শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৬

বড়ো বড়ো পৌরাণিক ঋষিদের 'ঋষিত্ব' !




বড়ো বড়ো পৌরাণিক ঋষিদের 'ঋষিত্ব' !


ব্র্‌হ্মর্ষি।
ব্রহ্মন্ ( ব্রাহ্মণ ) অথচ ঋষি, কর্মধা। বি; পু। ব্রহ্মর্ষিরা  জাতিগতভাবে ব্রাহ্মণ ! তাঁদের সঙ্গে 'ব্রহ্ম'-এর কোন যোগসূত্র আলাদাভাবে  নেই ! শাস্ত্রে,  'ব্রহ্ম' এবং 'ব্রাহ্মণ' এক করা হয়েছে ! এটা ঠিক নয় ! ব্রহ্মর্ষি বসিষ্ঠ প্রমুখ !

দেবর্ষি।
যিনি দেব ও মন্ত্রদর্শন হেতু, ঋষিত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন ! যেমন, নারদ প্রমুখ।

মহর্ষি।
প্রধান মুনি। সপ্ত প্রকার পৌরাণিক ঋষিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ঋষি ! মহান যে ঋষি, কর্মধা। মহা + ঋষি। বি; পু। বেদব্যাস প্রমুখ।

পরমর্ষি।
শ্রেষ্ঠ ঋষি। ভেলাদি প্রমুখ। বেদব্যাসও পরমর্ষি  group-এ ( দলে ) পড়েন ! পরম যে ঋষি। কর্মধা। বি; পু।

কাণ্ডর্ষি।
বেদবিভাগের মীমাংসক ঋষি। যেমন,

কর্মকাণ্ডের বেদভাগের মীমাংসক, জৈমিনি।

ব্রহ্মকাণ্ডের বেদভাগের মীমাংসক, বেদব্যাস।

ভক্তিকাণ্ডের বেদভাগের মীমাংসক, শাণ্ডিল্য।

এঁরা সবাই, কাণ্ডের, অর্থাৎ বেদপরিচ্ছেদের ঋষি।
ষষ্টিতৎপুরুষ। বি; পু।
যেমন, জৈমিনি, বেদব্যাস, শাণ্ডিল্য, প্রভৃতি !

মীমাংসক। নিষ্পত্তিকারক। সনন্ত মান্ ( বিচার করা ) + ণক কর্তৃ। বিণ;। ( স্ত্রী- মীমাংসিকা। )
মিমাংসক। মীমাংসাশাস্ত্রজ্ঞ।


শ্রুতর্ষি।
শ্রুতপ্রধান ঋষি। সুশ্রুত প্রভৃতি ।


রাজর্ষি।
রাজা অথচ ঋষি।

যিনি রাজা  হয়েছেন, রাজা রয়েছেন, অথচ ঋষির মতন আচরণ করেন !

যিনি রাজকার্য সামলান, রাজত্বও করেন, অথচ সময় সুবিধা বুঝে, ঋষির মতন 'তত্ত্ব' আলোচনা করেন !

কেবল সাংসারিকতায় ব্যস্ত থাকেন না !

এঁনাকে বলা যায়, রাজশ্রেষ্ঠ !

ইনি রাজাও এবং ঋষিও
!
রাজর্ষি, জনক প্রভৃতি !

আমার এই আলোচনায় দেখা যাচ্ছে, মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস, বা ব্যাসদেব, 'মহর্ষি' হিসাবে, 'পরমর্ষি' হিসাবে, এবং, 'কাণ্ডর্ষি' হিসাবেও, তিন জায়গায় নিজের জায়গা করে নিয়েছেন !

'মহর্ষি' হিসাবে, বেদব্যাস প্রধান  মুনি।   তিনি সপ্ত প্রকার পৌরাণিক ঋষিদের মধ্যে, শ্রেষ্ঠ ঋষি !

