মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ

আমি জানিনা, তাই জানতে ইচ্ছা করে, 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ'-এর কতগুলি 'শাখা' পশ্চিমবঙ্গে আছে ?

নৈহাটিতে তো একটা আছে ! পশ্চিমবঙ্গের আর কোথায় কোথায় আছে ?

'মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্মোৎসব' পালনের যে আমন্ত্রণ লিপিটি করা হয়, তাতে, 'হরপ্রসাদ'-এর যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়, তা কিন্তু 'স্পষ্ট' নয় !

এখন ইনটারনেটের সৌজন্যে, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ভালো ছবি পাওয়া যায় !

তবে পরিবর্তন করছেন না কেন ?

এত 'গয়ংগচ্ছ' ভাব কেন ?

ভালো স্পষ্ট ছবি দেওয়ার জন্য আমার অনুরোধ রইল।

ঐ আমন্ত্রণ লিপিতে, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, নৈহাটি শাখার,  কোন ঠিকানা, ফোন নম্বর, মোবাইল নম্বর, ইমেল ঠিকানা দেওয়া হয় না কেন ?

নাকি ! 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ'-এর নৈহাটি শাখার কোন অফিস নাই !

বাড়িতে বাড়িতেই, 'শাখা অফিস' খুলে কাজ করা হচ্ছে !

জানি না,  সঠিক ব্যাপারটা কি ?

'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ', কবে 'পশ্চিমবঙ্গীয়' সাহিত্য পরিষৎ হবে ?

দেশ ভাগ সেই কবেই হয়ে গেছে !
এখনো, 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ', 'পশ্চিমবঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ' হতে পারল না ?

আপনাদের 'রেজিস্ট্রেশন', কতদিন 'রিনিউ' করা হয় নি ?
তখন নাম নিয়ে প্রশ্ন ওঠে নি ?

আপনাদের মূল অফিসের 'ই-মেল' ঠিকানাটা চাই।
জানাবেন ?

নাকি, আপনাদের কোন 'ই-মেল' ঠিকানা নাই !

'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ', কলকাতার মূলকেন্দ্রের, দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

নৈহাটিতে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্মোৎসব

নৈহাটিতে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী'র জন্মোৎসব পালিত হল, ৬ই ডিসেম্বর ২০১৬, মঙ্গলবার, সকাল ৯-১৫ মিনিট থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত, সেন্ট লুক্ ডে স্কুলে।

উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করলেন, শ্রী তাপস চট্টোপাধ্যায়।

মঙ্গলাচরণ করেন, শ্রী নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য।

বক্তব্য রাখেন, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর নৈহাটি শাখার সম্পাদক, শ্রী অচয়চরণ দে, ও, সভাপতি, শ্রী রতন কুমার নন্দী।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, ড. গৌতম রায়।

পৌরোহিত্য করেন, ড. সুচিত্রা ( রায় ) আচার্য। তিনি হরপ্রসাদের সৃষ্টিমূলক কাজের ওপর খুবই তথ্যপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তাঁর উপস্থাপনা সকলের প্রশংসা পায়।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত শ্রোতা-দর্শকদের মিষ্টিমুখ করানো হয়।

সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

পঞ্চমহাযজ্ঞ





পঞ্চমহাযজ্ঞ ।

এগুলো   ব্র্‌হ্মযজ্ঞ, পিতৃযজ্ঞ, দেবযজ্ঞ, ভূতযজ্ঞ, নৃযজ্ঞ।

১। ব্রহ্মযজ্ঞ।             বেদাধ্যয়ন। বেদ পাঠ। অপরাপর শাস্ত্রপাঠও ব্রহ্মযজ্ঞের মধ্যে পড়ে। শাস্ত্রপাঠ শোনাও, ব্রহ্মযজ্ঞ।
২ । পিতৃযজ্ঞ।            পিতৃপুরুষের তর্পন ইত্যাদি নিষ্ঠার সঙ্গে করা।
৩ । দেবযজ্ঞ।            হোমক্রিয়া। হোমক্রিয়ায় হোম করার উপকরণ লাগে। চেলা কাঠ লাগে। একটু অন্তত চন্দন                                      কাঠ লাগে। ফুল বেলপাতা লাগে। গাওয়া ঘি , ফল ইত্যাদি পূজার উপকরণ লাগে ! হুতদ্রব্য                                       লাগে হুতাগ্নি প্রজ্বলিত হয়। হুতদ্রব্য হোমাগ্নিতে অর্পিত হয়।পুরুত মহাশয় লাগে ।

                                দেবতারা আগুন জ্বালিয়ে খেলতে ভালোবাসেন !
                                যেমন, নেড়া-পোড়া !
                                যেটা দোলের আগের দিন অনুষ্ঠিত আগুনের উৎসব। চাঁচর।

                                যেমন, bonfire !
                                সবাই মিলে আনন্দ উৎসব উপলক্ষ্যে, উন্মুক্ত স্থানে, প্রজ্বালিত অগ্নিকুণ্ড। বহ্ন্যৎসব !
                                তাছাড়া হাবজিজাবজি জিনিষ পুড়িয়ে নষ্ট করা !

