রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০

বলিউড এখন ইসলামীকরণের আঁতুড়ঘর



বলিউড এখন ইসলামীকরণের আঁতুড়ঘর

বলিউড এখন ইসলামীকরণের আঁতুড়ঘর । আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র কেন্দ্র । এখানে বিশ্বের তাবড় তাবড় ধনকুবের মুসলমানরা কোটি কোটি টাকা ইনভেস্ট করে মুনাফা কামায় এবং হিন্দু মেয়েদের ধর্মান্তরণ করে মুসলিম রাজত্বের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটা গভীর ষড়যন্ত্র রচিত হয়েছে । কিছু স্মাগলার, আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন এবং কালো টাকার কারবারি মিলে একটা মজবুত সিন্ডিকেট তৈরি করেছে । এই সিন্ডিকেট সেকুলারিজমের মুখোশ পরে হিন্দু সমাজকে ধ্বংস করে আস্তে আস্তে বাদশাহী রাজত্বের চিন্তাভাবনায় ভারতীয় হিন্দু সমাজ ও সংস্কৃতিকে তিলে তিলে ধ্বংস করা হচ্ছে । "হিন্দুু মেয়েদের পেটে পাকিস্থানের বীজ ঢুকিয়ে দাও --- এমনিই ভারত দখল হয়ে যাবে "
-- পাক সেনা আধিকারিক টিক্কা খান (১৯৭১, বাংলাদেশ )।।
এটাকে কাকতালীয় বলবেন ? না "ইসলামিকরনের " আগাম পরিকল্পনা ??? কি কারণ হতে পারে ? যে
বলিউডের সব জায়গায় মুসলিম হিরোদেরই
রমরমা ?? আর এদের সবার পত্নীরা "হিন্দু" !
👉 শাহরুখ খানের পত্নী -
"গৌরী "হিন্দু পরিবারের মেয়ে ।
👉 আমীর খানের "দুই" পত্নী -
"রীমা দত্ত /কিরণ রাও" -হিন্দু !!
👉 সাঈফ আলী খানের পত্নীরা -
"অমৃতা / করিনা " দুজনই হিন্দু ।
👉 নবাব পতৌদি হিন্দু মেয়ে শর্মিলা
ঠাকুরকে বিয়ে করেছিল।
👉 ফরহান আখতারের পত্নী -
"অধুনা ভবানী" হিন্দু .....
👉 ফরহান আজমীর পত্নী নাম
পরিবর্তন করে "আয়শা টাকিয়া" হিন্দু।
👉 অমৃতা অরোরার বিয়ে মুসলিম যুবক
"শাকিল লদাখ" এর সাথে হয়েছে ।
👉 সলমন খানের ভাই আরবাজ খানের
পত্নী -মালাইকা অরোরা হিন্দু !!!
👉 সলমন খানের ছোট ভাই সোহেল
খানের পত্নী- সীমা সচদেব হিন্দু ।
👉 আমীর খানের ভাগ্নে ইমরান খানের
পত্নী সেও হিন্দু -অবন্তিকা মল্লিক।
👉 সঞ্জয় খানের ছেলে জায়দ খানের
পত্নী -"মল্লিকা পারেখ "হিন্দু ।
👉 ফিরোজ খানের ছেলে - ফরদীন এর
পত্নী -নাতাশা হিন্দু ।
👉 ইরফান খানের পত্নী - সুতপা
সিকদার হিন্দু ।
👉 নাসিরউদ্দিন শাহ এর হিন্দু পত্নী -
রত্না পাঠক ।
💥 একটা সময় ছিল যখন মুসলিম
অভিনেতারা হিন্দু নাম রাখতো...।
কারণ, তাদের ভয় ছিল, কি দর্শক যদি জানতে পারে যে সে , মুসলমান তাহলে তার ফিল্ম দেখতে কোন হিন্দু আসবে না !!! এদের মধ্যে সব থেকে পরিচিত নাম " ইউসুফ খান " যাকে আমরা "দিলীপ
কুমার" বলে জানি !!
👉 "মহজবীন আলীবক্স " যাকে আমরা মীনা কুমারী বলে জানি ...।
👉 " মুমতাজ বেগম " মধুবালা নাম নিয়ে