'বেদব্যাস', 'পরমর্ষি' হিসাবেও শ্রেষ্ঠ ঋষি।

'কাণ্ডর্ষি' হিসাবেও', বেদব্যাস,  'ব্র্‌হ্মকাণ্ডের বেদভাগের মীমাংসক' !

বেদব্যাস, বেদের বিভাগকর্তা ব্যাসমুনি,  যিনি পরাশর ও সত্যবতীর পুত্র।



বেদব্যাস/কৃষ্ণদ্বৈপায়ন।

উনি মহামনীষী ছিলেন !

উনিই সর্বপ্রথম, বেদের সংগ্র্হ ও বিভাগ করেন বলে তিনি 'বেদব্যাস'।

একটি দ্বীপে তাঁর জন্ম বলে, তিনি,  দ্বৈপায়ন।

তিনি কৃষ্ণবর্ণের ছিলেন বলে, তাঁর নাম কৃষ্ণদ্বৈপায়ন।

মূলত তখনকার মুনিদের মধ্যে, বেদব্যাস একজন সুপ্রসিদ্ধ ও অসাধারণ ঋষি ছিলেন !


শুদ্ধ বিশুদ্ধ থাকা ধর্ম সম্প্রদায়ের মহান গুরুদেবের ফরমান !




শুদ্ধ বিশুদ্ধ থাকা ধর্ম সম্প্রদায়ের মহান গুরুদেবের ফরমান !


গুরুদেব শিষ্যকে কহিলেন, "বুঝেছ উপেন,"

"মিথ্যা কথা বলিবে না" !

"চুরি করিবে না" !

"নিজের বৌ-এর সঙ্গও অধিক করিবে না" !

"সম্প্রদায়ের সমস্ত স্ত্রী-লোকদের ভগিনী বলিয়া জ্ঞান করিবে" !



কিছুদিন বাদে সম্প্রদায়ের সমস্ত ভগিনীরা সম্প্রদায় ছেড়ে পালিয়ে চলে গেল !


বুঝলো ওখানে তাদের কিছুই হ্ওয়ার নেই !


কিছু পাওয়ারও নেই !


তখন সম্প্রদায়ের বাইরে এবং ভেতরে, ছিছিক্কার পড়ে গেল !


সম্প্রদায় ভেঙ্গে গেল !

বড়ো বড়ো পৌরাণিক ঋষিরা সব সাত ধরণের !




বড়ো বড়ো পৌরাণিক ঋষিরা সব সাত ধরণের !


বড়ো বড়ো পৌরাণিক ঋষিরা সব সাত ধরণের !

তাঁরা

'ব্রহ্মর্ষি'  বসিষ্ট প্রমুখ।
'দেবর্ষি'  নারদ প্রমুখ।
'মহর্ষি'  ব্যাস প্রমুখ।
'পরমর্ষি'  ভেলাদি প্রমুখ।
'কাণ্ডর্ষি  জৈমিনি প্রভৃতি।
'শ্রুতর্ষি'  সুশ্রুত প্রভৃতি।
'রাজর্ষি'  জনক প্রভৃতি।

শিক্ষানবীশ ঋষিরা, যাঁরা ঋষিতুল্য, তাঁদের সাধারণ ঋষিদের কাছাকাছি মূল্য !

শিক্ষানবীশ ঋষিরা, যাঁরা ঋষি প্রায়, তাদের মধ্যে সবায় হয়তো একদিন সাধারণ ঋষি হবেন, এমনটাই দেখা যায় !

শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

মোদিজি মশাই !




মোদিজি মশাই !


মোদিজি !
দু হাজার টাকার নোট পেলাম ! কে দু হাজার টাকার নোটের ভাঙ্গানি দেবে ?

মোদিজি !
দৈনন্দিন বাজার করব  কি ভাবে ? কে দু হাজার টাকার নোটের ভাঙ্গানি দেবে ?

মোদিজি !
মুদিখানার কেনাকাটাও বা কি করে করব  ? কে দু হাজার টাকার নোটের ভাঙ্গানি দেবে ?

