মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২০

কল্কি

কল্কি




শেয়ার করেছেন :- প্রণব কুমার কুণ্ডু
প্রণব কুমার কুণ্ডু

কল্কি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কল্কি
সীমাহীন মহাবিশ্বের দেবতা
Kaliki avatar statue.JPG
কল্কি দেবতার প্রস্তর মূর্তি
দেবনাগরীकल्कि
সংস্কৃত লিপ্যন্তরकल्कि
অন্তর্ভুক্তিবিষ্ণু অবতার
গ্রহপৃথিবী
অস্ত্রনন্দক নামক তলোয়ার বা অসি (অশুভ প্রাণীকে ধ্বংস করার পরব্রহ্ম অস্ত্র)
বাহনদুই পক্ষযুক্ত শ্বেত অশ্ব
কল্কি (দেবনাগরী লিপি: कल्कि) হিন্দুধর্মের একজন অবতার যিনি কলিযুগে মানব সমাজের ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হবেন। কল্কি হচ্ছেন ভগবান বিষ্ণুর সর্বশেষ রূপ। হিন্দু ধর্মশাস্ত্র পুরাণ থেকে জানা যায় কল্কি অবতার সাদা ঘোড়ার পিঠে খোলা তরবারী হাতে আবির্ভূত হবেন। কল্কি অবতার কলি যুগের অবসান ঘটিয়ে সত্য যুগ শুরু করবেন।
কল্কি শব্দটি সময়ের রূপকার্থে ব্যবহৃত হয়। শব্দটির উৎসমূল সংস্কৃত শব্দে খুঁজে পাওয়া যায়, কলকা অর্থ অশুভ। বর্তমানে কল্কি শব্দের অনুবাদ করা হয় অশুভ ধ্বংসকারী, অজ্ঞতা ধ্বংসকারী অথবা অন্ধকার দূরকারী হিসেবে।[১] সংস্কৃতে কল্কি শব্দের আরেকটি অর্থ সাদা ঘোড়া[২]

বৌদ্ধ কালচক্র ঐতিহ্যে , শামবালা রাজ্যের ২৫ জন শাসকের নাম ছিলো কল্কি, কুলিকা অথবা কল্কি রাজ।[৩] বৈশাখের শুল্ক পক্ষের প্রথম ১৫ দিন ১৫ জন দেবতার পূজা করা হয়। একেকদিন একেক দেবতার পূজা হয়। ১২ তম দিন বৈশাখী দ্বাদশী। দিনটি মাধবের(কল্কির আরেক নাম) জন্য নির্দিষ্ট।

মহা অবতার

পুরাণ

“অতঃপর দুইযুগের(কলিযুগ এবং সত্যযুগের) সন্ধিক্ষণে ভগবান কল্কি অবতার রুপে বিষ্ণুযশ নামক ব্যক্তির পুত্র হিসেবে জন্ম গ্রহণ করবেন। ঐ সময় পৃথিবীর প্রায় সমস্ত শাসক অধঃপতিত হয়ে লুটেরা ও ডাকাতের পর্যায়ে নেমে যাবে।”- ভাগবতপুরাণ-১/৩/২৫
এর অর্থ হল ভগবান এই কলিযুগের শেষের দিকে কল্কি অবতার হিসেবে আবির্ভুত হবেন। তিনি অসাধু লোকদের বিনাশ করে দায়িত্ব শেষ করার পর খুব কম সংখ্যক লোক বেঁচে থাকবে, যারা সৎ এবং ধার্মিক। কল্কি অবতারের পর এই পৃথিবীতে আবার সত্যযুগ শুরু হবে। সনাতন ধর্ম অনুযায়ী কলি যুগের সময়কাল হল ৪,৩২,০০০ বছর, যা পন্ডিতদের গবেষণা অনুযায়ী খৃষ্টপূর্ব ৩,১০২ সাল থেকে শুরু হয়েছে। এখন কেবল ৫,০০০ বছর চলছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, কল্কি অবতারের জন্ম গ্রহণ করতে এখনও অনেক দেরি| আবার পন্ডিত শ্রী যুক্তেশ্বর গিরি দাবি করেন যে, এই দীর্ঘ ৪,৩২,০০০ বছর সময়ের মাঝেও অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সময়কালের চক্র বিদ্যমান রয়েছে|