                                 দেবতাদের ব্যাপারে অাজকাল শব্দবাজি ফাটানো হয়। আলোরবাজি পোড়ানো হয়।
                               
 ৪ । ভূতযজ্ঞ।            মনুষ্যেতর জীবের তৃল্তি বিধান। যেমন কুকুর বেড়াল পাখি গরু ছাগল ইত্যাদিদের খাওয়ানো।
                                 তাদের যত্ন নেওয়া।
৫ । নৃযজ্ঞ।                অতিথি পূজা। সেটা অতিথি সেবা। প্রয়োজনে অতিথিদের যত্ন নেওয়াও !


পঞ্চমহাযজ্ঞ কিন্তু ঈশ্বর পরমেশ্বর এঁদের জন্য নয় ! তবে 'দেবযজ্ঞ' দেবতাদের জন্য ! দেবতারা অগ্নির মাধ্যমে 'আহার' গ্র্হণ করেন যে ! যজ্ঞ অর্থাৎ যজ্ঞের অগ্নি, দেবতাদের মুখ এবং জি্‌হ্বা। দেবতারা অ্গ্নিমুখে হুতদ্রব্য ভক্ষণ এবং অগ্নিজিহ্বায় যজ্ঞহবি আস্বাদন করেন !

পঞ্চমহাযজ্ঞ মূলত হিন্দু গৃহস্থদের কর্তব্য !

পিতৃযজ্ঞ  এবং দেবযজ্ঞ এর উদ্দেশ্য অলৌকিক !

ব্রহ্মযজ্ঞ ভূতযজ্ঞ এবং নৃযজ্ঞ এর উদ্দেশ্য লৌকিক !

শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৬

আমার কবিতার ট্রাফিক উৎস পরিসংখ্যান

উল্লেখ URL                       আমার কবিতার ট্রাফিক উৎস পরিসংখ্যান

উল্লেখিত সাইটসমূহ

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
1431








1286








221








207








151








135








89








67








58








29








মূলশব্দগুলি অনুসন্ধান করুন

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
কবিতা
38








গ্রীষ্মের কবিতা
6








গ্রীষ্মের দুপুর কবিতা
3








দুপুর
3








দোলের কবিতা
3








গ্রীষ্মের দুপুর
2








দুপুর কবিতা
2








মানুষ কবিতা
2








স্বেচ্ছামৃত্যু কবিতা
2








অনুচ্ছেদ গ্রীষ্মের দুপুর
1

উল্লেখ URL

উল্লেখিত সাইটসমূহ

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
1431








1286








221








207








151








135








89








67








58








29








মূলশব্দগুলি অনুসন্ধান করুন

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
কবিতা
38








গ্রীষ্মের কবিতা
6








গ্রীষ্মের দুপুর কবিতা
3








দুপুর
3








দোলের কবিতা
3








গ্রীষ্মের দুপুর
2








দুপুর কবিতা
2








মানুষ কবিতা
2








স্বেচ্ছামৃত্যু কবিতা
2








অনুচ্ছেদ গ্রীষ্মের দুপুর
1

বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৬

একটা ছোট্ট গল্প

              রাত্রি নটার পর খাওয়াদাওয়ার শেষে বাবা খুকুকে  বললেন, " এখন পড়তে বস। শোওয়া চলবে না "।
খুকু শান্তশিষ্ট গোবেচারি ! চোখ ঘুমে ঢুলুঢুলু। পড়তে একটুও মন নেই ! বিছানায় একবার শুতে পারলেই হয়। একঘুমে রাত কাবার করে দেবে।

খুকুর যথেষ্ট আপত্তি ছিল পড়তে। কিন্তু বাবার কথা। শুনতেই হবে। তাই তাক থেকে ইংরেজি বইটা পেড়ে এনে মনে মনে পড়তে লাগল।

বাবা দিনের বেলায় নিজের কাজে ব্যস্ত থাকেন। রাত্রে সময় এবং সুবিধা হলে,  আমাদের পড়াশুনা বলে দেন। প্রশ্ন করেন। জবাব দেন।

বাবা খুকুকে বললেন, " কি পড়ছিস ? জোরে পড় "।

খুকু জোরে জোরে পড়তে শুরু করল।

ইংরেজি বই। এখনো সব ইংরেজি অক্ষর ভালো করে চেনে না ! তারপর আছে উচ্চারণের দোষ !