মোদিজি !
দু হাজার টাকার নোটের ভাঙ্গানি পা্ওয়ার অভাবে, দু হাজার টাকার নোটের ভাঙ্গানি দেবার জন্য,  একপ্রস্থ নতুন ব্যাঙ্ক খুলুন ! গৃহস্থ বাঁচুক !

মোদিজি !
নাকি আপনি চাইছেন, গৃ্হস্থ কাঁদুক ?

বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬

দু হাজার টাকার নোট





দু হাজার টাকার নোট


দু হাজার টাকার নোট, কি গরীব, কি মধ্যবিত্ত, কি উচ্চবিত্ত, এদের কারোর, দৈনন্দিন বাজার খরচে, কাজে আসবে না !

ওটার ভাঙ্গানি পাওয়া যাবে না !

পাঁচশো টাকার বা হাজার টাকার নোটের মতো, ঘরে তুলে রাখতে হবে !

ও টাকা আবার 'ব্যান' ( ban ) করতে হবে !

দু হাজার টাকার নোট বাজারজাত করা, কি ফাজলামি ? না খচরামি ? না নিমকহারামি ? না নিমকহালালি ?

বুঝতে পারছি না !

আমার গদ্যরচনায় দেশের নাম


আমার গদ্যরচনায় দেশের নাম

দেশ অনুসারে পৃষ্ঠাদর্শন

ব্লগ দর্শকদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দেশের গ্রাফ
প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
ভারত
892
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
473
জার্মানি
61
পোল্যান্ড
16
আয়ারল্যান্ড
8
নেদারল্যান্ডস
8
ফিলিপাইন
4
ডেনমার্ক
2
ব্রাজিল
1

ব্রাউজার অনুসারে পৃষ্ঠাদর্শন

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
Firefox
823 (51%)
Chrome
545 (34%)
Internet Explorer
108 (6%)
Safari
60 (3%)
SamsungBrowser
29 (1%)
UCBrowser
21 (1%)
Opera
1 (<1%)
চিত্র সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার প্রদর্শন করছে

অপারেটিং সিস্টেম অনুসারে পৃষ্ঠাদর্শন

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
Windows
998 (62%)
Macintosh
261 (16%)
Linux
209 (13%)
Android
108 (6%)
iPhone
8 (<1%)
Unix
3 (<1%)
compatible
1 (<1%)
চিত্র সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম প্রদর্শন করছে

বিন্দুজ নাদজ




বিন্দুজ  নাদজ


পৃথিবীতে দুই ধরণের 'প্রজা' আছে ! প্রজা, এখানে, মনুষ্য ! অর্থাৎ, মানুষ !
এক ধরণের প্রজা, স্ত্রী-পুরুষের সংযোগ-সম্পর্কে, যাদের জন্ম !

শাস্ত্রে, এদের বলা হয় 'বিন্দুজ' ! কেননা,শাস্ত্রে, 'শুক্র'কে বলা হয়, 'বিন্দু' ! বিন্দু অর্থে ফোঁটা। যেমন, বীর্য বিন্দু ! সেই 'বিন্দু' থেকে জন্ম বলে, 'বিন্দুজ' ! 'জ', বিণ., সমাসের পরপদে থাকলে, অর্থ,   জাত, উৎপন্ন,  যেমন,  জলজ, পঙ্কজ, সরোজ, ইত্যাদি ! এখানে, সেই হিসাবে, মানুষ 'বিন্দুজ' !

আমাদের দুই' ভ্রূ'-এর মধ্যে 'আজ্ঞাচক্র' থাকে। সেই আজ্ঞাচক্রকেও বলে বিন্দু ! ওখানে, আমার নামে নাম, প্রণবরূপ অন্তরাত্মার  অবস্থান ! প্রণববিন্দু হেতু, ভ্রুমধ্য, বিন্দু !

বিন্দু, রূপক অর্থে, প্রকৃতি। আবার বিন্দু, বীজবিশেষ-ও !