জন্ম এবং আগমণ সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী

কল্কি এবং তার বাহন দেবদত্ত
কল্কিপুরাণের লেখা অনুসারে:
অনুবাদ:'
शम्भल ग्राममुख्यस्य ब्राह्मणस्य महात्मनः।
भवने विष्णुयशसः कल्किः प्रादुर्भविष्यति।।
শ্রীমদ্ভগবত মহা পুরাণ – ১২:২:১৮
शम्भल ग्राम मुख्यस्य ब्राह्मणस्य महात्मनः।
शम्भु শম্ভু (শিব শম্ভু ভোলা) + ल বা ले (এর) + ग्राम গ্রাম (সম্প্রদায়/গ্রাম) + मुख्यस्य মূখ্যাশয় (প্রধানত) + ब्राह्मणस्य ব্রক্ষ্মাশয় (ব্রাহ্মণদের) + महात्मनः মহা আত্মা (মহান আত্মা) মহা আত্মা ব্রাহ্মণ প্রধানত শিব দুর্গা পূজা সম্প্রদায়
द्वादश्यां शुक्ल-पक्षस्य माधवे मासि माधवम्।
जातं ददृशतुः पुत्रं पितरौ हृष्ट-मानसौ।। (১:২:১৫ কল্কি পুরাণ)

জ্যোতিষশাস্ত্র

কল্কি পুরাণে তার জন্মের সময়ের বর্ণনা:
शम्भल ग्राम मुख्यस्य ब्राह्मणस्य महात्मनः

भवने विष्णुयशसः कल्किः प्रादुर्भविष्यति
भवने विष्णुयशसः कल्किः प्रादुर्भविष्यति
द्वादश्यां शुक्ल-पक्षस्य माधवे मासि माधवम्
जातं ददृशतुः पुत्रं पितरौ हृष्ट-मानसौ
— কল্কি পুরাণ, ১.২.১৫

পদ্মা

কল্কি পুরাণ অনুসারে ভগবান কল্কি বৃহদ্রথ রাজকন্যা পদ্মাকে বিবাহ করবেন ।
কল্কি পুরাণ:
मत्तो विद्यां शिवाद् अस्त्रं लब्ध्वा वेद-मयं शुकम्।
सिंहले च प्रियां पद्मां धर्मान् संस्थापयिष्यसि।। ১:৩:৯ ततो दिग्-विजये भूपान् धर्म-हीनान् कलि-प्रियान्।
निगृह्य बौद्धान् देवापिं मरुञ् च स्थापयिष्यसि।। ১:৩:১০ श्रुत्वेति वचनं कल्किः शुकेन सहितो मुदा।
जगाम त्वरितो ऽश्वेन शिव-दत्तेन तन्मनाः।। ২:১:৩৯ समुद्र-पारम् अमलं सिंहलं जलसंकुलम्। («=सिंहलद्वीप»)
नाना-विमान-बहुलं भास्वरं मणि-काञ्चनैः।। ২:১:৪০ प्रासादसदनाग्रेषु पताका-तोरणाकुलम्।
श्रेणी-सभा-पणाट्ताल-पुर-गोपुर-मण्दितम्।। ২:১:৪১

শিখ ধর্মমতে কল্কি অবতার

পাঞ্জাব পর্বতে কল্কি অবতার, গুলার, সি. ১৭৬৫
শিখ ধর্মগুরু গোবিন্দ শিং শ্রী দশম গ্রন্থে কল্কি অবতারের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি তরবারী হস্তে ঘোড়ায় চড়ে আগমণ করবেন বলে শিখ ধর্মবিশ্বাসীগণ বিশ্বাস করেন।

