রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ। মানবজাতির শিরোমণি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিন। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল ইসলামের শেষ নবী (সা.) আরবের মরু প্রান্তরে মা আমিনার কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে মাত্র ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। দিনটিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী বা সিরাতুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন সারা বিশ্বের মুসলমানরা।
একটা সময় পুরো আরবজাহান ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। মানুষ হয়ে পড়েছিল বেদীন। তারা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়ে। সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। মারামারি আর হানাহানিতে লিপ্ত ছিল মানুষ। মূর্তি পূজা করত। এ যুগকে বলা হয় ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’। এ থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে, তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতায়ালা হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে এ ধরাধামে পাঠান।
ফেসবুক থেকে শেয়ার করেছেন : প্রণব কুমার কুণ্ডু।
লেবেলসমূহ:
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)
শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯
আমার স্ত্রী
বিশ্বসৃষ্টির শুরুতে
লেবেলসমূহ:
বিশ্বসৃষ্টির শুরুতে
বেদবতী
বেদবতী
বেদবতী।
পিতা।
দেবগুরু বৃহস্পতির পুত্র মহাত্মা এবং রাজর্যি ( ঋষির মতন জীবনযাপনকারী ) কুশধ্বজ।
এই বেদবতী, তাঁর পিতা কুশধ্বজের বেদাভ্যাস চলাকালীন, বাঙ্ময়ী মূর্তিতে প্রকাশিত হন !
সেইজন্য কন্যাটির নাম বেদবতী !
বেদবতী সর্বাঙ্গসুন্দরী কন্যা ! রূপলাবণ্যে অলোকসামান্য।
বেদবতীর বিবাহযোগ্য কাল উপস্থিত হলে, দেবতা, গন্ধর্ব, যক্ষ, রাক্ষস, ও পন্নগেরা, কুশধ্বজের কাছে এসে, মেয়েটিকে বিবাহ করতে 'প্রার্থনা' করে, কিন্তু কুশধ্বজ তাদের কাউকেই কন্যা সম্প্রদান করতে সম্মত হন নি !
কুশধ্বজের অভিপ্রায় ছিল, দেবপ্রধান ত্রিলোকীনাথ ভগবান বিষ্ণু, তাঁর জামাতা হন !
পরে বলদীপ্ত দৈত্যরাজ শুম্ভ, কুশধ্বজের এই সুদৃঢ় সংকল্পে যারপরনাই কুপিত হয়ে, একদিন রাতে, কুশধ্বজের নিদ্রিত অবস্থায়, তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে !
তাই বেদবতীর জননী, একান্ত শোকাকুল ও বিহ্বল হয়ে, কুশধ্বজের মৃতদেহ আলিঙ্গন করে, জ্বলন্ত চিতা্য় আরোহণ করে প্রাণ বিসর্জন করেন !
এরপরে বেদবতী, তাঁর পিতার মনোগত ইচ্ছা সিদ্ধ করার জন্য, কঠোর তপস্যায় ব্রতী হয়েছিলেন।
তিনি মুনিব্রত ( চান্দ্রায়ণাদি তাপসব্রত ) অবলম্বন করে দীপ্ত দেবতার মতন তপস্যা করতেন।
বেদবতীর মাথায় ছিল জটাভার, পরিধানে কৃষ্ণাজিন ( কৃষ্ণসার হরিণের চামড়া )।
পরম দেবতা শ্রীশ্রীনারায়ণকে বেদবতী স্বামী হিসাবে পেতে চেয়েছিলেন !
নারায়ণ তথা শ্রীবিষ্ণু বিশ্বরাজ্যের রাজা !
ভারতের সকল মানুষের পূজনীয় !
হিমালয় পর্যটনকালে, রাবণ ঐ কন্যাকে কোন এক অরণ্যে দেখতে পেলেন।
দেখে রাবণের যৌন আকাঙক্ষা জেগে উঠল !
কামার্ত রাবণ বলপূর্বক বেদবতীর চুলের গোছা ধরে টান দিল ! বেদবতীকে ধর্ষণ করতে চাইল !
বেদবতী তার চুলের গোছা, রাবণের হাত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে, তাঁর দেহবিসর্জনের জন্য, ক্রোধানলে চিতা জ্বালিয়ে নিজেকে দগ্ধ করে দিলেন !
বেদবতীর অগ্নিপ্রবেশ ঘটল !
বেদবিতী এর পরে রাবণ এবং 'রাবণদের' বিনাশের জন্য, পুনঃ-পুনর্বার জন্মাবেন !
বেদবতী কোনো ধার্মিকের অযোনিজা কন্যারূপে জন্মগ্রহণ করবেন !
নাম নেবেন 'সীতা' !
রাম সাক্ষাৎ সনাতন বিষ্ণু !
সীতার সাথে রামের বিবাহ হবে !
অগ্নিশিখার মতো বেদবতী মর্ত্যলোকের হলকর্ষিত ক্ষেত্রে পুনঃ পুনঃ উৎপন্ন হবেন !