হিন্দু হৃদয়ে সুড়সুড়ি জাগিয়েছে ।
👉 " বদরুদ্দীন জামালউদ্দিন কাজীকে
আমরা জনি ওয়াকার নামে সব্বাই জানি...।
👉 আর " হামিদ আলী খান " ভিলেন
" অজিত " নাম ধারন করে অভিনয় করতো ।!!!
👉 সকলের পরিচিত অভিনেত্রী "রীনা
রায় " এর আসল নাম " সায়রা খান "।
👉 জন আব্রাহামও একজন
মুসলিম, যার আসল নাম -ফরহান ইব্রাহিম !
একটু ভাবুন যে গত ৬০ বছরে কি এমন হল ???
যে এখন আর এই "মুসলিম কলাকারদের " হিন্দু
নাম রাখার দরকার নেই। বরং মুসলিম নাম এখন "ব্রান্ড" হয়ে গিয়েছে !!
এটা কি মুসলিমদের পরিশ্রমের ফল ??? নাকি আমাদের "হিন্দুদের" ভেতর থেকে কিছু শেষ হয়ে গিয়েছে ??? একটু চিন্তা করুন। আমরা কোন ফিল্মের বাড়বাড়ন্ত করাচ্ছি ???
কেন এমন হয়, যে অধিকাংশ বলিউড ফিল্মে হিরো "মুসলিম" আর "হিরোইন" হিন্দু মেয়েরা হয়ে থাকে ??? কারণ এটা যে - চলচিত্র ব্যবসার
সব থেকে বড় ফাইনান্সার "দাউদ ইব্রাহিম " এরকমই চায় ।
" টি -সিরিজের" মালিক গুলশান কুমার তার কথা না মানলে তাকে হত্যা করা হয়, এটা সবাই জানি ।
এখনও একজন চিত্রপরিচালক মুসলিম হিরোকে সাইন করালেই "দুবাই" থেকে সামান্য শর্ত ও নামমাত্র সুদে টাকা ধার পাওয়া যায় ।
ইকবাল মীরচি আর আনিস ইব্রাহিম এর মতো দেশদ্রোহী এজেন্টদের সাততারা হোটেলে মিটিং করতে দেখা যায় ।
সলমন খান , শাহরুখ খান , আমীর খান , সাঈফ আলী খান , নাসিরউদ্দিন শাহ, ফরহান আখতার ,
নওয়াজ উদ্দিন সিদ্দিকী, ফওয়াদ খানের মতো নাম থাকলে হিন্দি ফিল্মে সফলতা গ্যারান্টি ।
অক্ষয় কুমার , অজয় দেবগণ , আর ঋত্তীক রোশন এর মতো সফল কলাকারেরা এই দরিন্দাদের দু-চোখের কাটা।
টাব্বু হুমা কুরেশী , সোহা আলী খান আর জরিন খান এর মতো প্রতিভাশালী অভিনেত্রীদের কেরিয়ার জবরদস্তি শেষ করে দেওয়া হয় /হচ্ছে ৷ কেননা এরা মুসলিম বলে ৷ আর ইসলামী কাঠমোল্লাদের এদের কাজ "মজহব বিরোধী"
মনে করে । ফিল্মে কাহানি লেখার কাজও
"সলিম খান" আর "জাবেদ আখতার"
লিখলে সেই ফিল্ম সফল হবে, এটাও এদের
অধিকারের মধ্যেই পড়ে । যে কাহিনিতে একজন ভালো- ইমানদার মুসলমান ৷ একজন "পাখন্ডি" ব্রাহ্মণ ৷ একজন অত্যাচারী রাজা ও তার বলাতকারী ছেলে ক্ষত্রিয় ৷ একজন কালোবাজারি বৈশ্য ৷ একজন "রাষ্ট্রদ্রোহী" হিন্দু নেতা ৷ একজন "ভ্রষ্ট" পুলিশ অফিসার। আর একজন "গরীব" দলিত মহিলা এইগুলো থাকতে হবে এবং এটা "অনিবার্য " শর্ত ।
এই ফিল্মে "গীতিকার" এবং "সংগীতকার" ও "মুসলিম" আবশ্যিক ৷
তখনই এক গান মৌলার নামে হবে আর গায়ককে পাকিস্তান থেকেই আসতে হবে। এই "আন্ডারওয়ার্ল্ড" এর "আসল" পরিচয় জানুন ভারতবর্ষ তথা হিন্দুদের সুরক্ষিত রাখার জন্য হিন্দুসমাজকে সংগঠিত করুন ৷ তখনই আপনি রক্ষা পাবেন এবং আপনার ধর্মকে রক্ষা করতে পারবেন ৷