যে সকল ব্যক্তিগণকে কল্কি অবতার হিসেবে দাবী করা হয়

দশাবতারঃ(বামদিক থেকে) মৎস্য, কুর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পর্শুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, কল্কি


তথ্যসূত্র



  • "The Kalki Purana"। Ismaili.net। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০১-২০

  • "Appearance of Kalki Avatar"yoga-philosophy.com। ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-১৫

  • "Kalachakra History"International Kalachakra Network। ২০০৬-০৭-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৬-১৫

  • Momen, Moojan (১৯৯০)। "Hindu Prophecies"। Hinduism and the Bahá'í Faith। Oxford: George Ronald। আইএসবিএন 0-85398-299-6

  • Buck, Christopher (২০০৪)। "The eschatology of Globalization: The multiple-messiahship of Bahā'u'llāh revisited"। Sharon, Moshe। Studies in Modern Religions, Religious Movements and the Bābī-Bahā'ī Faiths। Boston: Brill। পৃষ্ঠা 143–178। আইএসবিএন 90-04-13904-4

  • The Baha'i Faith in India: A Developmental Stage Approach by William Garlington, Occasional Papers in Shaykhi, Babi and Baha'i Studies, No. 2 (June, 1997)

  • Juergensmeyer, Mark (২০০৬)। Oxford Handbook of Global Religions। Oxford: Oxford University Press। পৃষ্ঠা 520। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫১৩৭৯৮-৯, ISBN (Ten digit): 0195137981।

  • http://www.youtube.com/watch?v=eJMT5HkBhZc

  • "OUR DIALOGUE * Kaliki Avtar"Islamic Voice। নভেম্বর ১৯৯৭। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

  • "Muhammad in Hindu scriptures"Milli Gazette। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১১-০৬