নায়িকার ওষ্ঠে, নায়কের কৃত, দন্তক্ষত-ও বিন্দু !

বিন্দুপাতে সন্তানের জন্ম !

বীর্যবিন্দুর একটি শুক্রাণু , যেহেতু ডিম্বাণুকে ভেদ করে, তাই বিন্দু বেদনশীল এবং সেই শুক্রাণু বেদনশীলতার-ও জ্ঞাতা !

শুক্রাণু, প্রাণশক্তি সম্পন্ন !

বেদন। বোধ। অনুভূতি।
বেদন। জ্ঞান। জ্ঞাপন।
বেদন। ব্যথা। বেদনা।


প্রজা আবার সৃষ্টি হয়, শব্দ অর্থৎ 'নাদ' থেকে ! নাদ, ধ্বনিবিশেষ !

এখানে, প্রজা বলতে মানুষ !

'প্রজাপতি' শব্দ থেকে, 'প্রজা' শব্দ এসেছে !

আমাদের দেশে এখন প্রজা, ভারতরাষ্ট্রের এবং প্রাদেশিক রাজ্যের, যেমন পশ্চিমবঙ্গের, লোকজন !

একসময়ে 'প্রজাপতিরা' ছিলেন,  মনুষ্যকুলের স্রষ্টা বা প্রধান পালক। যেমন 'বিধাতা' !

'প্রজাপতি নির্বন্ধ' কথাটা এখানে সাযুজ্যপূর্ণ ! নির্বন্ধ, অর্থাৎ, বিধান, নিয়ম, ব্যবস্থা। যেমন, 'বিধি নির্বন্ধ"। 'দৈবের নির্বন্ধ'। ইত্যাদি !

শুরুতে, বিধাতা ছাড়াও, ব্রহ্মা ছিলেন 'প্রজাপতি' !

এরপরে অন্য প্রজাপতিরা এসে গেলেন, যেমন

১। মরীচি
২। অত্রি
৩। নারদ
৪। অঙ্গিরা
৫। পুলস্ত্য
৬। পুলহ
৭। ক্রতু
৮।দক্ষ
৯। বশিষ্ঠ
১০। ভৃগু

এই দশ জন সকলেই ব্র্হ্মার 'মানস পুত্র' ছিলেন !

'নাদ' থেকেও, 'প্রজা' সৃষ্টি !

সেই প্রজাসৃষ্টি সংঘটিত হয়, 'দীক্ষা'  'মন্ত্র' 'উপদেশ' 'পরামর্শ' ইত্যাদির দ্বারা !

দীক্ষা।

দীক্ষা, ইষ্টমন্ত্রদান, ইষ্টমন্ত্র গ্রহণ, গুরুর কাছ থেকে প্রাপ্ত মন্ত্র বা উপদেস গ্রহণ। নিয়ম পালন। সংস্কার সাধন। ব্রত পালন। ইত্যাদি।

মন্ত্র।

মন্ত্র হচ্ছে, পবিত্র শব্দ বা শব্দ সমষ্টি বা পবিত্র বাক্য, বা বাক্য সমষ্টি, যা সঠিক ভাবে আন্তরিকতার সাথে স্পষ্ট উচ্চারণ করে, দেব-দেবীর পূজা করা হয় !

মন্ত্র উচ্চারণে, ত্রাণ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে ! ত্রাণ, বিপদ পাপ প্র্ভৃতি থেকে, উদ্ধার রক্ষা নিষ্কৃতি মুক্তি !

মন্ত্র সংস্কৃতে লেখা এবং মন্ত্র, বৈদিক সাহিত্যের অংশবিশেষ !

মন্ত্রতন্ত্র বলতে বোঝায়, বিবিধ মন্ত্র ও সেই অনুযায়ী বিভিন্ন প্রক্রিয়া !

মন্ত্র দ্বারা পবিত্রকৃত করা যায়, একে বলে মন্ত্রপুত করা !