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০

লক্ষ_হিন্দু_হত্যা_করে_তিনি_হলেন_আকবর_দ্যা_গ্রেট 👑👑👑


লক্ষ_হিন্দু_হত্যা_করে_তিনি_হলেন_আকবর_দ্যা_গ্রেট 👑👑👑

 
 
 
 
 
লক্ষ_হিন্দু_হত্যা_করে_তিনি_হলেন_আকবর_দ্যা_গ্রেট 👑👑👑
১৫৫৬ খৃষ্টাব্দে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে ভাগ্যের পরিহাসে হিন্দু বীর বিক্রমাদিত্য হোমরাজ ওরফে হিমু বিজয়ের দোরগোড়ায় পৌছেও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হলেন। অতিশয় রক্তক্ষরনে মৃতপ্রায় সম্রাট হোমরাজকে বৈরাম খা হাত পা বাধা অবস্থায় আকবরের সামনে উপস্থিত করল। এই ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে সমকালীন মুসলমান ঐতিহাসিক আহম্মদ ইয়াদ্গার তারিখ–ই–আফগানা গ্রন্থে লিখেছেন– 👑সম্রাট হোমরাজকে ঐভাবে হাত পা বাধা অবস্থায় আকবরের সামনে উপস্থিত করে বৈরাম খা বলল– আজ প্রথম সাফল্যের এই শুভ মুহূর্তে আমাদের ইচ্ছা সম্রাটের মহান হস্ত তরবারির সাহায্যে এই বিধর্মী কাফেরের মস্তক ছিন্ন করুক। সেই অনুসারে সম্রাট তার মস্তক অপবিত্র দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করলেন। [Elliot & J.Dowson, V,pp-65-66]😒
 