  • মশা

    মশা



    এই দিনে
    1 বছর আগে
    Pranab Kumar Kundu
    4 আগস্ট, 2019
    · সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে
    সবাই
    Daily Projonmo
    4 আগস্ট, 2019
    ·
    মানবেতিহাসে সবচেয়ে বেশি মানুষকে হত্যা করেছে মশা,৫ হাজার ২শ কোটি!
    মানবজাতির সবচেয়ে বড় শত্রু কে জানেন?-মশা। ইতিহাসের অধ্যাপক টিমোথি সি ওয়াইনগার্ড তাঁর নতুন বই 'মসকিউটো : এ হিউম্যান হিস্টোরি অফ আওয়ার ডেডলিয়েস্ট প্রিডেটর' বইতে এমনটাই বলেছেন।
    তিনি এ বইতে মশাকে 'এই গ্রহের মানুষের সবচেয়ে মারাত্মক শিকারী' বলে অভিহিত করেছেন। মঙ্গলবার এই বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
    ওয়াইনগার্ড লিখেছেন, 'মশা মানবেতিহাসে মৃত্যুর যেকোনো কারণের চেয়ে বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, মশা-আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন এমন মানুষের সংখ্যা এখনও বেঁচে থাকা সমস্ত মানুষের অর্ধেকের কাছাকাছি পৌঁছেছে।'
    অন্য কথায়, পৃথিবীতে ২০০০০০ বছরে মশা প্রায় ৫২ বিলিয়ন তথা ৫ হাজার ২শ কোটি মানুষকে হত্যা করেছে।
    গত বছর ৮৫০০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে মশার কারণে। অন্যদিকে হাঙ্গরের আক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।
    বিশ্বজুড়ে বর্তমানে ১১০ ট্রিলিয়ন মশা রয়েছে (অ্যান্টার্কটিকা, সিসিলি এবং কয়েকটি ফরাসী পলিনেশীয় দ্বীপপুঞ্জ ছাড়া ) এই পোকাটি (মশা) কারণে কমপক্ষে ১৫ টি মারাত্মক রোগের বাহক।
    এর মধ্যে সর্বাধিক মারাত্মক ম্যালেরিয়া এবং হলুদ জ্বরের বাহক 'টক্সিক টুইন' মশা। তবে মশারা 'ওয়েষ্ট নীল' ও জিকাসহ আরো কিছু পরজীবী প্রাণঘাতী ভাইরাসও সংক্রমণ করে।
    সম্ভবত ডিস্কোভার চ্যানেলের 'শার্ক সপ্তাহ'কে 'মশার সপ্তাহ' হিসেবে পুনরায় ব্র্যান্ড করার সময় এসেছে।
    আজ থেকে ১৯০ মিলিয়ন বছর আগেও মশাকে নিরীহ পোকা হিসেবে মনে করা হতো। এখনকার মতোই সে সময়ও মশারা ব্যাপক বিধ্বংসী ছিল।
    মশা ম্যালেরিয়াস সহ অনেক মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ঘটায়।
    রবার্টা পোনার 'হোয়াট বাগড দ্য ডাইনোসর' গ্রন্থে লিখেছেন, মশারা খাদ্য শৃঙ্খলে শীর্ষ শিকারি ছিল এবং তারা ডাইনোসরগুলোর চুড়ান্ত পরিণতিতে আজকের মতোই ভূমিকা রেখেছিল।
    ডাইনোসরদের বিলুপ্তির পরে মশারা কেবল টিকেই থাকে নি বরং এদের বিকাশও ঘটেছে।
    ওয়াইনগার্ড যুক্তি দেখিয়েছেন যে, মশারা মানবজাতির অগ্রগতিক বাধাগ্রস্ত করছে। ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তগুলিতে ভুতূড়ে অদেখা খেলোয়াড় হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে মশার।
    ওয়াইনগার্ড লিখেছেন, মশারা আলেকজান্ডারের পতন ঘটাতে সাহায্য করেছিল। তিনি সম্ভবত ম্যালেরিয়া রোগের কারণে মারা গিয়েছিলেন।
    তিনি লিখেন, বিশ্বের পূর্ব ও পশ্চিমকে একত্রিত করার আগেই আলেকজান্ডারের মৃত্যু হয়েছিল। এই মারাত্মক ম্যালেরিয়ার মশা যদি আলেকজান্ডারের জীবনকে শেষ না করত তবে দূর প্রাচ্য পর্যন্ত এগিয়ে যেত পারতেন। আর মানব সভ্যতার ইতিহাসও অনেকটাই পাল্টে যেত।
    চেঙ্গিস খান ও তার মঙ্গোলিয়ান সেনাবাহিনীর অগ্রযাত্রাও থেমে গিয়েছিল ম্যালেরিয়ার কারণে।
    তিনি লিখেছেন, মশা পশ্চিমকে পুরোপুরি ছাপিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছিল। মশা ম্যালেরিয়াল শক্তিকে ব্যবহার করে এবং মোঙ্গোলদের বিজয়ের লাগাম টেনে ধরেছিল। এ কারণে মোঙ্গোলদের ইউরোপ যাত্রা পথেই থেমে গিয়েছিল।
    এই মশা আমেরিকান বিপ্লব এবং গৃহযুদ্ধের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এটি ওয়াশিংটনের সেনাবাহিনীর পক্ষে ভারসাম্য বাড়িয়ে দিয়েছিল। কারণ ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্রিটিশরা আমেরিকানদের মতো 'দক্ষ' ছিল না। এ কারণে ব্রিটিশরা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারেনি।
    শুধু তাই নয় ভারতে ব্রিটিশ সেনাদের কাছে মশার বিতাড়নকারী কুইনাইন বেশি পরিমাণে প্রেরণ করা হয়েছিল।
    গৃহযুদ্ধের সময় সেনাদের যুদ্ধের চেয়ে ম্যালেরিয়ার কারণে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা পাঁচগুণ বেশি ছিল।
    এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে ইতালিতে জলের সাথে মারাত্মক মশার প্রজাতি, এনোফিলিস ল্যাব্রানচিয়া ছড়িয়ে দিতে জার্মান ম্যালেরিওলজিস্টরা নাৎসি কর্মকর্তাদের উপর চাপ প্রয়োগ করেছিলেন।
    ওয়াইনগার্ড বলছেন, মশা প্রাচীন সাম্রাজ্যের উত্থান এবং পতন উভয়ের ক্ষেত্রেই ভূমিকা রেখেছিল।
    সূত্র : দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট
    এই দিনে
    1 বছর আগে
    Pranab Kumar Kundu
    4 আগস্ট, 2019
    · সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে
    সবাই

