বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

চৈতালি চৌধুরির পোস্ট


চৈতালি চৌধুরির পোস্ট

Chaitali Chowdhury is remembering the past.

মনটা কেমন হালকা লাগছে,/ মনে হচ্ছে জীবনে কোনো চিন্তা নেই ভাবনা নেই,/ মেঘলা আকাশে মাঝে মাঝে শরতের মেঘ উঁকি দিচ্ছে-/ আজ খুব ছাদে যেতে ইচ্ছে করছে! খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে মেঘের সাথে খেলতে ইচ্ছা করছে, - /সেই ছোটবেলার মতো! /মেঘ রোদ্দুর বৃষ্টি আর আকাশের সাথে আমিও লুকোচুরি খেলব/প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেবো,/ ছোটবেলার মতন চিৎকার করে বলব , 'বাপী টুটি' /কিন্তু তা যে হওয়ার নয়, বাপীও বুড়ো হয়ে গেছে আর আমিও বড়ো হয়ে গেছি!


মন্তব্য করুন

শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

পাথর ছোঁড়া


পাথর ছোঁড়া



পাথর ছোঁড়া
লাদাখে !
পাকিস্তানি বাহিনী
আর ভারতীয়  বাহিনীর
মধ্যে !

পাথর ছোঁড়া
ডোকলামে !
চীনা সৈন্য
আর ভারতীয় সৈন্যের
মধ্যে !

পাথর ছোঁড়া
কলকাতায় !
পুলিশ আর
জনসাধারণের
মধ্যে !

পাথর ছোঁড়া
মক্কায় !
হজে গিয়ে !
ওটা
net practice !

একতরফা ছোঁড়া !
ছোঁড়াছুঁড়ি নয় !
উল্টোদিক থেকে
পাল্টা পাথর ছোঁড়ার জন্য
কেউ থাকে না !

শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

হনুমান


হনুমান



হনুমান
সপ্ত চিরজীবির অন্যতম !
হনুমান নমঃ নমঃ !

হনুমান
ঋক
যজুঃ
ও সামবেদে
পণ্ডিত !
কথাটা একদম ঠিক !

তবে অথর্ব বেদ না জানাতে, ভেঙ্গে গিয়েছিল, হনুমানের দম্ভ !

হনুমান, ব্যাকরণে বিদ্বান !

বাজে কথা উনি বলতেন না !

হনুমান বাক্যরচনায় পটু !

হনুমান কথা বলতে পারতেন !

তবে হনুমান যে হনুমান, তা তিনি জানতেন !

বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

আমার নয় প্রকার পূজা


আমার নয় প্রকার পূজা



১। জল পূজা !
২। চন্দন পূজা !
৩। পুষ্প পূজা !
৪। ধূপ পূজা !
৫। প্রদীপ পূজা !
৬। ফল পূজা !
৭। অক্ষত পূজা !
৮। নৈবেদ্য পূজা !
৯। পূজার পূজা !

ধর্মভাবনা


ধর্মভাবনা

শ্রীগোপীনাথ কবিরাজের, ' বিশুদ্ধবাণী ', প্রথমখণ্ড-এর বক্তব্য অনুযায়ী.....



 সাধনের তত্ত্ব ও প্রক্রিয়া

 অজপা সাধনের তত্ত্ব ও প্রক্রিয়া সম্বন্ধে মহাজনগণ গুরুপরম্পরা অনুসৃত পদ্ধতির বশবর্তী হইয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ হইতে বিভিন্ন প্রকার বিবরণ প্রকাশিত করিয়াছেন। সাধকের যোগ্যতা ও অধিকারগত বৈশিষ্ট্য হইতে বিচার করিলে বুঝিতে পারা যায় যে ইহাদের প্রত্যেকের সার্থকতা আছে।

