেও তিনি সুখী, সুন্দর, এথেন্স দেখতে চেয়েছিলেন।

-ইমন জুবায়ের, সামহোয়্যারইনব্লগ

তথ্যসূত্র:
উইকিপিডিয়া



              মন্তব্য
মন্তব্যগুলি
Pijush Ray খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠশতকে পারস্যরাজ সাইরাস দ্য গ্রেট জেরুজালেম জয় করেন। তখন সেখানকার বিখ্যাত জিহোবা-র মন্দির ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় পড়েছিল। সেই ভাঙা মন্দিরের জায়গায় নতুন মন্দির গড়ে দেন পারস্য সম্রাট সাইরাস দ্য গ্রেট। তাই ইহুদীরা তাঁকে ভোলেনি। ইহুদীরা ' ওল্ড টেস্টামেন্ট '-এ সম্রাট সাইরাসের উল্লেখ রেখেছে।
পরিচালনা করুন