 
51 মিনিট
 বিশ্ব সনাতন দর্শন ও সংস্কৃতি পরিষদ (SPC)-এর সদস্য এর সাথে শেয়ার করা হয়েছে
লক্ষ_হিন্দু_হত্যা_করে_তিনি_হলেন_আকবর_দ্যা_গ্রেট 👑👑👑
১৫৫৬ খৃষ্টাব্দে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে ভাগ্যের পরিহাসে হিন্দু বীর বিক্রমাদিত্য হোমরাজ ওরফে হিমু বিজয়ের দোরগোড়ায় পৌছেও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হলেন। অতিশয় রক্তক্ষরনে মৃতপ্রায় সম্রাট হোমরাজকে বৈরাম খা হাত পা বাধা অবস্থায় আকবরের সামনে উপস্থিত করল। এই ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে সমকালীন মুসলমান ঐতিহাসিক আহম্মদ ইয়াদ্গার তারিখ–ই–আফগানা গ্রন্থে লিখেছেন– 👑সম্রাট হোমরাজকে ঐভাবে হাত পা বাধা অবস্থায় আকবরের সামনে উপস্থিত করে বৈরাম খা বলল– আজ প্রথম সাফল্যের এই শুভ মুহূর্তে আমাদের ইচ্ছা সম্রাটের মহান হস্ত তরবারির সাহায্যে এই বিধর্মী কাফেরের মস্তক ছিন্ন করুক। সেই অনুসারে সম্রাট তার মস্তক অপবিত্র দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করলেন। [Elliot & J.Dowson, V,pp-65-66]😒
👑‘আকবর দি গ্রেট‘ নামের মোঘল সম্রাট যে কতখানি নিষ্টুর ও নৃশংস ছিলেন, আর একটি ছোট্ট ঘটনার মধ্য দিয়ে তা আরো সুন্দর ভাবে ফুটে ওঠে।–একদা আকবর বিকেলের নামাজ থেকে ফিরে চাকরদের ডাকাডাকি করতে লাগলেন। কিন্তু সাড়া দেবার মত কাছাকাছি কেউ ছিল না। আকবর খুব রেগে গেলেন। হঠাত তিনি দেখতে পেলেন যে, তার আসনের পাশে এক ছোকরা চাকর মেঝেতে শুয়ে অঘোরে ঘুমাচ্ছে। আকবর পেয়াদাদের ডেকে হুকুম দিলেন "এক্ষুনি একে মিনারের উপর থেকে নিচে ফেলে দাও"। পেয়াদারা তখনি তাকে আগ্রা দূর্গের উপর থেকে নিচে ফেলে দিল। এই ঘটনা বর্ননা করে--- মুসলমান ঐতিহাসিক আসাদ বেগ তার ‘বিকায়া‘ গ্রন্থে লিখেছেন, সিংহাসন ও কৌচের কাছে গিয়ে তিনি(আকবর) দেখতে পেলেন যে, বাতি জ্বালাবার এক হতভাগ্য চাকর কৌচের কাছে মেঝেতে সাপের মত কুন্ডুলি পাকিয়ে মরার মত ঘুমাচ্ছে। ক্রুদ্ধ আকবর সেই চাকরটাকেও মিনারের উপর থেকে নিচে ফেলে দিতে আদেশ দিলেন। তদনুসারে তাকে ছুড়ে ফেলা হল এবং তার শরীর হাজার টুকরা হয়ে গেল।
[Elliot & J.Dowson, VI,p-164]
ইনিই মহামতি আকবর, ইংরেজীতে বলা হয় ‘Akbar The Great‘👑😡
