মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০
কাশ্মীরে হত্যাযজ্ঞের ইতিহাস ভারতবাসী ভুলে যায়নি।।
কাশ্মীরে হত্যাযজ্ঞের ইতিহাস ভারতবাসী ভুলে যায়নি।।
কাশ্মীরে হত্যাযজ্ঞের ইতিহাস ভারতবাসী ভুলে যায়নি।।
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
সিন্দু নদের অববাহিকায় অবস্থিত কাশ্মীর থেকেই হিন্দু ধর্মের উৎপত্তি হয়েছিল।সিন্দু থেকে হিন্দু জনগোষ্ঠী যার উত্তরসূরী আজকের হিন্দুস্তান বা ভারতবর্ষ।সে সময় সিন্দু অববাহিকায় বসবাসরত বিশাল জনগোষ্ঠীকে বলা হত হিন্দু।অবশ্য হিন্দু বলতে তখন ধর্মকে বুঝাত না।কাশ্মীরের মূল অধিবাসী ছিল কাশ্মীরী পন্ডিতরা।যাদের মনে করা হত ঋষি কাশ্যপের উত্তরসূরী।মহাভারতে কাশ্মীরের উল্লেখ রয়েছে।সম্রাট অশোক খৃঃপৃঃ তৃতীয় শতাব্দীতে কাশ্মীরে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার করেছিলেন।
১৩৪৬ সাল পর্যন্ত কাশ্মীর ছিল হিন্দু বৌদ্ধ নৃপতিদের শাসনাধীন।
কাশ্মীরকে বলা হত সভ্যতার লীলাভূমি। হাজার বছরের ইতিহাসের সাক্ষী এই সিন্দু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।কিন্তু একটি ধর্মের অমোঘ নির্দেশে কাশ্মীর এখন পৃথিবীর অন্যতম নৃশংসতম জনপদে পরিনত হয়েছে।ইসলাম ধর্মশাস্ত্রের নির্দেশ মতো মুসলিম মাত্রেই পৃথিবী দুই বিপরীদ শিবিরে বিভক্ত।দার-অল-ইসলাম ও দার-উল-হারব।দার-অল-ইসলামের অর্থ হল ইসলামের দেশ অর্থাৎ যে দেশ ইসলাম ধর্মাবলম্বী শাসক কর্তৃক শাসিত হবে।দার-অল-হারবের অর্থ হলো যুদ্ধের দেশ, যে দেশে যুদ্ধ করিয়া ইসলামের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।ইসলামের বিধান অনুসারে কোন মুসলমান অ-মুসলমানের অধীনে থাকতে পারেনা।অবিশ্বাসী(অমুসলিম)মাত্রকেই ইসলামে ধর্মান্তরিত করিতে হবে।পরিসংখ্যান বলছে ইসলামী জেহাদে এপর্যন্ত সারা পৃথিবীতে প্রায় ৩৫কোটি মানুষ নিহত হয়েছে এরমধ্যে হিন্দুর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশী।অনেক উদার মুসলমান হয়তো জেহাদি হত্যাকে সমর্থন করেন না কিন্ত তারাও ইসলামের প্রতি জেহাদিদের অঙ্গীকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রায় ১৩০০বছর ধরে হিন্দুস্তান ইসলামের পৈশাচিক নৃশংস তান্ডবে বিধ্বস্ত।কিন্তু এ পর্যন্ত কোন মুসলমান অতীত বা বর্তমান অমুসলিম হত্যার নিন্দা করেনি।কারণ মুসলমানের পক্ষে জেহাদ ও জেহাদিদের নিন্দা করা অসম্ভব এতে আল্লাহর বিধানকে নিন্দা করা হয়।
কাশ্মীরে মুসলিম শাসনের ইতিহাসে সিকান্দারের শাসনকাল ছিল ব্যতিক্রমী।কিন্তু পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ থেকে মনে হয় হিন্দু বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরে মুসলিম সংখ্যাল্পতাই এই ব্যতিক্রমের কারণ।সিকান্দারের রাজত্বেই প্রথম ভারতের অন্যান্য মুসলিম রাজ্য থেকে দলেদলে মুসলিম কাশ্মীরে বসতি স্থাপন করতে শুরু করে।যেখানে মুসলমান সেখানেই জেহাদ।ইসলামের এই নির্দেশের প্রথম লক্ষ ছিল মূর্তি ভাঙ্গার মহোৎসব।এমন কোন নগর শহর বন্দর গ্রাম বা অরন্য ছিল না যেখানে হিন্দু দেবালয় ধ্বংস করা হয়নি।তখন সুলতান এক আদেশে মুসলমান ব্যতীত অন্য সকল ধর্মাবলম্বীদের কাশ্মীরে বসবাস নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল।নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল কপালে তিলক কাটা।অনেক ব্রাহ্মণ স্বদেশ ও স্বধর্ম ত্যাগ করা অপেক্ষা বিষ পানে মৃত্যুবরণ করেছেন।অনেকে দেশত্যাগ করেন অনেকে বাধ্য হয়ে ধর্মান্তরিত হন।এইভাবে কাশ্মীর ব্রাহ্মণশূন্য হলে সিকান্দার সকল দেবমন্দির ভেঙে ফেলার অনুমতি দেন।
