বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

শ্রীমদ্ভাগবত ( দুই )





শাস্ত্রের ধারণায়, ঈশ্বর 'জন্মরহিত' !

ঈশ্বর যদি জন্মরহিত হন, তাহলে ঈশ্বর 'স্বয়ম্ভূ' হতে পারেন না ! তিনি 'স্বয়ংসৃষ্ট' হতে পারেন না !
কেননা সেটাও,  অর্থাৎ স্বয়ংসৃষ্টও হওয়া,  বা স্বয়ম্ভূ হওয়াও,  তো  জন্ম !

শাস্ত্রের ধারণায়, ঈশ্বরের শক্তি, 'মায়া' !
মায়াকে কে সৃষ্টি করল ?
মায়াকে কি ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন ?
কিন্তু তখনও তো সৃষ্টি প্রক্রিয়া শুরুই হয় নি !
তার আগেই মায়ার প্রাদুর্ভাব হল কি করে ?
তাহলে কি মায়া ঈশ্বরের প্রথম সৃষ্টি ?
আসলে,  হিন্দু শাস্ত্রে, অনেক জায়গায় দেখবেন, শাস্ত্রের বক্তব্য আছে, কিন্তু তার পে্ছনে প্রকৃত যুক্তি,  বিচার,  বিশ্লেষণ নেই !

ঈশ্বরের নিজের দ্বারা, সৃষ্টি প্রক্রিয়াকে বলে 'সর্গ'। এটা কিন্তু 'স্বর্গ' নয় !

ঈশ্বরের নিজের দ্বারা, সৃষ্টি প্রক্রিয়াকে বলে 'সর্গ'।

সুতরাং ঈশ্বর যে সৃষ্টি করেন না, একথা ঠিক নয় !
'সর্গ'  প্রক্রিয়া,  সেটা, চর-অচর সৃষ্টির আগে চলেছিল ! যুগ যুগ বছর আগে ! বহুযুগ আগে ! বহুযুগ ধরে !

প্রাণীগোষ্ঠী এবং উদ্ভিদগোষ্ঠী একসাথে চর-অচর।
 চর, অর্থাৎ,  যারা চলাচল করতে পারে। চর-এর movement আছে।

 কিন্তু, অচর-এর movement নেই । অচর থিতু।

যুক্তি-তর্কের খাতিরে, ধরে নিন, তখন শুধু এক ঈশ্বর আছেন !

'ব্রহ্মাণ্ড' বলে কিছু নেই !

ঈশ্বর, প্রথমে, 'সূক্ষ্ম কারণ ব্রহ্মাণ্ড'  তৈরি করবেন ! অর্থাৎ, 'তত্ত্বে', ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা, চালাবেন ! এটা , purely theoretical., অর্থাৎ,  পরিপূর্ণভাবে তত্ত্বীয়। বাদীয়। ধারণাগত !

'কারণ'-এর, ধারণার আগেও, 'কারণাতীত', একটা পর্যায় থাকে। 'কারণ', হচ্ছে, হেতু, মূল ! 'কারণাতীত', 'কারণ' পর্যায়েরও, আগের পর্যায় ! তখন বলা যেতে পারে, সেটা 'শূন্য' পর্যায় ! 'নিরঞ্জন' পর্যায় ! 'ঈশ্বর' পর্যায় ! 'পরব্রহ্ম' পর্যায় !

আমি কিছু ব্যাখ্যা দেবার চেষ্টা করছি মাত্র !

ঈশ্বর বৈজ্ঞানিক ছিলেন ! বিরাট বড়, অতি বড়, বিজ্ঞানী !

পরে ঈশ্বর, 'সূক্ষ্ম করণ ব্রহ্মাণ্ড'  তৈরি করবেন !
' করণ',   'কারণ'-এর সহায়ক কাজের প্রধান সহায়ক ! করণে, সূক্ষ্ম  material সৃষ্টি ! সেটা, বস্তুগত। পদার্থগত । বাস্তব ! প্রথমে পরমাণু সৃষ্টি। বিভিন্ন মৌল পদার্থের পরমাণু। পরে মৌলিক পদার্থের মৌলিক অণু । এরপরে যুগ্ম অণু। তারপরে,  chemical compound.  যৌগ পদার্থ। সংশ্লেষে সংশ্লেষে, বিভিন্ন পদার্থের অণুর সমবায় গড়ে উঠল ! যৌগ অণু। যৌগিক অণু। মিশ্র অণু্। জটিল অণু। ইত্যাদি।

এগুলো সবই রসায়নবিদ্যার ব্যাপার ! ঈশ্বর এক বিরাট বড় রসায়নবিদ ছিলেন !