🎠১৫৬৭ খৃষ্টাব্দে আকবর মেবারের রাণা উদয় সিংহের বিরুদ্ধে অভিযান করেন এবং চিতোর দূর্গ অবরোধ করে দূর্গের দেওয়ালের নিকট বারূদ জমা করে প্রবল বিষ্ফোরণ ঘটানো হল। এতে প্রচীরের অংশ বিশেষ ধ্বংস হয়ে গেল। দূর্গ রক্ষার আর কোন উপায় না দেখে সেদিনই রাজপুত নারীরা জহর ব্রত অনুষ্টান করলেন। প্রায় ৩০০ রাজপুত নারী জ্বলন্ত আগুনে🔥 আত্মাহুতি দিলেন। দূর্গের মধ্যে তখন মাত্র ৮০০০ রাজপুত সৈন্য অবশিষ্ট ছিল। তারা প্রবল বিক্রমে যুদ্দ করে সকলেই প্রাণ দিলেন। সব মিটে গেলে পরদিন সকালে বিজয়ী আকবর হাতিতে চড়ে দূর্গে প্রবেশ করলেন। তখন দূর্গের মধ্যে ছিল ৪০ হাজার অসামরিক প্রজা। আশ্রয় নেওয়া ৪০ হাজার রাজপুত কৃষক প্রজার ভাগ্যে কি ঘটলো?
ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ লিখেছেন—🖋
‘দূর্গ অবরোধের সময় ঐ ৪০ হাজার (অসামরিক)কৃষক প্রজা রাজপুত বাহিনীর ৮০০০ সৈন্যকে যথাসাধ্য সাহায্য করেছিলেন। সে কারনে সম্রাট তাদের হত্যার আদেশ দিলেন। ফলে সেদিন ৪০ হাজার লোককে হত্যা করা হয়েছিল।
ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার লিখেছেন,🖋 সেদিন কত রাজপুত মারা পড়েছিল তার সঠিক সংখ্যা পাওয়া সম্ভব নয়। আবুল ফজল যে ৩০ হাজার সংখ্যা বলেছেন তা তো শোনা কথা, দেখা নয়, প্রকৃত সংখ্যা ৫০ হাজার, ৮০ হাজার, এক লাখ বা তারও বেশি হওয়া বিচিত্র নয়।
সব থেকে মজার ব্যপার হল, এই ঘটনার শেষাংশ আমাদের সকল ঐতিহাসিকই সযত্নে এড়িয়ে গেছেন। কত রাজপুত সেদিন মারা পড়েছিল তা জানতে সম্রাটের খুব ইচ্ছা হয়। কিন্তু অত মৃতদেহ গুনবে কে? শেষে সম্রাটের আদেশে সব মৃত দেহের পৈতা খুলে আনা হল এবং দাড়িপাল্লায় ওজন করা হলে মোট ওজন দাড়ালো সাড়ে চুয়াত্তর মণ।😒
ভিনসেন্ট স্মিথ লিখেছেন🖋 “The recorded amount was 74.50 mans of about eight ounce each. (V.A. Smith, ibid-91)”
কাজেই প্রতিটি পৈতার ওজন ৮ আউন্স হলে কত হাজার বা কত লক্ষ পৈতা জড়ো করলে সাড়ে চুয়াত্তর মণ হয় তা অনুমান করা কঠিন কাজ নয়। এর সঙ্গে যোগ করতে হবে মহিলা ও শিশু, যাদের পৈতা ছিল না।
পরবর্তী কালে সম্রাট আওরঙ্গজেব হুকুম জারী করেন যে, প্রত্যেক দিন এমন সংখ্যক হিন্দু হত্যা করতে হবে যাতে তাদের পৈতা জড়ো করলে সোয়া এক মণ হয় এবং এই পরিমাণ পৈতা এনে রোজ তাকে দেখাতে হবে। উত্তর ভারতে প্রতিটি পৈতার ওজন তিন আউন্স। সে হিসেবে প্রতিদিন ২৪ হাজার হিন্দু হত্যা করা হত।