খুকু পড়তে লাগল,
" ফর আর্লি টু বেড
অ্যাণ্ড আর্লি টু রাইজ
ইজ সি ওয়ে
টু বি হেলদি
অ্যাণ্ড ওয়েলদি
অ্যাণ্ড ওয়াইজ "

খানিকক্ষণ পড়ার পর, খুকু বাবাকে জিজ্ঞাসা করল, "  এর মানে কি, বাবা ?"

" মানে তাড়াতাড়ি শোওয়া, আর তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা, স্বাস্থ্যবান, ধনবান, এবং জ্ঞানবান হবার পথ।"

" তবে আমি এখন শুই। "

" তাড়াতাড়ি শুলে স্বাস্থ্যবান, জ্ঞানবান ও ধনবান হওয়া যায় যখন বলছ।"

বাবা আর কি করেন ! বাবার উচিত ছিল খুকুর কানদুটো আচ্ছা করে মলে দেওয়া। বাবা কিন্তু তা দিলেন না ! ভারি আদরের মেয়ে তো !

বাবা বললেন, " তবে শোওগে যাও ! "

" তবে কাল সকাল সকাল উঠতে হবে। রোজকার মতো আটটার সময় উঠলে চলবে না ! "

" আচ্ছা, আচ্ছা ! "

খুকু খুব খুশি হল। কিন্তু মনে মনে বললো, " শুইতো এখন ! কাল সকালে ওঠবার সময় দেখা যাবে !"

খুকু ওর বইটা তাকে যথাস্থানে রেখে, লাইট নিবিয়ে শুয়ে পড়ল। আর মনে মনে ভগবানের কাছে প্রার্থনা জানাল,
 " হে ভগবান ! কাল যেন সকাল সকাল আমার ঘুম ভাঙ্গিও না ! কাল সকালে আমি তোমায় নিজের হাতে বাতাসা প্রসাদ দেব ! "

পরদিন সকাল হল। আটটা বাজল। দেখা গেল খুকু তখনও বিছানায় শুয়ে !

আগের রাতের কথা,  না বাবার,  না খুকুর, কারোর মনে নেই !

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬

শপথ অনুষ্ঠানে ঈশ্বর আল্লা

এবারে ময়দানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়েছিল। স্থান নির্বাচন  ছিল খুবই ব্যতিক্রমী ঘটনা।

আমি সরাসরি মাননীয়া শ্রীমতী মমতা ব্যানার্জির শপথ নেওয়ার অনুষ্ঠান দেখছিলাম।

আমি টিভিতে যতদূর দেখেছি এবং টিভিতে যতদূর শুনেছি, আমার বুদ্ধি জ্ঞান এবং বিবেক অনুষায়ী, সেই সময়ের কার্যকরী মুখ্যমন্ত্রী এবং নতুন ভাবী মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর শপথ নেওয়ার সময়,  প্রথমে একবার ঈশ্বরের নামে শপথ নিলেন, পরক্ষণেই আবার আল্লার নামে শপথ নিলেন, বা আল্লার নামেও শপথ নিয়ে ফেললেন !

কিংবা, একবারই শপথ নিলেন, এবং সেই শপথ নেওয়ার সময়ের মধ্যে, যথারীতি ঈশ্বরের নামে শপথ নিলেন, এবং পরবর্তীতে, সাথেসাথেই, সম্ভবত ভবিষ্যতের মুসলিম ভোট সংহত করার জন্য, আল্লার নামেও শপথ নিলেন !

একজন মানুষের নিশ্চয় একটা ধর্মীয় সত্তা থাকে। সেই হিসাবে তিনি শপথ নিতেই পারেন। কিন্তু যদি ধরে নিই, শ্রীমতী মমতা ব্যানার্জি একজন হিন্দু 'মহিলা', তবে কি তিনি আল্লার নামে শপথ নিতে পারেন ? এভাবে শপথ অনুষ্ঠানকে প্রহসনে
পরিণত করতে পারেন ?

একজন হিন্দু রমণী আল্লার নামে এভাবে শপথ নিলে, মুসলমানরা এবং বিপ্লবী মুসলমানেরা তাতে অসন্টুষ্ট হবেন নাতো ?

আর ব্যাপারটি কি আসাংবিধানিক হয় না ?

তাহলে ঐ শপথ অনুষ্ঠান বাতিল করে, পুনরায় শপথ নেওয়ানোর ব্যবস্থা করা হোক !

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল মহোদয়, ভারতের রাষ্ট্রপতি মহাশয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিজি এবং ভারতের নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

প্রণব কুমার কুণ্ডু।

আমার গদ্যরচনার সূচি