এরপরে, 'সূক্ষ্ম ব্রহ্মাণ্ড'  তৈরি !

এগুলোর  সব এক-একটা পর্যায় ঘটতে, যুগ যুগ বছর কেটে যায় !

তারপর শুরু হয়, ব্রহ্মাণ্ড তৈরির কাজ ! ধীরে ধীরে স্থূল সৃষ্টি। ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি !

এগুলো সবই, যুগ যুগ বছরের ধাক্কা !

এখানে, ঈশ্বর আবার পদার্থবিদ !

'ব্রহ্মাণ্ড' তৈরির এই ব্যবস্থা, 'সর্গ' !

আমি এই ব্যবস্থাকে বলব 'মহাসর্গ' ! কেননা তার আগে তো ব্রহ্মাণ্ডই ছিল না ! ব্রহ্মাণ্ড হলে তো ,  তবে, তখন একটা দাঁড়াবার জায়গা থাকবে !

ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি, বাস্তবিক, জড়বাদ ! তাহলে তো, ঈশ্বর, জড়বাদীও ছিলেন !

শাস্ত্রের ধারণায়,  'জড়বাদ', খুব ভয়ংকর রকম বাজে মতবাদ ! কিন্তু, তা নয় ! ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টিতে, জড়বাদ, একান্তভাবে,  আবশ্যিক ছিল !

শুধু 'ব্রহ্মাণ্ড' সৃষ্টি নয়, এরপরে এসে গেল 'তত্ত্ব' ব্যবস্থা সৃষ্টির !

তখন এসে গেল 'মায়া' !

এর আগে 'মায়া' কি ঈশ্বরের সাথে ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিলেন ? মায়া কি ঈশ্বরের শরীরের অংশ ? ঈশ্বরের তো শরীরই নেই ! মায়া কি ক্রমে ক্রমে ঈশ্বরের থেকে আলাদা হলেন ? এসব জটিল প্রস্ন ! উত্তর ধোঁয়াশা । বা উত্তর নেই ! যাইহোক মায়া তো ঈশ্বরের 'শক্তি'-তে রূপান্তরিত হল !

মায়ার সাহায্য নিয়ে,  ঈশ্বর,  কি 'তত্ত্ব' খাড়া করলেন ?

ঈশ্বরের শক্তিরূপা মায়াশক্তি ! মায়া, সূচনায়, ছিলেন,  'সত্ত্ব' 'রজঃ' 'তমঃ ' এই তিন বিশেষ গুণের কারণভূতা !
পরবর্তীতে, ঐ ত্রিগুণ, পৃথিবী সৃষ্টি হওয়ার পর, পৃথিবীর ওপরও  ন্যস্ত, অর্থাৎ, আরোপিত করা হয়েছে !

ঈশ্বর সেই মায়াশক্তিরূপা মায়াযোনির মধ্যে,

১। 'সর্বজ্ঞ মহৎতত্ত্বরূপ'
২। 'চিদাভাসরূপ'
৩। 'সমষ্টিজীবনশক্তিরূপ'
এই, 'ত্রি-বীর্য'রূপ 'আধান'  নিক্ষেপ করেছেন !
মায়া ঐ 'ত্রি-বীর্য'শক্তিরূপ আধানত্রয়কে, যুগ যুগ ধরে, তাঁর 'সৃষ্টিকারক মহৎযোনি'-র মধ্যে 'নরচার' (nurture) এবং 'কালচার' (culture) করেছেন !*

* সূত্র ঃ প্রণব কুমার কুণ্ডু'র কবিতা, 'ঈশ্বরতত্ব এবং মায়া'। দেখতে পারেন,   pranabk.blogspot.com

মায়া কি স্বয়ংভূতা ? মায়ার তো শরীর নেই !  তাহলে মায়া 'ভূত' গোত্রে পড়বেন না ! মায়া ইন্দ্রিয়-গ্রাহ্য 'বস্তু'সমূহের মধ্যে পড়বেন না ! মায়া কি তাহলে সত্যি সত্যি শক্তি ? তাহলে তো সব বিশ্ববন্দিত শক্তিতত্ত্ব, মায়ার মধ্যে গ্রহণীয় হবে !