👑সম্রাট আকবরের ঔরসে ও তার হিন্দু স্ত্রীর গর্ভের সন্তানের নাম সেলিম। তিনি সম্রাট আকবরের পর ‘নুর উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বাদশাহ গাজী’ উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে বসেন। তার স্ত্রীও ছিলেন হিন্দু, অথচ তিনি গাজী (কাফের হত্যাকারী) উপাধি ধারণ করে তার রাজ্যে মন্দির নির্মান নিষিদ্ধ করেছিলেন।😡
🖋আমাদের কোন কোন লেখক আকবরের হিন্দু কন্যা বিবাহ ও তার পুত্র এবং উজির-নাজির সহ কর্মচারীদের হিন্দু কন্যা বিবাহে পুলকিত হয়ে উচ্ছ্বসিত প্রসংসা করেছেন। কেউ কেউ আকবরকে ধর্মনিরপেক্ষতার অবতার বানিয়ে ছেড়েছেন। কিন্তু যে সব মেয়েকে মোঘল হারেমে যেতে হয়েছে, সেই সব হতভাগ্যদের জন্মদাতা পিতারাই জানেন আকবরের সঠিক অবস্থান কোথায় ছিল।😓
👑সম্রাট আকবর প্রতিটি অভিজাত হিন্দু পরিবার থেকে কন্যা সংগ্রহ করেছেন। তার হারেমে ৫০০০ হিন্দু কন্যা ছিল। হিন্দু মেয়ে সংগ্রহ করে তিনি উদার হয়েছিলেন; কিন্তু কোন মুসলমান মেয়ে হিন্দু পরিবারে বিয়ে দিয়ে উদারতা দেখাননি। হিন্দু পরিবারের ভিত নষ্ট করে, তাদের এ আত্মগরিমা ধ্বংস করে, তাদের ইসলামে টেনে আনাই ছিল তার উদ্দেশ্য। আর এ কারনেই সম্রাট আকবর তার সারা জীবনে যতগুলি অভিযান পরিচালনা করেছিলেন, আর সবগুলিই ছিল হিন্দু রাজাদের বিরুদ্ধে। নবীজীই এই বিধান দিয়ে গেছেন।
আমাদের এক আহম্মক লেখক🖋 দীনেশচন্দ্র সেন হিন্দু কন্যা মুসলমানদের ভোগে লাগায় উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে বলেছেন, এতে মুসলমান ও হিন্দুর মধ্যে মেল বন্ধন দৃঢ় হয়। কিন্তু মূর্খটা ইতিহাস পড়েনি; পড়লে জানতো আকবরের ছেলে জাহাঙ্গীর হিন্দু মায়ের সন্তান হয়েও গুরু অর্জুনকে প্রাণদন্ডে দন্ডিত করেছিলেন। তার– “মনের বাসনা হয় যত হিন্দু পাই, সুন্নত দেওয়াই আর কলেমা পড়াই।”(চৈতন্য ভাগবত, ২য় ভাগ, পৃ-১৮৮)
এরপর… নিজ কন্যার সাথে অবৈধ সম্পর্ক ছিল সম্রাট শাহজাহানের۔۔۔۔۔۔۔۔😬
“যদি কোনো গবেষক উপরোক্ত তথ্যাবলীর মধ্যে একটিও ভূল বলে প্রমান করতে পারেন, তাহলে তার কাছে চিরদিনের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব।“۔۔۔۔۔۔۔۔۔۔🙏
------------------------------------------------------------------------------
হারামজাদাটাকে জানলাম !
ছবিতে থাকতে পারে: 1 জন, চশমা
প্রণব কুমার কুণ্ডু

বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০

ভিক্ষা কোরো না - দান নেওয়াও বন্ধ করো !


ভিক্ষা কোরো না - দান নেওয়াও বন্ধ করো !


 বীজমন্ত্র

“আমি উপলব্ধিতে যা পেয়েছি, তাতে আমার দৃঢ়বিশ্বাস হয়েছে যে, মানুষকে অতি সহজে, অতি ছোটখাটো কথায় বেশী এগিয়ে দেওয়া যায়। আমি কয়েকটি কথাকেই জীবনের উন্নতির বীজমন্ত্র স্বরূপ ধরে নিয়েছি। তোমরা বিশ্বাস করে চলে দেখ, তাতে কি আশ্চর্য্য ফল!
“যোগ্যতা অর্জন হলে কেউ কাউকে বন্ধন-দশায় ফেলে রাখতে পারে না। সন্ন্যাসের মাঝে ব্যক্তিত্বকেই উচ্চস্থান দেওয়া হয়েছে। নিজকে জান্‌তে পারলে কোন বিধি-নিষেধ, নিয়মকানুন থাকে না। তখন তুমি ‘পিঞ্জরাদিব কেশরী’র মত মুক্ত হয়ে গেলে! কিন্তু নিজকে জানা, নিজকে সত্য করে পাওয়া, এ অত্যন্ত কঠিন কথা। আমরা আমাদের আসল স্বরূপের সন্ধান পাই বহু কষ্টের ভিতর দিয়ে, বহু কৃচ্ছ্র সাধনার ভিতর দিয়ে। নিজের ভেতরকার মালিন্য নিঃশেষে ধুয়ে-মুছে না গেলে স্বরূপের সন্ধান মিলে না। আসল কথা, নিজের ভিতরকার ময়লাকে দূর করা। গা-বাঁচিয়ে চলাতে নিজের উন্নতি হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখি, নিজের আলস্য-জড়তাকে প্রশ্রয় দিয়ে ধর্মানুভূতি লাভের দরুন তোমরা ব্যাকুল হয়ে ওঠ, কিন্তু এ ব্যাকুলতায় কোন ফল নেই। কৃপা লাভ করে কয়জন তোমরা সে কৃপার তাৎপর্য হৃদয়ঙ্গম কর্‌তে পেরেছ? এমন অনেকবার দেখেছি, আমি যাকে ভাল বলে একবার সার্টিফিকেট দিয়ে যাই, এরপর থেকেই সে আমার ভাল বলার মর্য্যাদা সুদে-আসলে আদায় করে সাঙ্গ করে দেয়। এর কারণ কি? এ কি আমার দোষ? একটু নিবিষ্টচিত্তে চিন্তা করে দেখলেই বুঝতে পারবে, তোমাদের মাঝে কত অভিমান, কত পুঞ্জীভূত কুসংস্কারের পুঁজি রয়েছে। আমি ভাল বল্‌লে তখন আর তোমাদের ভাল হবার চেষ্টাটা আগের মতন থাকে না, তখন কেবল তোমরা আমার সার্টিফিকেট নিয়েই গর্ব করে বেড়াও। আমার ভাল বলার উদ্দেশ্য— তোমরা আরও ভাল হও, উন্নত হও। কিন্তু ভাল বলার ফল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উলটো দাঁড়িয়ে যায়।
“আমি স্বাধীনতার পক্ষপাতী। ভিক্ষা করতে গিয়ে কত জায়গায় যে অপদস্থ হয়েছি আমি, তা আর তোমাদের কি বলব? নিজে ভুক্তভোগী বলেই তোমাদের আর সে-পথে চল্‌তে না হয় তারই আপ্রাণ চেষ্টা রয়েছে আমার। আমি চাই, তোমরা সব দিকে স্বাধীন হয়ে ধর্মপথে উন্নত হও। তোমাদের যা প্রয়োজন, তা তোমরা নিজেরা করে নাও। কারও কাছে যেন তোমাদের হাত পাত্‌তে না হয়। এইজন্যেই তোমাদের কর্ম করা। কিন্তু এই কর্মের মাঝেও অভিমান এসে পড়ত, যদি তোমরা আমাকে সব সমর্পণ না করে দিতে। একবার ভেবে দেখ তো, কর্ম করানো কি আমার কোন উদ্দেশ্যসিদ্ধি বা স্বার্থের দরুন, না তোমাদেরই সুযোগ-সুবিধা-উন্নতির দরুন?
“কোনদিক দিয়ে আমি তোমাদের দুর্বলতা দেখতে চায় না। ভিক্ষাটাকে সবাই হীনচক্ষে দেখে। কেন,— তোমরা যুবক, তোমাদের শক্তি-সামর্থ্য রয়েছে, পরের দুয়ারে তোমরা ভিক্ষা কর্‌তে যাবে কেন? পরের সাহায্য নিয়ে আধ্যাত্মিক পথেও স্বাধীনভাবে চলা যায় না। এর চেয়ে নিজের শ্রমদ্বারা অর্জিত যা, তা নিয়ে সগৌরবে সাধন-পথে উন্নত হওয়া যায়! আমি তোমাদের সব দিক থেকে স্বাধীন দেখতে চায়।
“আমি টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করে তোমাদের দালান তুলে দিতে পারি, কিন্তু এতে হবে কি? এর চেয়ে আস্তে আস্তে অতি ধীরে ধীরে নিজের চেষ্টার ভিতর দিয়ে তোমরা সফলতা লাভ কর। তোমরা নিজেরা কৃষি কর। ক্ষেতের বড় বড় বেগুন, কুমড়ো, লাউ ইত্যাদি তরি-তরকারি দেখে আমার যে কি আনন্দ হয়, তা আর বলবার নয়। অথচ ইচ্ছা কর্‌লে পয়সা দিয়ে কিনেও যাতে এসব জিনিস তোমরা আনতে পার, তার ব্যবস্থা করে দিতে পারি আমি। কিন্তু এই প্রশ্রয়টুকু দিলে তোমরা নিজেরা আর কিছু করতে না।