সুখাভট্ট নামে একজন ধর্মান্তরিত মুসলিম ছিল হিন্দু পীড়ন ও নির্যাতনের প্রধান।সুখাভট্টের নিষ্ঠুর নিপীড়নে অনেকে দুর্গম পথে দেশত্যাগ কেউ বিষ পানে - কেউ জলে ডুবে -- গলায় দড়ি দিয়ে- অগ্নিকুন্ডে প্রান বিসর্জন দিয়েছে।ইতিহাসে সুখাভট্টের একটি স্বীকারোক্তি রয়েছে,তিনি বলেছেন ইসলাম ধর্মের প্রতি প্রগাঢ় শ্রদ্ধা বশতই তিনি সব কিছু করেছেন,ব্রাহ্মণদের প্রতি বিদ্বেষপরায়ন হয়ে নয়।
ধর্মান্তরিতদের একটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থাকে।ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার পর তাদের হিতাহিত জ্ঞান থাকে না।কিভাবে এবং কত তাড়াতাড়ি নিজেকে একজন ধর্মানুরাগী প্রমান করা যায়। ঠিক সুখাভট্টের ন্যায় কাশ্মীরে নব্বইয়ের দশকে এমন একজন ধর্মান্তরিত মুসলিমের উদয় হয়েছিল যিনি হিন্দু হত্যা ও নিপীড়নে সুখাভট্টের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।তিনি হলেন শেখ আবদুল্লা।শেখ আবদুল্লার পরিবার এক সময় হিন্দু পন্ডিত ছিলেন।পরবর্তীতে মুসলিম হন।বর্তমান কালের বেশির ভাগ কাশ্মীরী মুসলমান ধর্মান্তরিত কাশ্মীরী পন্ডিত।
হরি সিংয়ের রাজত্বের পর কাশ্মীরে যে কয়জন হিন্দু পন্ডিত অবশিষ্ট ছিলেন তাদের এই শেখ আবদুল্লার শাসনামলেই হত্যা গুম নির্যাতন ও নিপীড়নের স্বীকার হয়ে কাশ্মীর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল।প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারী করে হিজবুল মুজাহিদীন বলেছিল সমস্ত হিন্দুদের কাশ্মীর ছাড়তে হবে।এরপর থেকেই আওয়াজ উঠে পন্ডিতমুক্ত কাশ্মীর চাই।কি বীভৎস অত্যাচার যে পন্ডিতদের উপর নেমে এসেছিল যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।চোখ তুলে নেয়া,মেয়েদের ধর্ষন করা,যৌনাঙ্গ ছিন্নভিন্ন করা,সিগারেটের ছেকা দেয়া,শরীর পুড়িয়ে দেয়া,শরীরের বিভিন্ন অংশ টুকরো টুকরো করে কেটে উপত্যকা জুড়ে ছড়িয়ে দেয়া ইত্যাদি নির্যাতনের কথা ইতিহাস সাক্ষী। বিশিষ্ট কাশ্মীরী শিক্ষাবিদ সর্বানন্দ কাউল যে কপালে তিলক পড়তেন সে কপালে হাতুড়ি দিয়ে পেরেক ঠুকে হত্যা করা হয়েছিল।এমন সব নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে ছিল কাশ্মীর লিবারেশনের জঙ্গিরা।এক বছরের মধ্যেই কাশ্মীর পন্ডিত শূন্য হয়ে পড়েছিল।এ সব কিছুই ঘটেছে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের মাটিতে। দিল্লির ক্ষমতায় তখন জাতীয় কংগ্রেস।
এত সব নির্যাতনের কথা ভারতের সেকুলার নেতা,বুদ্ধিজীবীরা ভুলে গেলেও ভারতের আম জনতা ভুলে যায়নি।এত রক্ত দিয়ে যে জাতি উঠে দাড়িয়েছে তাদের পরাভূত করা এত সহজ হবে না।
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
মোদীজির মেল আইডি
মোদীজির মেল আইডি
মোদীজির মেল আইডি narendramodi1234@gmail.com, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের মেল আইডি connect@mygov.nic.in.