কিন্তু ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির আগে, 'ভর', অর্থাৎ, mass, কোথা থেকে আসবে ?

mass-energy equivalence, is a concept, formulated by, Albert Einstein !
though, purely theoretical !
E =mc2

পদার্থের 'ভর', এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত শক্তি-সৃষ্টির তুল্যমূল্যতা, হচ্ছে একটা ধারণা, যে ধারণাটা  দিয়েছেন, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, অ্যালবার্ট আইনস্টাইন।
যদিও, ধারণাটা, সম্ভবত, পরিপূর্ণভাবে তাত্ত্বিক,  এবং  কেবল ধারণাগত হিসাবেই থেকে গেছে !

সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ, এই তিন গুণের পরিমাণের পারস্পরিক ratio, অর্থাৎ, অনুপাত-এর মানের পরিবর্তন বশত, গুণত্রয়ের নিজেদের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভ দানা বাঁধে ! সৃষ্টিতত্ত্বের অনুকম্পায়, তখন কম্পন,  vibration,  শুরু হয়ে যায় ! যার ফলে, resonance,  অর্থাৎ অনুরণন সৃষ্টি হয় ! অনুরণন থেকে সৃষ্টি হয়, অনুনাদ !

অনুনাদ। হতে পারে প্রতিধ্বনি। বা আগের অনুরণন। আপাত সদৃশ শব্দ বা সদৃশ থেকে ভিন্নতর  'অনু' শব্দ ! হতে পারে, একসাথে শব্দিত শব্দও  !

'অনু' নিজে উপসর্গ ! কাজেই 'সর্গ' রচনায় 'অনু'-র ডাক পড়েছে, শব্দগুলো গ্রথিত করতে !

অনুরণন, কম্পনের ধ্বনির অনুবর্তী ক্রমশ বিলীয়মান ধ্বনি। হতে পারে প্রতিধ্বনি। হতে পারে আরো মৃদু প্রতিধ্বনি জাত ক্ষীণতর ধ্বনিসমুূহ ! বা তুলনামূলকভাবে অনুনাদ ধ্বনি !

কিন্তু, ধ্বনি propagation, প্রবহ হতে গেলে,  তো চাই, ধ্বনিপ্রবহের মাধ্যম। তখন কি ধ্বনি প্রবহের মাধ্যম ছিল ? প্রতিধ্বনি সৃষ্টি হবার জন্য, কোন 'দেয়াল' ছিল ? মাধ্যম ছাড়া 'অনুনাদ' কি ভাবে সঞ্চারিত হবে ? এসব জটিল কূট প্রশ্ন !

তার ফলে বলা হয়, ঈশ্বর করেছেন ! কিন্তু এগুলি প্রাকৃতিক ক্রিয়া ! ঈশ্বরের ব্যাপার নয় ! ধ্বনি প্রবহের ক্ষেত্রে, বাতাস একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অন্যতম মাধ্যম। তখন বাতাস অর্থাৎ 'বায়ু' ছিল না। বায়ু তো তখন সৃষ্টিই হয় নি ! বাতাস না থাকলে 'কম্পন'ও হবে না !

গুণত্রয়ের potential difference,  বিভব পার্থক্যের পরিবর্তনের বৈচিত্রের জন্য, এই কম্পন, অনুনাদের সৃষ্টি হয় !
সত্ত্ব রজঃ তমঃ, এই তিন গুণ কিন্তু এক নয় ! তাদের মধ্যে গুণবিভাগ দারুণভাবে প্রকট !