    প্রণব কুমার কুণ্ডু
    প্রণব কুমার কুণ্ডু

    7 Truths To Lower Blood Pressure With Breathing Exercises (Holistic Doct...



    7 Truths To Lower Blood Pressure With Breathing Exercises (Holistic Doct...

    #Nankana Sahib Attack#Nankana Sahib Gurudwar#Nankana Sahib Pakistan



    শেয়ার করেছেন :- প্রণব কুমার কুণ্ডু
    প্রণব কুমার কুণ্ডু


    'পাকিস্তানে সব গুরুদ্বারকে মসজিদে পরিণত করা হবে,' নানকানা সাহিবে হামলার পরে স্লোগান পাকিস্তানে
    নানকানা সাহিব গুরুদ্বার


    • Share this:

    #অমৃতসর: পাকিস্তানে অবস্থিত নানকানা সাহিব গুরুদ্বারে হামলা করা হল৷ কয়েকশো মানুষ ওই গুরুদ্বারে হামলা চালিয়ে ঘোষণা করল, গুরুদ্বারকে মসজিদে পরিণত করা হবে৷ ঘটনায় উত্তাল গোটা দেশ৷ পাকিস্তানের এই ঘটনা নিয়ে চুপ পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ বরং তিনি ভারতের নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিজেপি-কে তুলোধনা করে ট্যুইটে ব্যস্ত৷ প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে অবস্থিতি নানকানা সাহিব শিখ ধর্মগুরু নানকের জন্ম হয়েছিল৷
    অকালিদলের বিধায়ক মনজিন্দর সিং সিরসার কথায়, 'নানকানা সাহিবে হামলার পরে খোলাখুলি ঘোষণা করা হয়েছে, পাকিস্তানের সব গুরুদ্বার মসজিদে পরিণত করা হবে৷ ইমরান খান চুপ৷ শিখ এই ধরনের ঘটনা মেনে নেবে না৷ এই ঘটনাই প্রমাণ করছে, পাকিস্তান একটি মুসলিম দেশ এবং তাদের কাছে সংখ্যালঘুদের কোনও মূল্য নেই৷ আমরা এর বদলা নেব৷ পাকিস্তান অবিলম্বে এই সব বন্ধ করুক৷'
    নানকানা সাহিব গুরদ্বারে হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংও৷ সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, শুক্রবার পাকিস্তানে কয়েকশো মানুষ নানকানা সাহিবে পাথর ছুড়তে থাকে৷ সেখানেই ঘোষণা করা হয়, পাকিস্তানের সব গুরুদ্বারকে মসজিদে পরিণত করা হবে৷ ঘটনায় শিরোমণি অকালিদল কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রকের কাছে পদক্ষেপের আবেদন করেছে৷
    মনজিন্দর সিং সিরসা একটি ভিডিও ট্যুইট করেছেন৷ প্রসঙ্গত, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে, তখনই নানকানা সাহিবের ঘটনায় উত্তাল দেশ৷ ভারতের নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় পাকিস্তানের সংসদে রেজোলিউশন প্রস্তাব আনা হয়েছে৷
    নানকানা সাহেবের গুরুদ্বারে হামলা চলল পাকিস্তানে। শতাধিক বিক্ষুব্ধ মুসলিম বাসিন্দারা গুরুদ্বারে পাথর ছোড়েন বলে অভিযোগ। অভিযোগ, জনতার নেতৃত্বে ছিলেন মোহাম্মদ হাসানের পরিবার। শুক্রবার বিকেলে বিক্ষুব্ধ মুসলমানরা পবিত্র গুরুদ্বার ঘেরাও করে বহু ভক্তকে ভিতরে আটকে রেখে। আন্দোলনকারীরা গুরুদ্বারটি ধ্বংস করে সেই জায়গায় মসজিদ তৈরির হুমকিও দেয়।
    নানকানা সাহিবে হামলার ঘটনার নিন্দা করেছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি৷ রাহুল ট্যুইটারে লিখেছেন, 'নানকানা সাহিবে হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়৷ ধর্মান্ধতা বিপজ্জনক৷ ধর্মান্ধতা প্রাচীন বিষ, যার কনও সীমান্ত নেই৷'


