শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

পাখি ( চার )


     পাখি ( চার )

     ফেসবুক থেকে       শেয়ার করেছেন          প্রণব কুমার কুণ্ডু

Biswajit Ghosh এতে Indian Birds

Indian paradise flycatcher (Terpsiphone paradisi)
The Indian paradise flycatcher (Terpsiphone paradisi) is a medium-sized passerine bird native to Asia that is widely distributed. As the global population is considered stable, it has been listed as Least Concern on the IUCN Red List since 2004. It is native to the Indian subcontinent, Central Asia and Myanmar.
Males have elongated central tail feathers, and a black and rufous plumage in some populations, while others have whi...
আরো দেখুন


সাঁওতাল রমণী জ্যোৎস্না সোরেন-এর আঁকা চিত্র


     সাঁওতাল রমণী জ্যোৎস্না সোরেন-এর আঁকা চিত্র

      ফেসবুক থেকে        শেয়ার করেছেন         প্রণব কুমার কুণ্ডু

যদিও পোস্ট টি ইতিহাসের সাথে মানানসই নয়।
তবু খুব ভালো লেখা এবং খুব সুন্দর চিত্র খানা।
তাই পোস্ট করিলাম। ভালো না লাগিলে অযথা রাগারাগি করিবেন না, আমার বিনীত অনুরোধ।
আমি
-------********———
জ্যোৎস্না সোরেন ৷
আমি এক সাঁওতাল রমনী,
অলচিকি যার হরফ.....
ভাষা যার সাঁওতালী
খেরওয়াল যার জাতি ৷৷
যাদের সস্তা পোষাক দেখে,
তোমরা ব্যাঙ্গাত্বক হাসি হাসো ৷
যাদের গায়ের রং দেখে ;
পাথুরে কয়লার কথা ভাবো ৷৷
আমি সেই মেয়ে,
তাচ্ছিল্য করে যাদের মেজেন বলো,
অফিসের ভাত ঘুমে--
অথবা রাতের সোহাগী বাতাসে ,
যার ডাগর গতর কামনা করো ৷৷
আমি সেই মেয়ে ,
তোমাদের তুলতুলে দেবী মুখ সরিয়ে ,
ড্রয়িং রুম শোভা করি ;
চিত্রশিল্পীর নিখুঁত তুলির টানে ৷৷
আমি সেই মেয়ে ---
বাসে, ট্রেনে ,ট্রামে--
যার পাশে দুরত্ব রেখে বসো ৷
অথচ লোলুপতার লক্ লকে জিভ দিয়ে ,
আমার শরীরের প্রতিটি ভাঁজ খোঁজো ৷৷
আমি সেই মেয়ে --
বাজরার রুটি খেয়েও ,
মরদের চ্যাটালো হাতের সোহাগে ,
হয়ে উঠি লাজুক বেলকূঁড়ি ৷
আবার কখনো বা --
জলন্ত অঙ্গারের মতো ,
মশাল হয়ে জ্বলে উঠি ৷৷
আমি হাঁটছি শান্ত পায়ে --
আর আমার গোড়ালির নরম চাপে ,
খিল খিল করে ভেঙে পড়ছে আহ্লাদি মাটি ৷
আমি যেন স্পষ্ট দেখতে পাই ,
দেশের ভিটেয় মাটি নিয়ে - -
মৃন্ময়ী গড়ছেন কুমোর দাদু ৷
সে মেয়ের পরনে লাল শাড়ি ,
সিঁথি আর কপালে থেবড়ে মেটে সিন্দুর ৷
পায়ের ওপর পাতায় পদ্ম ,
হাতের চেটোয় মেহেদি মাখা ৷৷
আমি সেই মেয়ে --
ছায়া আর রোদ্দুরের ডুরে শাড়ি পরে ,
কুলকুল শব্দে মিশে যাচ্ছি ;
ডুলুং গাডার জলে ৷৷
মধ্যরাতের জলকষ্ট পেরিয়ে ,
বসবো নদীর পৈঠায় -
উসুম উসুম মাটিতে লিখবো,
আমার প্র পিতামহদের ইতিহাস ৷৷
আমি সেই মেয়ে --
যার আধখানা জীবন পুড়ে গেছে ,
তোমার আর তোমাদের---
কামিনগিরির কাজে ৷৷
বাকি আধখানা জীবন নিয়ে ,
বাঁচার স্বপ্ন দেখি ৷৷
তোমাদের লাঞ্ছনার প্রহর পেরিয়ে ,
মুক্ত প্রকৃতির বুকে কান পাতি ৷
ও নদী,আমাকে দাও....
ইচ্ছেমতির ঢেউ ৷
অবগাহন আর প্রক্ষালনে...,,,
আমাকে তোমার করে নাও ৷৷
রক্তাক্ত ইতিহাসের অবদমনের পথ পেরিয়ে ,
সংগ্রামী চেতনার বারতা ছড়িয়ে ...
আমার "অলচিকি" হরফে ,
আসবে পাখি ডাকা সকাল
আমাকে সম্পূর্নতা দিতে "৷৷
জোঁহার
জ্যোৎস্না সোরেন ৷৷

