বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১

, মহর্ষি চার্বাক

 , মহর্ষি চার্বাক

শেয়ার করেছেন :- প্রণব কুমার কুণ্ডূ







আমি বিশ্বাস করি, মহর্ষি চার্বাকের চেয়ে জ্ঞানী কোন ব্যক্তি ভারতবর্ষে জন্মগ্রহণ করেন নি। ভারতবাসী কেন মহর্ষি চার্বাক-কে গ্রহণ করতে পারে নি, সেটা ভারতবাসীর ব্যর্থতা। মহর্ষি চার্বাকের মতাদর্শ হয় মুছে ফেলা হয়েছে, নতুবা বিকৃতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। অজস্র নিন্দা-কুৎসার মধ্য দিয়ে মহর্ষি চার্বাকের যুগান্তকারী বস্তুবাদী- দর্শনের যে ক্ষুদ্রাংশ উপস্থাপিত হয়েছে, তার অমৃত-রস আস্বাদন করে আমি বিস্ময়াভূত হয়েছি এই কারণে যে, আড়াই কি তিন হাজার বছর আগেকার এই মহান ভারতীয় চিন্তাবিদের মানবিক দর্শন ― জগৎ বদলে দেওয়া আধুনিক ইউরোপীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের সমপর্যায়ের ছিল।

মহর্ষি চার্বাকের বাণী নামে প্রচলিত –
যাবজ্জীবেৎ সুখং জীবেদ্ ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ।
ভস্মীভূতস্য দেহস্য পুনরাগমনং কুতঃ।।
অর্থাৎ, যতদিন বাঁচবে, ততদিন সুখে বাঁচবে। ঋণ করে হলেও ঘৃত পান করবে। ভস্মীভূত দেহের পুনরাগমন কোনভাবেই সম্ভব নয়।
ত্যাজ্যং সুখং বিষয়জন্ম পুংসাং
দুঃখোপসৃষ্টমিতি মুর্খবিচারণৈষা।
ব্রীহীন্ জিহাসতি সিতোত্তমতণ্ডুলাঢ্যান্
কো নাম ভোস্তুষকণোপহিতান্ হিতার্থী।।
অর্থাৎ, পুরুষের বিষয়ভোগজন্য সুখ যেহেতু দুঃখ মিশ্রিত, সেহেতু তাকে পরিত্যাগ করতে হবে- এটা নেহাৎই মূর্খের বিচার। এমন হিতার্থী কে আছেন- যিনি তুষকণা-যুক্ত বলে পরিষ্কার উত্তম তণ্ডুলপূর্ণ ধান্য পরিত্যাগ করেন?
কৃত্তিবাস ওঝা
১৩/০১/২০২১খ্রিঃ
ছবিতে থাকতে পারে: লোকেরা বসে আছে
5
2টি কমেন্ট

সনাতন ধর্ম

 সনাতন ধর্ম


সনাতন ধর্ম স্থান-কাল-পাত্রের সীমাবদ্ধতার বিপরীতে পুরো বিশ্বের সকল মানুষের জন্য প্রবর্তিত।

একমাত্র সনাতন ধর্মই কোনো আচার বিচারের বাঁধাধরা গণ্ডিতে মানুষকে না বেঁধে সবাইকে আদর্শ এবং মহৎ মানুষ হওয়ার উপদেশ প্রদান করে।

সনাতন ধর্ম কখনও বলে না "হিন্দু হও", সনাতন ধর্ম বলে "মানুষ হও", সনাতন ধর্ম বলে "পুরো বিশ্বকে মহৎ করে গড়ে তোল"।

Subrata Arya, Facebook.


শেয়ার করেছেন :- প্রণব কুমার কুণ্ডূ


Kunal Ghosh again demands the arrest of Cm Mamata Banerjee

মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২১

জানবার কথা ৬

 

জানবার কথা ৬


শেয়ার করেছেন : প্রণব কুমার কুণ্ডূ







✍️Samriddhi
প্রশ্ন:-- 370 ধারা কেন করা হয়েছিল ? ভারতবর্ষকে কয়টি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছিল?কেন ?
উত্তর :-- ভারতবর্ষকে 3টি ভাগে ভাগ বিভক্ত করা হয়েছিল।
1) ভারত 2) পাকিস্তান 3) কাশ্মীর।
============================
মতিলাল নেহেরুর 5টি স্ত্রী।
1) স্বরূপরানী।
2)থুসু রহমান বাই।
3)মঞ্জুরী দেবী।
4)এক ইরানী মহিলা।
5)এক কাশ্মীরী মহিলা।
( *** 1নং-- স্বরূপরানী ও 3নং মঞ্জুরীদেবীকে নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।)
👉2নং স্ত্রী থুসু রানীবাই-এর প্রথম স্বামী ছিল মোবারক আলী। (মতিলালের কর্মসংস্থানের মালিক ছিল মোবারক আলী।)
মোবারক আকস্মিক মারা যাওয়ায় মতিলাল থুসু রহমান বাইকে বিয়ে করে পরোক্ষ ভাবে সমস্থ সম্পত্তির মালিক হয় ।
**থুসু রহমান বাই-এর 2টি সন্তান ছিল 1) সাহিদ হোসেন।
2) জহরলাল (মতিলাল 2সন্তান সহ Addopt করেছিল)
প্রসঙ্গত উল্লেখ্যো:---
----------------------
জহরলালের মাতা থুসু রহমান বাই কিন্তু নিজ পিতা মোবারক আলী।
মতিলাল নেহেরু ছিল পালিত পিতা।
👉4নং স্ত্রী একজন ইরানী মহিলা। যার একটি পুত্র মহম্মদ আলী জিন্না।
👉5 নং স্ত্রী ছিলেন একজন কাশ্মীরী মহিলা। যিনি ছিলেন মতিলাল নেহেরুর বাড়ির চাকরানী( Maid servant). ওনার পুত্রের নাম সেখ আব্দুল্লা।( যিনি কাশ্মীরের Chief Minister হয়ে ছিলেন )
👉👉👉👉অর্থাৎ নেহেরু,জিন্না ও আব্দুল্লা পরস্পর ভাই।
👉👉ভারত ভাগ হওয়ার সময় 3 ভাই-এ বিরোধ বাঁধলে
1) জওহরকে ভারত।
2) জিন্নাকে পাকিস্তান।
3) সেখ আব্দুল্লাকে কাশ্মীর দেওয়া হয়(যেহেতু maid servant এর পুত্র),
Protection স্বরূপ দেওয়া হয় 370 ধারা, যাতে কাশ্মীর ভারতের হয়েও ভারতের না হয়।
প্রশ্ন হল:--
======
ভারতকে 3 ভাগে ভাগ করে 70 বছর ধরে ভারতবাসীকে নানা ভাবে টুপি পরিয়ে রাখা হলো কেন? কি কারণে?
সূত্র:- Biography of Immathaiser.
Writer:-Adina Ramakrishna.
Bengali transfer by P.G.
আপনি এবং আরও 2 জন
1টি কমেন্ট
লাইক করুন
কমেন্ট করুন
শেয়ার করুন
কমেন্ট
  • শাবাশ ! কমলকান্তি নন্দি ! শাবাশ !