অজাপা কুণ্ডলিনী হইতে উদ্ভূত প্রাণধারিণী প্রাণবিদ্যারূপে যোগিসমাজে পরিচিত। শ্যেনপক্ষী যেমন ঊর্ধ্ব আকাশে উড্ডীন হইলেও গুণবদ্ধ থাকিলে নিম্নে পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয় তদ্রূপ প্রাণ ও অপানের ক্রিয়ার বশীভূত জীব ঊর্ধ্বদিকে ও অধোদিকে গতিলাভ করিয়া থাকে। কোন কোন আচার্য্য বলেন, ‘তৎ’ পদবাচ্য পরমাত্মা হংসবিদ্যার প্রথম অবয়ব ‘হ’কার দ্বারা বর্ণিত হন এবং ‘তং’ পদবাচ্য প্রত্যক চৈতন্য অথবা খেচরী বীজ দ্বিতীয় অবয়ব ‘সঃ’ কার দ্বারা দ্যোতিত হয়। প্রাণিমাত্রের হৃদয়ে যে অব্যাকৃত আকাশ আছে তাহাতে লিঙ্গ-শরীর বিদ্যমান রহিয়াছে। উহার প্রতি লোমভাবে হংসের গতি হইয়া থাকে। শাস্ত্রে আছে—‘সঃকারো ধ্যায়তে জন্তুর্হংকারো জায়তে ধ্রুবম্‌’। ‘সঃ’ অথবা জীব নিজের জীবত্ব পরিহার করিলে সোহং শব্দের লক্ষ্য প্রত্যক্‌ আত্মার সহিত অভিন্ন পরমাত্মা ভিন্ন অপর কিছু নহে। যে সাধক নিজের আত্মাকে ধ্যান করিয়া থাকে, তাহার পক্ষে ‘হ’-কারাত্মক পরমাত্মভাবের প্রাপ্তি সুলভ হয়। দ্বিতীয় মতে, হংস বলিতে প্রত্যক্‌ আত্মা অথবা ব্যষ্টি-তুরীয় বুঝিতে হইবে এবং পরমহংস শব্দে পরমাত্মা অথবা সমষ্টি-তুরীয়কে বুঝাইয়া থাকে। ব্যষ্টি-তুরীয় ও সমষ্টি-তুরীয় পরস্পর যুক্ত হইলে হংসযোগ নিষ্পন্ন হয়। ইহাই অজপার তত্ত্ব। তৃতীয় মতে, সাধকের প্রজ্ঞা ও সাধনশক্তির তারতম্য অনুসারে অজপা তত্ত্ব সম্বন্ধে বিভিন্ন প্রকার দৃষ্টি অঙ্গীকৃত হইয়া থাকে। মন্দপ্রজ্ঞ মধ্যপ্রজ্ঞ এবং উত্তমপ্রজ্ঞ সাধকের দৃষ্টি যে ভিন্ন তাহা অধোলিখিত বিবরণ হইতে স্পষ্টই বুঝিতে পারা যাইবে। যাহার জ্ঞানশক্তি উজ্জ্বল নহে, যে অতি সূক্ষ্মতত্ত্ব গ্রহণ করিতে পারে না, তাহার নাম মন্দপ্রজ্ঞ। এই প্রকার সাধক ‘হ’কার দ্বারা পুরুষ এবং ‘স’-কার দ্বারা প্রকৃতি এই দুইটি ধারণা করিয়া থাকে। সুতরাং তাহার দৃষ্টিতে হংসযোগ বলিতে পুরুষ ও প্রকৃতির যোগ বুঝায়। কিন্তু যাহার প্রজ্ঞা অপেক্ষাকৃত তীক্ষ্ণ, অর্থাৎ যে মধ্যপ্রজ্ঞ, তাহার দৃষ্টি অনুসারে ‘হ’কার অপানের সঞ্চার এবং ‘স’কার প্রাণের সঞ্চার বুঝাইয়া থাকে। মুখ্য প্রাণ যখন পরাঙ্খুখভাবে আবর্ত্তিত্ত হয় তখন তাহাকে প্রাণ না বলিয়া অপান বলা হয়। সুতরাং হংস বিদ্যার রহস্য মধ্যম সাধকের দৃষ্টি অনুসারে প্রাণ ও অপানের সংযোগ ভিন্ন অপর কিছু নহে। কিন্তু যে সাধক উত্তম প্রজ্ঞাসম্পন্ন তাহার দৃষ্টি আরও সূক্ষ্ম। সে প্রকৃতি পুরুষের সম্বন্ধ অথবা প্রাণ ও অপানের সম্বন্ধ পরিহার করিয়া আত্ম স্বরূপের দিকে লক্ষ্য করিয়া থাকে। এই সাধক অজপা মন্ত্রের পূর্ব্বভাগ ‘অহং’কে জীবাত্মার বাচক এবং উত্তরভাগ ‘সঃ’কে শক্তিবাচক বলিয়া ধারণা করিয়া থাকে।
অধিকার ভিন্ন বলিয়া অজপা জপের বিধানও ভিন্ন। নিম্নাধিকারী তালু, ওষ্ঠ প্রভৃতি দৈহিক উচ্চারণ-যন্ত্রের ব্যাপারের দ্বারা অজপা-জপ সম্পাদন করে। এই সকল সাধকের চিত্ত সম্পূর্ণভাবে সংস্কৃত বা শোধিত নহে। তাই ইহারা দেহগত ক্রিয়াকে আশ্রয় না করিয়া জপ সাধন করিতে পারে না। কিন্তু যাহারা মধ্যম অধিকারী তাহাদের চিত্তসংস্কার অধিক। এইজন্য তাহাদের পক্ষে অজপা জপ করিবার জন্য তালু প্রকৃতির কোন প্রকার ক্রিয়া আবশ্যক হয় না। তাহাদের অধিকার উচ্চ বলিয়া তাহাদের বিধানও ভিন্ন। 