মন্ত্রের আবার শক্তি বা জোর থাকে, একে বলে মন্ত্রশক্তি !

মন্ত্রদ্বারা আবার কাউকে বশীভূতও করা যায় !

মন্ত্রশিষ্য, কোন ব্যক্তি কর্তৃক দীক্ষিত শিষ্য !

অনেকে আবার মন্ত্রের সাহায্যে কর্মসাধনও করে থাকেন, তাঁরা মন্ত্রসাধক !

মন্ত্রের দ্বারা সিদ্ধিলাভের প্রয়াস করা যায়।

মন্ত্র জপ দ্বারা সিদ্ধিপ্রাপ্ত হলে, তাঁকে বলা হয়, মন্ত্রসিদ্ধ।


উপদেশ/পরামর্শ

উপদেশ হচ্ছে, পরামর্শ। সৎ পরামর্শ !

উপদেশ কখনও বা অনুশাসন !  কখনো শিক্ষা।

গুরু বা শিক্ষক বা কোন ভালো উপদেশক বা সেই ধরণের অন্য কেউ, উপদেষ্টা হতে পারেন !


পরামর্শ,

 পরামর্শ, সাধারণত, পরস্পর আলোচনা সাপেক্ষে, দিঙ্‌নির্ণয় করা বা করানো ! স্থির সিদ্ধান্তে পোঁছানো !

পরামর্শে, যুক্তি থাকে, মন্ত্রণাও থাকতে পারে। পরামর্শ অভিমতও। কখনো, 'বুদ্ধি' দেওয়া !


নিবৃত্তিপরায়ণ সাধু-মহাপুরুষরা, যাঁরা একসময়ে ছিলেন,
নিবৃত্তিপরায়ণ সাধু-মহাত্মারা, যাঁরা এখন আছেন,
এবং নিবৃত্তিপরায়ণ সাধু-সন্ন্যাসিরা যাঁরা আগামী ভবিষ্যতে হবেন,
তাঁরা, যাদের মন্ত্রদীক্ষা দেবেন, সেই দীক্ষিত সন্তানেরা, তাঁদের 'নাদজ প্রজা' !

যুক্তি-তর্কের খাতিরে, ধরে নিন, 'সপ্ত ঋষি', এবং 'চতুর্দশ মনু', বিবাহিত ছিলেন। তাঁদের থেকে জন্মপ্রাপ্ত সন্তানেরা, 'প্রাথমিক ভাবে' 'বিন্দুজ প্রজা' !

সেই সন্তানেরা যদি কোন 'গুরুদেব'-এর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন,  তবে তাঁরা, সেই গুরুদেব-এর 'নাদজ প্রজা' !

এখানে একটু পৌরাণিক গল্প বলে নিই !

চতুঃসন,
ভগবানের যে অবতারে, চারজন 'সন', অর্থাৎ, সনক, সনন্দন বা সনন্দ, সনাতন, সনৎকুমার ছিলেন, তাঁরা সবাই ছিলেন, 'কৌমার' ব্রতধারী ! এঁদের কাছ থেকে, যারা, 'নির্দেশনা', 'উপদেশ' ইত্যাদি পেয়েছিলেন, তারা সবাই ছিলেন ঐ 'চতুঃসন'-এর  'নাদজ প্রজা' !

বর্তমান যুগে, গুরু-শিষ্যের পরম্পরায়, শিষ্যরা, পুরনো ভাবধারায় 'প্রজা' !

এখন অনের ধর্মীয় সংগঠনও, সংগঠনের কোন কোন ব্যক্তিবিশেষের নামে, দাপিয়ে গুরুগিরি চালায় !
সংগঠনের আয়-উন্নতি তাতে ভালোই হয় ! তাদের শিষ্যরাও, সেই সংগঠনের  'নাদজ প্রজা' ! সেই 'প্রজারা' সংগঠনকে অর্থনৈতিকভাবে অনেক শক্তিশালী করে তোলে !