    First published: 05:59:34 PM Jan 04, 2020

    Rajiv Malhotra and Dr Oscar Pujol



    শেয়ার করেছেন :- প্রণব কুমার কুণ্ডু
    প্রণব কুমার কুণ্ডু

    This is a very deep conversation between Rajiv Malhotra & a highly accomplished European Sanskrit scholar who has spent most of his life in Sanskrit studies, starting with his bachelor’s, master’s and PhD degrees at Banaras Hindu University. Dr Oscar Pujol and Rajiv Malhotra argue whether certain Sanskrit words should be translated or left in their Sanskrt original even when used in another language. They also argue about Rajiv’s concept of digestion of Indian culture into Western frameworks, especially into Christianity. There are friendly disagreements that are intellectually profound. The discussion concludes on a potential area of collaboration with mutual interest.

    To watch other episodes from the World Hindu Congress, click here: http://bit.ly/WorldHinduCongressPlaylist

    To donate to Infinity Foundation’s projects including the continuation of such episodes and the research we do:

    इनफिनिटी फ़ौंडेशन की परियोजनाओं को अनुदान देने के लिए व इस प्रकार के एपिसोड और हमारे द्वारा किये जाने वाले शोध को जारी रखने के लिए: https://infinityfoundation.com/donate/



    বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেস থেকে অন্যান্য পর্ব দেখার জন্য, এখানে ক্লিক করুন: http://bit.ly/WorldHinduCongressPlaylist



    যোগবাশিষ্ঠ রামায়ণম্


    যোগবাশিষ্ঠ রামায়ণম্

    ( সংগৃহীত )





















    প্রণব কুমার কুণ্ডু



    যোগবাশিষ্ঠ রামায়ণম্


    যোগবাশিষ্ঠ রামায়ণম্ সূচনায় ছিল একটি সংস্কৃত ধর্মগ্রন্থ।
    গ্রন্থটিতে, যোগ সম্বন্ধে এবং আত্মজ্ঞান সম্বন্ধে, বলা হয়েছে।

    যোগবাশিষ্ঠ রামায়ণম্ গ্রন্থটি
    বৈরাগ্য প্রকরণ
    মুমুক্ষু প্রকরণ
    উৎপত্তি প্রকরণ
    স্থিতি প্রকরণ
    উপশম প্রকরণ
    নির্বাণ প্রকরণ
    এই ছয়টি প্রকরণে বিভক্ত।

    যোগবাশিষ্ঠ রামায়ণম্ গ্রন্থটিতে, পৌরাণিক মুনি ও সূর্যবংশের কুলগুরু. শ্রীবসিষ্ঠের মুখ দিয়ে, সূর্যবংশের অন্যতম মহান সন্তান, ত্রেতাযুগের অবতারগরিষ্ঠ, শ্রীরামচন্দ্রেকে, উপদেশ দান করা হয়েছে।

    আসলে, যোগবাশিষ্ঠ রামায়ণম্ গ্রন্থটিতে, একজন মহান কুলগুরুর দেওয়া,  তাঁর প্রিয় শিষ্যকে, যোগজ্ঞান ও আত্মজ্ঞান বিষয়ক উপদেশ।

    সম্ভবত, যোগবাশিষ্ঠ রামায়ণম্ গ্রন্থটি, সংস্কৃত রামায়ণের রচনাকার,  শ্রীবাল্মীকিরই রচনা !

