শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

An Inspiring story of an ex Christian (Maya) who found shelter under Hin...

An Inspiring story of an ex Christian (Maya) who found shelter under Hin...

An Inspiring story of an ex Christian (Maya) who found shelter under Hin...

“নারায়ণ” শব্দের আর কোন অর্থ আছে?

   

“নারায়ণ” শব্দের আর কোন অর্থ আছে?

 

 

“নারায়ণ” শব্দের আর কোন অর্থ আছে? আছে বৈকি।
সারূপ্যমুক্তিবচনো নারেতি চ বিদর্বুধাঃ।
যো দেবোহপ্যয়নং তস্য স চ নারায়ণঃ স্মৃতঃ।।
“নারা” শব্দের অর্থ সারূপ্য মুক্তি। যিনি তার আশ্রয় তিনিই নারায়ণ।

নারাশ্চ কৃতপাপাশ্চাপ্যয়নং গমনং স্মৃতম্‌।
যতো হি গমনং তেষাং সোহয়ং নারায়ণঃ স্মৃতঃ।।
“নারা” অর্থে পাপকারী, ও “অয়ন” অর্থে গমন। নারায়ণের আশ্রয় গ্রহণে পাপ হ’তে মুক্ত হয় ব’লে ইনি “নারায়ণ” নামে কথিত হন।

নারঞ্চ মোক্ষণং পুণ্যময়নং জ্ঞানমীপ্সিতম্‌।
তয়োর্জ্ঞানং ভবেদ্‌যস্মাৎ সোহয়ং নারায়ণঃ স্মৃতঃ।।
“নার” শব্দের অর্থ মোক্ষ, “পুণ্য, অয়নের” অর্থ ইপ্সিত জ্ঞান, নারায়ণের আশ্রয় গ্রহণে মোক্ষ ও বাঞ্ছিত জ্ঞান লাভ হয় ব’লে “নারায়ণ” নামে স্মৃত হন।

সকৃন্নারায়ণেত্যুক্ত্ব্যা পুমান্‌ কল্পশতত্রয়ম্‌।
গঙ্গাদি সর্ব্বতীর্থেষু স্নাতো ভবতি নিশ্চিতম্‌।।
মানব একবার নারায়ণ উচ্চারণ ক’রে ত্রিশত কল্প গঙ্গাদি নিখিল তীর্থে স্নাত হয়।

তুমি প্রথমে বলেছো, “নারায়ণ” নাম শ্রবণমাত্রেই অনেক জন্মের অর্জ্জিত পাপরাশি হরণ করেন। এখন বল্লে ত্রিশত কল্প গঙ্গাদি তীর্থ স্নানের ফল একবার নারায়ণ উচ্চারণ করলে হয়। “নারায়ণ” নাম একবার উচ্চারণ ক’রে কারুর পাপ নাশ হয়েছে?
হয়েছে বৈকি! 
আচ্ছা শোনো—
কোন দেশে শাস্ত্রজ্ঞানসম্পন্ন, মৃদুপ্রকৃতি, সৎস্বাভাবান্বিত, সদাচারী, ক্ষমা গুণের আধার, জিতেন্দ্রিয়, ব্রতপরায়ণ, সত্যবাদী, মন্ত্রতত্ত্ব-বেত্তা, পিতৃমাতৃভক্ত, শৌচাচার-বিশিষ্ট, একজন ব্রাহ্মণ বাস কর্‌তেন।
তিনি অহঙ্কারবিহীন হ’য়ে গুরু অগ্নি অতিথি ও বৃদ্ধ প্রভৃতির সেবানিরত ও প্রাণীমাত্রেরই সুহৃদ, সাধু ও মিতবাক্‌ ছিলেন। একদিন পিতার আজ্ঞায় বনে গিয়ে ফল পুষ্প সমিধ্‌ কুশ নিয়ে ফির্‌ছেন এমন সময় পথে মদ্যপানে মত্ত এক শুদ্র ও শূদ্রাণী ক্রীড়াসক্ত দেখ্‌লেন। তাদের বস্ত্রাদি যথাস্থানে ছিল না। সেই মাতাল শূদ্র ব্রাহ্মাণের সুমুখেই শূদ্রাণীকে আলিঙ্গন ক’রে হাস্য পরিহাস ক্রীড়া কৌতুক কর্‌তে লাগলো। তাদের এ অবস্থা দেখে ব্রাহ্মণ যুবকের মন চঞ্চল হ’য়ে উঠ্‌লো। তিনি জ্ঞান ও ধৈর্য্যের দ্বারা চঞ্চল চিত্তকে শান্ত কর্‌বার যথেষ্ট চেষ্টা কর্‌লেন, কিন্তু কিছুতেই মনকে সেই শূদ্রাণীর চিন্তা হ’তে প্রতিনিবৃত্ত করতে পার্‌লেন না। তখন সৎকুলসম্পন্না যুবতী ভার্য্যা, পিতা মাতা, আপনার তপস্যা, সংযম, জ্ঞান সব বিসর্জ্জন করত সেই শূদ্রাণীর পাদমূলে আশ্রয় নিলেন। তার সন্তোষের জন্য পৈতৃক অর্থাদির দ্বারা যত্ন কর্‌তে লাগলেন।
এমনও হয়?
হয় বৈকি। মানুষের কখন কি অবস্থা এসে উপস্থিত হবে কে তা বল্‌তে পারে। তারপর সেই দুশ্চরিত্রা শূদ্রাণীর সংসর্গে তাঁর সমস্ত সদ্‌গুণ নষ্ট হ’য়ে গেল। তিনি যে ব্রাহ্মণ এ স্মৃতি পর্য্যন্ত থাক্‌লো না। একে একে শূদ্রাণীর গর্ভে তাঁর দশটি পুত্র জন্মগ্রহণ কর্‌লো। সংসার প্রতিপালনের জন্য জুয়াখেলা, চুরি, লোককে বঞ্চনা ইত্যাদি অসদ্‌ উপায় অবলম্বন কর্‌লেন। 