শ্রীগোপীনাথ কবিরাজের ‘বিশুদ্ধবাণী’ (১ম খণ্ড) থেকে.....
 
 
 
' বর্তমান ', ১৭/০৮/২০১৭ থেকে সংগৃহীত !

মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৭

নাস্তিক


নাস্তিক



ফেসবুকের বন্ধু !

আপনার  profile-এ  আপনি লিখেছেন, " মানুষের ধর্ম মানবতা " !
বাকিটা আপনি দেখান নি, আমিও পড়তে পারি নি !

আপনি আপনার  profile-এ   লিখেছেন,
" BEWARE OF GOD " !
অর্থ, to be on one's guard !
সতর্ক হওয়া !
অর্থাৎ, ঈশ্বর থেকে সতর্ক হওয়া !

আপনি, নাস্তিক হলে, ঈশ্বর থেকে সতর্ক হ্ওয়ার প্রয়োজন লাগবে না !

মানুষের ধর্ম মানবতা !
মানবতায় যেহেতু ঈশ্বরের প্রয়োজন পড়ে না, তাই আপনি নাস্তিক্য ধর্মকেই মেনে নিয়েছেন !

মনে হচ্ছে, আপনি  bevue  করে ফেলেছেন !
হয়তো  Blunder    করে ফেলেছেন !
সম্ভবত ওটা বিষম ভুল !

ধর্ম


ধর্ম



ধর্ম।
 কেউ কাউকে বোঝাতে পারে না !
নানান দিক থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হয় !
তথ্য বিশ্লেষণ করে, নিজেকে বুঝে নিতে হয় !
আগে জানুন, ধর্ম কী !
আপনি যদি হিন্দু হন, চারিদিকে যা দেখছেন, তা কি ধর্ম ?
তথ্য বিশ্লেষণ করুন !
যদি মনে হয়, ধর্ম, তবে তা মেনে চলুন !