    ( সংগৃহীত )।

    নটরাজ ও বিজ্ঞান

    • নটরাজ ও বিজ্ঞান

    • শেয়ার করেছেন :- প্রণব কুমার কুণ্ডু

    • প্রণব কুমার কুণ্ডু

    • প্রণব কুমার কুণ্ডু

    • নটরাজ ও বিজ্ঞান

    • নটরাজ ও বিজ্ঞান

    • স্বামী সোমেশ্বরানন্দজী মহারাজের পূর্ব বর্ণিত একটি পোস্ট 🙏🙏
      :::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::নটরাজ ও বিজ্ঞান 🙏
      আজ বিজ্ঞানের সবচেয়ে আকর্ষক গবেষণা চলছে God particle (ঈশ্বর-কণা) নিয়ে। এই নাম দিয়েছেন বিজ্ঞানীরাই। ফিজিকসে অবশ্য বলা হয় বোসন (সত্যেন বোসের পদবী থেকেই বোসন)। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আদি কণা যা থেকে সৃষ্টি। তারই খোঁজ চলছে।
      এই গবেষণার প্রধান কেন্দ্র সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে। অফিসিয়াল নাম CERN, ৭৯৩১ জন বিজ্ঞানী কাজ করছেন এখানে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিজিক্স ল্যাবরেটরি এই বিল্ডিংয়ের সামনে স্থাপিত হয়েছে শিবের নটরাজ মূর্তি। গত বছর শিবরাত্রিতে। বিজ্ঞান গবেষণায় ধর্মীয় মূর্তি কেন? ১৯৭৫ সালে বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ফ্রিটজফ কাপ্রা বলেছিলেন, ফিজিক্স অনুযায়ী শিবের নাচই অতিপরমাণবিক পদার্থের স্পন্দন। তিনি লেখেন: The dance of Shiva is the dancing universe, the ceaseless flow of energy going through an infinite variety of patterns that melt into one another.
      গবেষণা যতই এগিয়ে গেল বিজ্ঞানীরা এ কথার তাৎপর্য বুঝতে পারলেন। অনুভব করলেন যে এই ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টি-রহস্য লুকিয়ে আছে নটরাজ শিবের প্রতীকে। নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী শ্রডিঞ্জার ঘোষণা করেন, বিজ্ঞানীদের যে দ্বন্দ্ব দেখি পদার্থ ও চেতনা নিয়ে এর সমাধান লুকিয়ে আছে উপনিষদের প্রাচীন প্রজ্ঞায়।
      এগিয়ে এলেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীরা। বোহম, উইগনার, ওপেনহাইমার, জোসেফসন, সাগান, হুইলার, হেগ্লিস, বেলিজ প্রমুখ। তাদের বক্তব্য -- উপনিষদ কথিত চেতনাই শ্রেষ্ট উত্তর এ কম্পনশীল বিশ্বব্রহ্মান্ড ও ক্ষুদ্রতম কণার। ওপেনহৈমার লিখলেন: আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে (Physics) যা পাওয়া যাচ্ছে তা প্রাচীন হিন্দু প্রজ্ঞারই প্রতিফলন।
      আজ তাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফিজিক্স ল্যাবরেটরি, আধুনিক বিজ্ঞানের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কেন্দ্র CERN-এর সামনে বিজ্ঞানীরা স্থাপন করলেন নটরাজের মূর্তি।
      কিন্তু পাশ্চাত্য বিজ্ঞানীরা নটরাজ মুর্তিকে ব্যাখ্যা করছেন কিভাবে? তাদের ব্যাখ্যার সাথে হিন্দু শাস্ত্রের অপূর্ব মিল রয়েছে।