‘শ্রী ওঙ্কারনাথ-রচনাবলী’ (৩য় খণ্ড) থেকে  
( বর্তমান  )
04th  September, 2020

শেয়ার করেছেন : - প্রণব কুমার কুণ্ডু








প্রণব কুমার কুণ্ডু





শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মৈত্রেয়ী দেবী

 মৈত্রেয়ী দেবী




সাহিত্যিক এবং সমাজসেবী
মৈত্রেয়ী দেবী (জন্মঃ- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯১৪ - মৃত্যুঃ- ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০)

তাঁর জন্ম পিতার তখনকার কর্মস্থল চট্টগ্রামে।
পিতা প্রখ্যাত দার্শনিক অধ্যাপক সুরেন্দ্রনাথ দাশ গুপ্ত।
১৯৩৬ সালে তিনি প্রাইভেট রেজিস্ট্রেশনে বি. এ. পাশ করেন। ১৬ বছর বয়সে প্রকাশিত তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘উদারতা’-র ভূমিকা লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ।
১৯৩৪ সালে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মনোমোহন সেনের সাথে তার বিয়ে হয়।
মংপুতে সিনকোনা চাষের ব্যাপারে তাঁর স্বামীর বিশেষ অবদান ছিল।
মংপুতে রবীন্দ্রনাথ মৈত্রেয়ী দেবীর আমন্ত্রণে ১৯৩৮ থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে চারবার গিয়েছিলেন।
মংপুর সে দিনগুলোকে নিয়ে ১৯৪৩ সালে মৈত্রেয়ী দেবী বই লেখেন ‘মংপুতে রবীন্দ্রনাথ’। অসাধারণ জনপ্রিয়তার কারণে বইটি ইংরেজিতে অনুদিত হয় ‘টেগোর বাই ফায়ারসাইড’ নামে। রবীন্দ্র বিষয়ক তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ: স্বর্গের কাছাকাছি, বিশ্বসভায় রবীন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রনাথ গৃহে ও বিশ্বে, কবি সার্বভৌম, রবীন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রনাথ দি ম্যান বিহাউন্ড হিজ পেয়েট্রি প্রভৃতি।
১৯৬১-তে রবীন্দ্র শতবর্ষে বক্তৃতা দেয়ার জন্য আমন্ত্রিত হয়ে তিনি সোভিয়েত রাশিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া ও গণতান্ত্রিক জার্মানিতে গিয়েছিলেন।
অন্যান্য সাহিত্যকর্ম
এছাড়া নানা অনুষ্ঠানে কয়েকবার তিনি আমেরিকা, চীন, কানাডা ও ইউরোপের দেশগুলো ভ্রমণ করেছিলেন।
তার ‘অচেনা চীন’, ‘মহাসোভিয়েত’, ‘চীনে ও জাপানে’ প্রভৃতি গন্থ এ বিষয়ে স্মরণীয়।
তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: বিধি ও বিধাতা, এত রক্ত কেন, ঋগবেদের দেবতা ও মানুষ, হিরন্ময় পাখি, আদিত্য মারীচ প্রভৃতি।
তাঁর আত্মজৈবনিক উপন্যাস ‘ন হন্যতে’-র জন্য ১৯৭৬ সালে তিনি সাহিত্য আকাদেমী পুরস্কার লাভ করেন। এ বইটি বাঙালি পাঠক মহলে ঝড় তোলে।
বহু আলোচিত এ উপন্যাসটি ‘ইট ডাজ নট ডাই’ নামে ইংরেজিতে অনুদিত ও প্রকাশিত হয়।
তার অনেকগুলো গ্রন্থ একাধিক ভারতীয় ভাষায় অনুদিত হয়েছে। ১৯৭৭ সালে তিনি ‘পদ্মশ্রী’ উপাধিতে ভূষিত হন।
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৬৪ সালে তিনি ‘কাউন্সিল ফর প্রমোশন অব কমিউনাল হারমনি’ সংস্থা স্থাপন করেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শরণার্থী শিবিরের অনাথ শিশুদের জন্য তিনি ‘খেলাঘর’ স্থাপন করেন।
মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি এই সংস্থার কাজ কর্ম দেখাশুনা করেছেন।



শেয়ার করেছেন : - প্রণব কুমার কুণ্ডু



 প্রণব কুমার কুণ্ডু


 · 

সবাই এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে
সবাই