তাদের মধ্যে, গুরু অনুপাত ( পারস্পরিক greater inequality ratio ), লঘু অনুপাত ( পারস্পরিক  lesser inequality ratio )  থাকে ! এতে ত্রিগুণের কার্য-কারণে ভীষণভাবে প্রভাব ফেলে ।

ত্রিগুণের ক্ষোভ, বিক্ষোভ, তারপর কম্পন, অনুনাদের ফলে, সৃষ্টি প্রক্রিয়া শুরু হয়,  'পঞ্চমহাভূতের'।
বলা হয়, সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ, এই ত্রিগুণ, আসলে হচ্ছে, 'জগৎকারণ'। কারণ হচ্ছে নিমিত্ত।
নিমিত্ত হচ্ছে, হেতু, কারণ। উদ্দেশ্য, উপলক্ষ্য, প্রয়োজন। যে বা যারা, কর্মসাধন করে, কিন্তু, তাতে, তার বা তাদের,  কোন দায়-দায়িত্ব,  এবং অথবা, কর্তৃত্ববোধ থাকে না !

সেগুলো কি ?

সেগুলো,  যথাক্রমে পঞ্চভূতের কারণাতীত,  কারণ এবং করণ অবস্থা ! এরপরে, সূক্ষ্ম পঞ্চভূত ! তারপরে স্থূল পঞ্চভূত !
পঞ্চভূতগুলো কি ?

ওগুলোর নাম

১। 'ক্ষিতি', মানে পৃথিবী, এমন কি পৃথিবীর মতো, অন্যান্য গ্রহ, উপগ্রহ, পৃথিবীর চাঁদ, এমন কি, সূর্যও ! ক্ষিতি                  মানে, মাটি, ভূমি,পর্বত ইত্যাদিও !

২। 'অপ্', মানে জল। কারণতোয় বা কারণতোয়বারি, কারণভূত জল ! সৃষ্টির আগে মূলভূত প্রথম  জলরাশি !                       primeval water !

৩। 'তেজঃ', মানে, জ্যোতি, দীপ্তি, প্রভা, আলোক, তাপ, আগুন। এর মধ্যে সূর্যের 'তেজ'-ও পড়বে ! তেজ আসলে শক্তি !  ' রুপ'ও ! 'তেজে কিছুটা অহংকার্'ও থাকে ! তেজ 'রজোগুণ'-এর আধার ! তৃতীয় মহাভূত ! তেজ আবার  চৈতন্যাত্মক জ্যোতি ! সত্ত্ব গুণজাত লিঙ্গদেহ !

৪ । 'মরুৎ', বায়ু, বাতাস। পরবর্তীতে উনপঞ্চাশ পবনসমবায়, প্রাণবায়ুসমবায়।

৫ । 'ব্যোম', আকাশ, শূন্য, মহাশূন্য।

এই 'পঞ্চভূতের'ও, 'কারণাতীত', 'কারণ' এবং 'করণ' অবস্থা থাকে ! সূক্ষ্ম তত্ত্ব থাকে ! পরে স্থূল তত্ত্বে পর্যবসিত হয় ! স্থূল 'পঞ্চভূত' উৎপন্ন হয় !

এই পর্যায় পর্যন্ত, আমি, অর্থাৎ, লেখক, 'সূর্যমণ্ডল'-এর কথাই লিখছি !


ডিজিটাল রেশন কার্ড


ডিজিটাল রেশন কার্ড

ডিজিটাল রেশন কার্ডের কী হল ?

আমরা এখনও ডিজিটাল রেশন কার্ড পেলাম না !

পশ্চিমবঙ্গের সরকারের প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি !

প্রণব কুমার কুণ্ডু
ওয়ার্ড নম্বর ১৭
নৈহাটি পৌরসভা
পিন ৭৪৩১৬৫।

বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

ষট্‌চক্র

এটা ধরে নেওয়া হয়েছে, মানুষের শরীরের সুষম্না নাড়ির মধ্যে, পদ্মের আকৃতি যুক্ত, ছয় সংখ্যক, অলৌকিক এবং অতীন্দ্রিয় 'চক্র' আছে !
এই চক্র সংখ্যায় ছয়টি। তাই শিরোনামের 'যট্‌চক্র' !
'ষট্'। চলিত বাংলায়, 'ষট'। অর্থ, ছয় সংখ্যা বা ছয় সংখ্যক। অঙ্কের, ৬ ।
যট্‌চক্র,
 ১ । 'মূলাধার'
 ২ । 'স্বাধিস্থান'
৩ । 'মণিপূরক'
৪ । ' অনাহত'
৫ ।  'বিশুদ্ধ'
৬ । 'আজ্ঞা'

যট্‌চক্র গুপ্ত এবং রহস্যজনক ! বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে, অলৌকিক এবং অতীন্দ্রিয় !
যদিও বর্ণনায় শরীরভিত্তিক হিসাবে বর্ণিত !