      নটরাজ শিবের এক হাতে আগুণ (ধ্বংস), অন্য হাতে ডমরূ (এর শব্দ অনাহত নাদ ॐ) সৃষ্টি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, energy কি তা কেউ জানেনা। বিমূর্ত, বস্তু-নিরপেক্ষ। এনার্জি (শক্তি) ছাড়া মহাবিশ্ব শুধুই অলীক কণিকা (particle) যাদের কোনো স্থায়ি অস্তিত্ব নেই। কোয়ান্টাম ফিল্ড থেকে এই কণাগুলি উঠছে, আবার মিশে যাচ্ছে। সৃষ্টি ও ধ্বংস (ডমরু ও আগুণ)।
      মৌল কণা কিন্তু সবকিছুর উত্স নয়। এর গভীরে অন্তর্নিহিত ক্ষেত্র রয়েছে। ঐ ক্ষেত্র থেকে সৃষ্টি হয়েছে মূল চারটি শক্তি। নটরাজের এক পা উপরে, অর্থাত্ মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ও অন্য তিন শক্তির উপরে। ঐ পা থেকেই মূল চার শক্তির উত্পত্তি। তাঁর আরেক পা নীচে, মানুষের উপর (ছবি দেখুন)। এর অর্থ, মূল শক্তিগুলি মানুষের কল্পনা, রহস্যময় অস্তিত্ব এগুলির। শিবের পায়ের নীচে ঐ মানুষের এক হাত সামনে অন্য হাত মাটিতে। অর্থাৎ জাগতিক দৃষ্টিতে এই শক্তিগুলি আছে মনে হলেও গভীর দৃষ্টিতে এ যেন আলোর ঝলকানি। রামধনুর মতো, আছে অথচ নেই
      তাহলে কি রয়েছে? বিজ্ঞানীরা বলছেন, আদি ক্ষেত্র (field) অব্যক্ত বা pre-space. কারণ সেখানে আকাশ নেই, সময় নেই। নটরাজ মূর্ত বা প্রকাশিত যখন নাচেন, কিন্তু ধ্যানস্থ অবস্থায় অব্যক্ত (তখন তিনি শিব)।
      নটরাজের জটা ছরিয়ে পড়েছে। এর অর্থ? ডেভিড বোহম ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে -- মহাবিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড অখণ্ড, প্রতিটি বস্তু একে অন্যের সাথে যুক্ত রয়েছে (implicate order)। [ছবিতে দেখুন]
      চতুর্ভুজ নটরাজের দুই হাত নিয়ে বলা হয়েছে। বাকি দুই হাত, একটি উপরে দেখচ্ছে অন্যটি নীচের দিকে, নৃত্যের ছন্দে। অর্থাৎ নীচ থেকে (জাগতিক দৃষ্টিতে) দেখলে মৃত্যু, উপর থেকে কিন্তু জন্ম। তুমি দেখছ মৃত্যু, ধ্বংস, কিন্তু আসলে এটা রূপ পরিবর্তন। শক্তির ক্ষয় নেই, সৃষ্টিও নয়, বিজ্ঞান বলে। নটরাজ এই সত্যকেই তুলে ধরছেন। মূল অব্যক্ত ক্ষেত্র (বিজ্ঞানের ভাষায় field) স্থির হয়েও নানা রূপ নিচ্ছে প্রতিক্ষণ।
      এভাবেই নটরাজকে ব্যাখ্যা করছেন বিজ্ঞানীরা। হিন্দুধর্মের মধ্যে প্রতীক রূপে খুঁজে পেয়েছেন আধুনিক বিজ্ঞানের গভীর সত্যকে।🙏🙏
      সংযোজন (Quantum Physics এ নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত বিজ্ঞানী Erwin Schroedinger বলেছেন, " Vedanta teaches that consciousness is singular, all happenings are played out in one universal consciousness and there is no multiplicity of selves.
      2, Broyan David ( Nobel Prize winner) , " The Vedanta and the Sankhya hold the key to the laws of mind & throught process which are co- related to the quantum field the operation and distribution of particles at atomic and Molecular levels.
      3, Werner Heisenberg, " After the conversation about Indian philosophy some of idea of Quantum physics that had seemed so crazy suddenly made much more sense.