‘শ্রীশ্রীনিগমানন্দ উপদেশামৃত’ থেকে

সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০

তিলি তাঁতি কামার কুমোর প্রভৃতিরা সৎশূদ্র


তিলি তাঁতি কামার কুমোর প্রভৃতিরা সৎশূদ্র












প্রণব কুমার কুণ্ডু



তিলি তাঁতি কামার কুমোর প্রভৃতিরা সৎশূদ্র !

সৎশূদ্র : যাদের কাছ থেকে, উচ্চতর জাতের লোকজন, খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ করতে পারত !

এই সৎশূদ্রদের গুণ ও সঙ্গতি দেখে, বল্লাল সেন, তাসের মধ্যের শ্রেষ্ঠ লোকদের 'কুলীন' উপাধি দিয়েছিলেন ! অর্থাৎ কুলীন করেছিলেন !
তারাই 'মানী' বা 'পরামানিক' নামে পরিচিত হয় !

 সেই সময়ে প্রতি ছত্রিশ বছরের 'গেরো'তে, কৌলীন্য পরিবর্তন হোত !
বল্লাল সেনের নিয়মে, প্রতি ছত্রিশ বছর শেষে, কৌলীন্যপ্রথা, একবার ঝাড়াইবাছাই হোত ! এবং তাতে, গুণ কর্ম ও দোষ অনুযায়ী, কুলীন ও 'অকুলীন' নির্ধারিত হোত !
ফলে ভালোরা আরও ভালো, আরও ধার্মিক ও আরও গুণবান হওয়ার চেষ্টা করতো !

বল্লাল সেনের সেই আশা, প্রথম প্রথম সফল হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তিতে, লক্ষ্মণ সেনের আমলে, তা, বংশানুক্রমিক হয়ে যায় !

কুলীন ব্যবস্থা, পঞ্চদশ শতাব্দর শুরু থেকে অষ্টাদশ শতাব্দর শেষ অবধি, সুদীর্ঘ চারশ বছর, এই বল্লালি কুলমর্যাদা চালু ছিল !

রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০

সাংখ্যতত্ত্ব ( সাত )


সাংখ্যতত্ত্ব ( সাত )











প্রণব কুমার কুণ্ডু



সাংখ্যতত্ত্বের দার্শনিকেরা পরিণামবাদী।
তাঁদের মতে, জগৎ হলো প্রকৃতির পরিণাম।
প্রকৃতি জগতের উৎপত্তির উপাদান ও মূল কারণ।
জগতের প্রত্যেক বস্তু ও জগতের প্রত্যেক বিষয়েরও মূল কারণ প্রকৃতি।

সৃষ্টির পূর্বে জগৎ প্রকৃতির মধ্যে অব্যক্ত অবস্থায় থাকে।
পুরুষের উপস্থিতিতে এবং অবস্থিতিতে, প্রকৃতি ও পুরুষের মধ্যে আবেশের ( induction ) মাধ্যমে, জগতের অভিব্যক্তি হয়।
তাই থেকে জগতের সৃষ্টি।

শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০

ওঁ সহনা ভবতু



ওঁ সহনা ভবতু

ওঁ সহনা ভবতু - ঈশ্বর আমাদের
রক্ষা করুন
সহনৌভূনক্তু - আমরা সকলে সুখ
ভোগ করব
সহবীর্যং করবাবহৈ- একে অপরের
লাভ হেতু প্রয়াস করব
তেজস্বীনা বধীতমস্তু- আমাদের
সারা জীবন তেজ দ্বারা পূর্ণ
হউক
মা বিদ্বিষা বহৈঃ - পরস্পরের
প্রতি কোন দ্বেষ অথবা ঈর্ষা না
থাকে।