'মূলাধার চক্র', প্রথম চক্র। মানুষের মূলশক্তি, যেটাকে বলা হয়, 'কুণ্ডলিনী শক্তি', সেই 'কুণ্ডলিনী শক্তি'-র অাধার, এই 'মূলাধার চক্র' ! মূলাধার চক্র, সুষুম্নার অধোমুখে, গুহ্যের অধোদেশে, অবস্থিত ! এটা বলা হয়, যে মূলাধার চক্র দেখতে 'রক্তবর্ণ' ! রক্তবর্ণ অর্থাৎ রক্তের মতো লাল রং। ওখানকার পদ্ম চতুর্দল ! অর্থাৎ চারটি পাপড়িবিশিষ্ট পদ্ম ! পদ্ম আবার দুরকম হয়। একটা স্থল পদ্ম। মাটিতে গাছে হয়। আরেকটা জলে হয়। সেটা জলপদ্ম। জলপদ্ম গাছ,  গুল্ম জাতীয় গাছ। জলে হয়। আমাদের শাস্ত্রে যে সব পদ্মের কথা উল্লেখ আছে, তা সবসময় জলপদ্ম। এখানে পদ্ম বলতে জলপদ্মই বোঝায়।

'স্বাধিস্থান চক্র',   দ্বিতীয় চক্র। লিঙ্গমূলে অবস্থিত। সিঁদুরে লাল রং।যাকে বলে অরুণ ঊষা বর্ণ। যড়্‌দল। 'ষড়্' শব্দটির অর্থও ছয়। আর্থাৎ পদ্মের পাপড়ি ছয়টি।

'মণিপূরক চক্র'। এটি তৃতীয় চক্র। নাভিমূলে অবস্থিত। সুনীল বর্ণ, অর্থাৎ, গাঢ় নীল বর্ণ। এর পদ্মের পাপড়ি দশটি। দশদল।

'অনাহত চক্র'। এটি চতুর্থ চক্র। হৃদয়ে অবস্থিত ! পদ্মেের কলি অর্থাৎ পদ্মের কুঁড়ির মতো লাল রং। পাপড়ি বারোটি।
দ্বাদশ দল যুক্ত।

'বিশুদ্ধ চক্র'। পঞ্চম চক্র। কৃষ্ণলোহিত বর্ণ। পদ্মের ষোড়শ দলের সজ্জা। অর্থাৎ, পদ্মের পাঁপড়ি ষোলটি।

'আজ্ঞা চক্র'। ষষ্ঠচক্র। শেষ চক্র। দুই ভ্রু-র মধ্যে অবস্থিত। চন্দ্রসদৃশ শুভ্র বর্ণের। পদ্ম দ্বিদল। পদ্মের পাঁপড়ি মাত্র দুটি।

তান্ত্রিক যোগির, তাঁর নিজের মূলাধারের কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরণে, তাঁর মস্তিষ্কের শীর্ষের সহস্রারপদ্মে শক্তিরূপে গমনে,  ঐ যট্‌চক্রের ছয়টি চক্রেরই চক্রভেদ ! সহস্রার শিরোমধ্যস্থ সহস্রদল পদ্ম। ওখানে পরম শিবের পবিত্র অধিস্থান ! তান্ত্রিক যোগী সেখানে শিবের সাথে মিলিত হন ! সহস্রারক্ষরিত অমৃতধারা পান করেন !

তান্ত্রিক যোগী অনির্বচনীয় পরমানন্দ উপভোগ করেন !

প্রয়োজনে তান্ত্রিক যোগী আবার ষট্‌চক্র ভেদ করেন ! আবার করেন। আবার করেন.....