* বাল্মীকি রামায়ণ, হেমচন্দ্র ভট্টাচার্যের অনুবাদ।
প্রণব কুমার কুণ্ডু
শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৯
মোদির বারাণসীতে দূষণের ছোবল, মাস্কে মুখ ঢাকলেন স্বয়ং ভগবান
'বর্তমান'-এর খবর
মোদির বারাণসীতে দূষণের ছোবল,
মাস্কে মুখ ঢাকলেন স্বয়ং ভগবান
সিগরা (বারাণসী), ৬ নভেম্বর: দূষণের হাত থেকে বাঁচতে মাস্কে মুখ ঢাকলেন স্বয়ং ভগবানও! এই নিয়ে দেবভূমি বারাণসীতে এখন হইচই কাণ্ড। তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। ভাইরাল হল মাস্ক পরিহিত দেবদেবীর ছবিও। দেবদর্শনে গিয়ে খানিক হোঁচটও খেতে হচ্ছে পুণ্যার্থীদের। শুধু কালীকে নিয়ে খানিক বিপাকে পড়েছেন বারাণসীর পুরোহিতরা। দূষণরোধী মাস্কে মুখ ঢাকতে পারছেন না কালী। জিভ বাদ রেখে তো আর মুখ ঢাকা যায় না! তাই অনেক চেষ্টার পর পিছু হটতে বাধ্য হয়েছেন পুরোহিতরা। আপাতত মাস্ক ছাড়াই শিব-দুর্গার সঙ্গে মন্দিরে বিরাজ করছেন কালী। তার চেয়েও বড় কথা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসী। সেখানেই কিনা দূষণ-বিষে আক্রান্ত শিব-দুর্গা থেকে লক্ষ্মী-গণেশ! মায় সাঁইবাবাও! যা নিয়ে নেটিজেনদের তীর্যক সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে মোদিকে।
দীপাবলির রাতে দেদার বাজি পুড়েছে দেবভূমে। তার রেশ চলছেই। তার উপর গত এক সপ্তাহে বাতাসে বেড়েছে ধূলিকণা ও নাড়া পোড়ানোর ধোঁয়া। ফলে গোটা উত্তর ভারতের সঙ্গে বারাণসীর আকাশও ভারী হয়েছে দূষণে। দিল্লিবাসীর মতোই মাস্ক পরে ঘুরতে হচ্ছে কাশীর বাসিন্দাদের। সেক্ষেত্রে দেবতারাই বা কেন বাদ থাকবেন? সেই কারণেই বারাণসীর সিগরাতে অবস্থিত শিব-পার্বতীর মন্দিরে অধিষ্ঠাত্রী সব বিগ্রহের মুখেই দুষণরোধী মাস্ক পরিয়ে দিয়েছেন পুরোহিত ও ভক্তরা। মন্দিরের পুরোহিত হরিশ মিশ্র বুধবার বলেছেন, ‘মানুষের মতোই আমাদের দেবদেবীও অনুভূতি প্রবণ। মরশুম অনুযায়ী তাঁদের অনুভূতির তারতম্য ঘটে। আনন্দ, দুঃখ-বেদনা, স্বাচ্ছন্দ্যবোধও দেবতারা বুঝতে পারেন। তাই শীতকালে উলের পোশাক দিয়ে দেবতাকে ঢেকে দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। গ্রীষ্মেও তাঁদের স্বাচ্ছন্দ্য দিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এবার দূষণের হাত থেকে রেহাই দিতে দেবদেবীর মুখে মাস্ক পরনোর সিদ্ধান্ত। দেবতাদের ভালোমন্দের উপর নজর রাখাও সেবার মধ্যেই পড়ে।’
শিব-পার্বতীর মন্দিরে একাধিক দেবদেবীর বিগ্রহ রয়েছে। লক্ষ্মী, গণেশ, সরস্বতী থেকে কালী। আবার রয়েছে সাঁইবাবার মূর্তিও। এদিন প্রায় প্রতিটি বিগ্রহের মুখ ঢাকা ছিল মাস্কে। তবে কালীর মাস্ক পরাতে গিয়ে ব্যর্থ হন পুরোহিতরা। মিশ্র জানিয়েছেন, ভক্তদের অনুরোধ মেনে কালীর মুখেও মাস্ক পরানোর চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু কালীর জিভ বেরিয়ে থাকায় তা আর সম্ভব হয়নি। পরে ঠিক করা হয় মাস্ক ছাড়াই কালী বিরাজ করবেন মন্দিরে। এরই পাশাপাশি, বারাণসীর দূষণ বৃদ্ধি নিয়েও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মিশ্র। তিনি বলেছেন, ‘আমরা প্রত্যেকেই আজকের এই দূষণের জন্য কমবেশি দায়ী। এই তো দীপাবলির রাতে কী হারে যে বাজি পুড়েছে, তার কোনও ইয়ত্তা নেই! নিজেরা সচেতন না হলে দূষণ কিন্তু ছেড়ে কথা বলবে না।'
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