চিঠিও লিখতে পারেন নরেন্দ্র মোদীকে। তাঁকে
চিঠি লেখার ঠিকানা- Web Information Manager, South Block, Raisina Hill,
New Delhi -110011, ল্যান্ড ফোন নম্বর – +91-11-23012312, ফ্যাক্স করতে
পারেন এই নম্বরে +91-11-23019545 , 23016857.
এছাড়া যদি 7, Race Course Road, New Delhi
এই ঠিকানায় চিঠি লেখেন আর চিঠিটি “Honourable Prime minister of India”
-কে অ্যাড্রেস করেন তাহলে সে চিঠি সরাসরি পৌঁছে যাবে নরেন্দ্র মোদীর কাছে।
এছাড়া http://www.mygov.in/home/61/discuss/ এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া http://www.mygov.in/home/61/discuss/ এই ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী।
লেবেলসমূহ:
গঙ্গারিডাই,
মোদীজির মেল আইডি
Evolution of Indian Mathematics
Evolution of Indian Mathematics
45.4K subscribers
Dr. M.D Srinivas talks about how evolution of Mathematics in India is different from Mathematics in Europe. He traces the history of Indian mathematics for last two thousand years and shows that how it evolves independently of European Mathematics. He claims that the way mathematics in India evolved teaches very different notions of fundamental of mathematics and its objective in India.
91 Comments
Add a public comment...
লেবেলসমূহ:
Evolution of Indian Mathematics
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০
মাছের ছবিসহ পরিচিতি
মাছের ছবিসহ পরিচিতি
সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২০
Fish of sundarban West Bengal সুন্দরবনের মাছ।
ভারতীয় সুন্দরবনে দুটি বাণিজ্যিক প্রজাতি সহ প্রায় ১৭২ প্রজাতির
মাছ, ২০ প্রজাতির চিংড়ি এবং ৪৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে। মাছ সম্পর্কে
বলতে গেলে সব থেকে বেশি ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
কারণ একিই মাছের বিভিন্ন স্থানীয় নাম রয়েছে।
ইংরেজি নাম- Long Whiskers Catfish, বৈজ্ঞানিক নাম - Mystus gulio , বর্গ --Siluriformes, পরিবার - Bagridae, গণ -Mystus.
ভাঙন
বাটা বৈজ্ঞানিক নাম: Labeo bata ইংরেজি নাম- bata Labeo, Cyprinidae
পরিবারের Labeo গণের একটি স্বাদুপানির মাছ। দেহের বিবরণ:-দেহ লম্বা, মাছের
পৃষ্ট দেশ অঙ্কীয়দেশের তুলনায় কিছুটা উত্তল। চোখ দুটি বড় আকৃতির।মুখ
অবতল, ঠোঁট পাতলা, নিচের ঠোঁট কিছুটা ঝালরযুক্ত।
বা চাকুল
বা শঙ্কর
মাছের অধিকাংশই সুন্দরবন উপকূল থেকে অমিল হয়ে যাচ্ছে।
বা পায়রা
যেমন:-
চিত্রা-কইক্কা-রামশোষ, এরাই আবার পর্যায়ক্রমে পায়রাতেলি-কাইকশেল-তপসে
ইত্যাদি নাম নিয়ে বসে আছে অন্য কোথাও। এছাড়াও একটি মাছের আকার অনুসারেও