তান্ত্রিক যোগী অনির্বচনীয় পরমানন্দ উপভোগ করেন ! যোগী অনির্বচনীয় পরমানন্দ উপভোগ করেন ! অনির্বচনীয় পরমানন্দ উপভোগ করেন ! পরমানন্দ উপভোগ করেন !

মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ

আমি জানিনা, তাই জানতে ইচ্ছা করে, 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ'-এর কতগুলি 'শাখা' পশ্চিমবঙ্গে আছে ?

নৈহাটিতে তো একটা আছে ! পশ্চিমবঙ্গের আর কোথায় কোথায় আছে ?

'মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্মোৎসব' পালনের যে আমন্ত্রণ লিপিটি করা হয়, তাতে, 'হরপ্রসাদ'-এর যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়, তা কিন্তু 'স্পষ্ট' নয় !

এখন ইনটারনেটের সৌজন্যে, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ভালো ছবি পাওয়া যায় !

তবে পরিবর্তন করছেন না কেন ?

এত 'গয়ংগচ্ছ' ভাব কেন ?

ভালো স্পষ্ট ছবি দেওয়ার জন্য আমার অনুরোধ রইল।

ঐ আমন্ত্রণ লিপিতে, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ, নৈহাটি শাখার,  কোন ঠিকানা, ফোন নম্বর, মোবাইল নম্বর, ইমেল ঠিকানা দেওয়া হয় না কেন ?

নাকি ! 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ'-এর নৈহাটি শাখার কোন অফিস নাই !

বাড়িতে বাড়িতেই, 'শাখা অফিস' খুলে কাজ করা হচ্ছে !

জানি না,  সঠিক ব্যাপারটা কি ?

'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ', কবে 'পশ্চিমবঙ্গীয়' সাহিত্য পরিষৎ হবে ?

দেশ ভাগ সেই কবেই হয়ে গেছে !
এখনো, 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ', 'পশ্চিমবঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ' হতে পারল না ?

আপনাদের 'রেজিস্ট্রেশন', কতদিন 'রিনিউ' করা হয় নি ?
তখন নাম নিয়ে প্রশ্ন ওঠে নি ?

আপনাদের মূল অফিসের 'ই-মেল' ঠিকানাটা চাই।
জানাবেন ?

নাকি, আপনাদের কোন 'ই-মেল' ঠিকানা নাই !

'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ', কলকাতার মূলকেন্দ্রের, দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

নৈহাটিতে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্মোৎসব

নৈহাটিতে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী'র জন্মোৎসব পালিত হল, ৬ই ডিসেম্বর ২০১৬, মঙ্গলবার, সকাল ৯-১৫ মিনিট থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত, সেন্ট লুক্ ডে স্কুলে।

উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করলেন, শ্রী তাপস চট্টোপাধ্যায়।

মঙ্গলাচরণ করেন, শ্রী নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য।

বক্তব্য রাখেন, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর নৈহাটি শাখার সম্পাদক, শ্রী অচয়চরণ দে, ও, সভাপতি, শ্রী রতন কুমার নন্দী।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, ড. গৌতম রায়।

পৌরোহিত্য করেন, ড. সুচিত্রা ( রায় ) আচার্য। তিনি হরপ্রসাদের সৃষ্টিমূলক কাজের ওপর খুবই তথ্যপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তাঁর উপস্থাপনা সকলের প্রশংসা পায়।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত শ্রোতা-দর্শকদের মিষ্টিমুখ করানো হয়।

সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

পঞ্চমহাযজ্ঞ





পঞ্চমহাযজ্ঞ ।

এগুলো   ব্র্‌হ্মযজ্ঞ, পিতৃযজ্ঞ, দেবযজ্ঞ, ভূতযজ্ঞ, নৃযজ্ঞ।

১। ব্রহ্মযজ্ঞ।             বেদাধ্যয়ন। বেদ পাঠ। অপরাপর শাস্ত্রপাঠও ব্রহ্মযজ্ঞের মধ্যে পড়ে। শাস্ত্রপাঠ শোনাও, ব্রহ্মযজ্ঞ।
২ । পিতৃযজ্ঞ।            পিতৃপুরুষের তর্পন ইত্যাদি নিষ্ঠার সঙ্গে করা।
৩ । দেবযজ্ঞ।            হোমক্রিয়া। হোমক্রিয়ায় হোম করার উপকরণ লাগে। চেলা কাঠ লাগে। একটু অন্তত চন্দন                                      কাঠ লাগে। ফুল বেলপাতা লাগে। গাওয়া ঘি , ফল ইত্যাদি পূজার উপকরণ লাগে ! হুতদ্রব্য                                       লাগে হুতাগ্নি প্রজ্বলিত হয়। হুতদ্রব্য হোমাগ্নিতে অর্পিত হয়।পুরুত মহাশয় লাগে ।

                                দেবতারা আগুন জ্বালিয়ে খেলতে ভালোবাসেন !
                                যেমন, নেড়া-পোড়া !
                                যেটা দোলের আগের দিন অনুষ্ঠিত আগুনের উৎসব। চাঁচর।

                                যেমন, bonfire !
                                সবাই মিলে আনন্দ উৎসব উপলক্ষ্যে, উন্মুক্ত স্থানে, প্রজ্বালিত অগ্নিকুণ্ড। বহ্ন্যৎসব !
                                তাছাড়া হাবজিজাবজি জিনিষ পুড়িয়ে নষ্ট করা !

                                 দেবতাদের ব্যাপারে অাজকাল শব্দবাজি ফাটানো হয়। আলোরবাজি পোড়ানো হয়।
                               
 ৪ । ভূতযজ্ঞ।            মনুষ্যেতর জীবের তৃল্তি বিধান। যেমন কুকুর বেড়াল পাখি গরু ছাগল ইত্যাদিদের খাওয়ানো।
                                 তাদের যত্ন নেওয়া।
৫ । নৃযজ্ঞ।                অতিথি পূজা। সেটা অতিথি সেবা। প্রয়োজনে অতিথিদের যত্ন নেওয়াও !


পঞ্চমহাযজ্ঞ কিন্তু ঈশ্বর পরমেশ্বর এঁদের জন্য নয় ! তবে 'দেবযজ্ঞ' দেবতাদের জন্য ! দেবতারা অগ্নির মাধ্যমে 'আহার' গ্র্হণ করেন যে ! যজ্ঞ অর্থাৎ যজ্ঞের অগ্নি, দেবতাদের মুখ এবং জি্‌হ্বা। দেবতারা অ্গ্নিমুখে হুতদ্রব্য ভক্ষণ এবং অগ্নিজিহ্বায় যজ্ঞহবি আস্বাদন করেন !

পঞ্চমহাযজ্ঞ মূলত হিন্দু গৃহস্থদের কর্তব্য !

পিতৃযজ্ঞ  এবং দেবযজ্ঞ এর উদ্দেশ্য অলৌকিক !

ব্রহ্মযজ্ঞ ভূতযজ্ঞ এবং নৃযজ্ঞ এর উদ্দেশ্য লৌকিক !

শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৬

আমার কবিতার ট্রাফিক উৎস পরিসংখ্যান

উল্লেখ URL                       আমার কবিতার ট্রাফিক উৎস পরিসংখ্যান

উল্লেখিত সাইটসমূহ

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
1431








1286








221








207








151








135








89








67








58








29








মূলশব্দগুলি অনুসন্ধান করুন

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
কবিতা
38








গ্রীষ্মের কবিতা
6








গ্রীষ্মের দুপুর কবিতা
3








দুপুর
3








দোলের কবিতা
3








গ্রীষ্মের দুপুর
2








দুপুর কবিতা
2








মানুষ কবিতা
2








স্বেচ্ছামৃত্যু কবিতা
2








অনুচ্ছেদ গ্রীষ্মের দুপুর
1

উল্লেখ URL

উল্লেখিত সাইটসমূহ

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
1431








1286








221








207








151








135








89








67








58








29








মূলশব্দগুলি অনুসন্ধান করুন

প্রবেশপৃষ্ঠাদর্শন
কবিতা
38








গ্রীষ্মের কবিতা
6








গ্রীষ্মের দুপুর কবিতা
3








দুপুর
3








দোলের কবিতা
3








গ্রীষ্মের দুপুর
2








দুপুর কবিতা
2








মানুষ কবিতা
2








স্বেচ্ছামৃত্যু কবিতা
2








অনুচ্ছেদ গ্রীষ্মের দুপুর
1