নামের বদল হয়। যেমন:- ছোট ভেটকি পাতারি, মাঝারি ভেটকি ভেটকি আর বড় ভেটকি কে
কোরাল বলা হয়।
সুন্দরবনে পাওয়া যেতো দুই প্রকারের ইলিশ। যার মধ্যে চন্দনা ইলিশ বিরল হয়ে উঠেছে।
ইলিশ:-
মোট পাঁচটি প্রজাতি আছে ইলিশের। Ttenualosa ilisha (Indian River shad), চন্দনা ইলিশ-Tenualosa toli (Toli shad), Tenualosa reevesii (Reevesii shad),Tenualosa macrura (Shad) Tenualosa thibaudeaui (Laosian shad)। ভারত-বাংলাদেশ সহ মোট ১১টি দেশে ইলিশ মাছ পাওয়া যায়।
মোট পাঁচটি প্রজাতি আছে ইলিশের। Ttenualosa ilisha (Indian River shad), চন্দনা ইলিশ-Tenualosa toli (Toli shad), Tenualosa reevesii (Reevesii shad),Tenualosa macrura (Shad) Tenualosa thibaudeaui (Laosian shad)। ভারত-বাংলাদেশ সহ মোট ১১টি দেশে ইলিশ মাছ পাওয়া যায়।
ফেসা:-
চার
প্রকার ফেসার মধ্যে রামফেসা বিরল হচ্ছে।ফেঁসা মাছ বৈজ্ঞানিক নাম-
Setipinna phasa শ্রেণি -Actinopterygii, বর্গ - Clupeiformes, পরিবার -
Engraulidae, গণ - Setipinna
বাংলার
তথা সুন্দরবনের নদীখালে, এই মাছ দেখা যায়। প্রায় ৬-৭ ইঞ্চি লম্বা হয় এবং
সারা দেহ ছোটো'ছোটো আঁশে ঢাকা থাকে। দেহ অসংখ্য সরু-সরু কাঁটায় ভরা একটি
সুস্বাদু মাছ।
বৈরাগী মাছ:-
লাক্ষা মাছ:-
স্থানীয়
নাম লাক্ষা, লাক্কা, লাখ্খা, লাখুয়া। ইংরেজি নাম:- Indian threadfin,
Indian salmon, King threadfin, বৈজ্ঞানিক নাম:-Leptomelanosoma indicum,
বিবরণ Polynemidae গোত্রের প্রজাতিটি বঙ্গোপসাগরের উপকূলসহ মোহনা ও উপকূলীয়
নদীসমূহে পাওয়া যায়। এটি দামী ও বড় মাছ কিন্তু বর্তমানে ক্রমাগত আহরণের
ফলে প্রাচুর্যতা হ্রাস পাচ্ছে।
তপসে বা রামশোষ:-
চেউয়া:- পাঁচ প্রকার চেউয়া মাছের মধ্যে লাল চেউয়া বিপন্ন।
ডাকুর মাছ-মেনো- Mud skipper:-
এদের পাঁচটি প্রজাতি। প্রজাতি ভেদে ৯ থেকে ২২ সেন্টিমিটার লম্বা হয়।
মিলনের সময় পুরুষ মাছের গায়ের রঙ উজ্জ্বল হয়ে যায়।
এদের পাঁচটি প্রজাতি। প্রজাতি ভেদে ৯ থেকে ২২ সেন্টিমিটার লম্বা হয়।
মিলনের সময় পুরুষ মাছের গায়ের রঙ উজ্জ্বল হয়ে যায়।
ট্যাংরা জাতের গুলশা ট্যাংরা, নোনা ট্যাংরা কিছু পাওয়া গেলেও শিলং মাছ চোখে পড়ে না। কাজলী মাছ ও প্রায় বিলুপ্ত।
গুলশা ট্যাংরা-গুইল্লা টেংরা-লইট্টা টেংরা:-
বৈজ্ঞানিক নাম- Mystus cavasius
শিলং মাছ:-
কাজলী মাছ:-
নোনা ট্যাংরা:-
গেঙো ট্যাংরা বা কালো ট্যাংরা,ইংরেজি নাম- Long Whiskers Catfish, বৈজ্ঞানিক নাম - Mystus gulio , বর্গ --Siluriformes, পরিবার - Bagridae, গণ -Mystus.
অনন্য সুন্দর মাছ ভোলমাছ, কইভোল মাছ এখন বিলুপ্তপ্রায়। গনগইন্যা মাছ, রেখা মাছ, গুটি দাতিনা পাওয়া গেলেও লাল দাতিনা বিলুপ্ত।
কইভোল মাছ:-
গুটি দাতিনা:-
ইংরেজি নাম- Saddle grunt, বৈজ্ঞানিক নাম- Pomadasys maculatus.
গনগইন্যা-গনগনে:-
সাদা ও লাল দাতিনা:-
কাইক্ক
বা কাইকশেল মাছ মিষ্টি জলের মাছের থেকেও অনেক বড়। মেন মাছারের দুটো
প্রজাতিও বিলুপ্তপ্রায়। এছাড়া কান মাগুরের মধ্যে দাগি কান মাগুর
বিলুপ্তপ্রায়।
কান মাগুর:-
বা কাইন মাছ বা Catfish (Kain)
মেন মাছ:-
কাইক্কা বা কাইকশেল:-
কাইক্কা
আর্চার
ফিস বা তিরন্দাজ মাছ, জাভা মাছ, পায়রাতেলি বা চিত্রা মাছ, খরশুলা। এছাড়া
পারশের জাত ভাই, বাটা ভাঙন, ভাঙন, গুলবাটা, খরুল ভাঙন এখন পাওয়া যায় না
বললেই চলে।
Archer fish বা তীরন্দাজ মাছ বা লুচো মাছ:-
তীরন্দাজ
মাছের প্রায় ১০ প্রজাতির দেখা মেলে এর মধ্যে বেশিরভাগ প্রজাতি মিষ্টি জলে
বাস করে। এই মাছের তিন প্রজাতি মিষ্টি ও লবনাক্ত উভয় জলে বাস করে।
ম্যানগ্রোভ ও নদী মোহনা অঞ্চলে এদের দেখতে পাওয়া যায়। এই মাছ দৈর্ঘ্যে ১২
থেকে ১৮ সেমি হয়ে থাকে। আর্চার ফিশ জলজ উদ্ভিদে ঝিম্ মেরে বসে থাকা
পোকামাকড় শিকার করে খায়। এর খাদ্য সংগ্রহের কৌশলটা বেশ চমকপ্রদ।
ক্রিম-গোল্ড কালারের শরীর নিয়ে এরা চুপিসারে বসে থাকে শিকারকে ঘায়েল করার
লক্ষ্যে। কিভাবে ঘায়েল করে শিকারকে? হ্যাঁ, জলের ওপর ঝুলে থাকা গাছ-গাছড়া
কিংবা লতা-পাতায় বসে থাকা কীট-পতঙ্গকে ছুড়ে মারে তীর, জলের তীর! এদের
লক্ষ্য প্রায় অভ্রষ্ট। প্রায় চার ফুট দূর থেকেও এরা জল ছুড়ে শিকারকে নিচে
জলে ফেলে দেয়। হতভম্ব শিকার জলে নড়াচড়ার আগে তার লীলা সাঙ্গ হয় 'তীরন্দাজের
পেটে'। ১২০ সে. মি. দূর থেকেও জলের তীর ছুড়তে পারে তীরন্দাজ মাছ। তীরন্দাজ
মাছের মুখের উপরিভাগ লম্বা খাঁজ কাটা। মাছটি যখন শ্বাস-প্রশ্বাস থামিয়ে
দেয় তখন জল শ্বাস-প্রশ্বাসের ঘর থেকে মুখের মধ্যে চলে আসে। সঙ্গে সঙ্গে সে
জিভটি তুলে দেয়। ফলে মুখের খাঁজকাটা অংশটি টিউবের কাজ করে এবং ফোঁটা ফোঁটা
করে একই সারিতে জল বেরিয়ে ছুটে যায় শিকারের লক্ষ্যে।
জাভা মাছ বা কুইজ্জা পোয়া:-
ইংরেজি নাম- Cuja bola, Cuja croaker, বৈজ্ঞানিক নাম- Macrospinosa cuja বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় পাওয়া যায়।
খরশুলা বা ডোমরা মাছ বা তারাই মাছ বা কাঁউয়া মাছ ( রাইনোমিউজিল করসুলা ):-
সুন্দরবনের
নদী নালাতে, এই মাছের দেখা মেলে। নদীতে এরা ঝাঁকে ঝাঁকে ঘুরে বেড়ায়, তবে
কোনভাবে মানুষের উপস্থিতি টের পেলে সঙ্গে সঙ্গে জলে ডুব দেয়।
পারশে:-
ভাঙন:-
ভাঙন
বাটা বৈজ্ঞানিক নাম: Labeo bata ইংরেজি নাম- bata Labeo, Cyprinidae
পরিবারের Labeo গণের একটি স্বাদুপানির মাছ। দেহের বিবরণ:-দেহ লম্বা, মাছের
পৃষ্ট দেশ অঙ্কীয়দেশের তুলনায় কিছুটা উত্তল। চোখ দুটি বড় আকৃতির।মুখ
অবতল, ঠোঁট পাতলা, নিচের ঠোঁট কিছুটা ঝালরযুক্ত।
কামট-হাঙর বা সার্ক
চার ধরণের কামট পাওয়া যায় কিন্তু অবলুপ্তির পথে।
কুচে বা কামিলা জাতীর পাঁচটি প্রজাতিই বিলুপ্তপ্রায়।
নয় প্রজাতির শাঁকজ
বা শাপলা পাতাবা চাকুল
বা শঙ্কর
মাছের অধিকাংশই সুন্দরবন উপকূল থেকে অমিল হয়ে যাচ্ছে।
চিত্রা
বা পায়রা তেলিবা পায়রা
লেবেলসমূহ:
মাছের ছবিসহ পরিচিতি
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
















































11 Comments