পোষ্ট ভালো লাগলে লাইক করুন নারী কথা - Voice For Women...



আজাদ হিন্দ ব্যাঙ্কের ছাপানো কয়েকখানা নোটের প্রতিলিপি


     আজাদ হিন্দ ব্যাঙ্কের ছাপানো কয়েকখানা নোটের প্রতিলিপি


 
     ফেসবুক থেকে       শেয়ার করে্ছেন          প্রণব কুমার কুণ্ডু




আজাদ হিন্দ ব্যাঙ্ক এবং তাতে ছাপানো কিছু নোট 🙂
21 Oct 1943 তারিখে সুভাষচন্দ্র বসু আজাদ হিন্দ-এর আঞ্চলিক সরকার গঠন করেন এবং পরবর্তীকালে 23 Oct 1943 তারিখে বসু ব্রিটিশ রাজ ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
বার্মা র রেঙ্গুন এ 1944 সালের 5 Apr প্রতিষ্ঠিত হয় 'আজাদ হিন্দ ব্যাঙ্ক'।
আজাদ হিন্দ ব্যাঙ্ক এ নানান মূল্যের টাকা ছাপানো হয়েছিল।

এখানে তার কিছু নমুনা




শহীদ মাস্টার দা সূর্য সেন-এর ওপর অত্যাচার


শহীদ মাস্টার দা সূর্য সেন-এর ওপর অত্যাচার



ফেসবুক থেকে         শেয়ার করেছেন         প্রণব কুমার কুণ্ডু

বৃহস্পতিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৮

মান্না দের গৃহ বন্দিত্ব



   মান্না দের গৃহ বন্দিত্ব


   ফেসবুক থেকে           শেয়ার করেছেন                প্রণব কুমার কুণ্ডু


শেষ জীবনে মান্না দে...॥
মুম্বাই ছেড়ে যাবার সময় মান্না দে বলেছিলেন,' ছোট মেয়ে সুমিতা বেঙ্গালুরুতে কিছু কাজ-টাজ করতে চায়। তাই আমরাও চলে যাচ্ছি। ওকে তো আমরা একা ছেড়ে দিতে পারিনা'।
তারপর ?
আরতি মুখোপাধ্যায় জানাচ্ছেন 'দিনের পর দিন ফোন করেছি। বেজে গেছে শুধু। কেউ ফোন ধরতো না। একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় গায়িকা শুনলাম মান্নাদার জন্মদিনে ওর বাড়িতে দেখা করতে গিয়ে শেষমেশ বাড়িতে ঢুকতে না পেরে জানালা থেকে শুভেচ্ছা আর প্রণাম জানিয়ে চলে আসেন'। কেন ??
যে মান্না দে ভোরবেলা রেওয়াজ ছাড়া ভাবতেই পারতেন না শেষ জীবনে তার কাছে একটা হারমোনিয়াম পর্যন্ত ছিলনা !!!!
মান্না দের বহু গানের মিউজিক আরেঞ্জার হিসেবে কাজ করেছেন শান্তনু বসু। স্ত্রী সুলোচনার মৃত্যুর পর মান্না দে একদিন ফোন করলেন তাকে,' সুলুকে উৎসর্গ করে কয়েকটা গান করব ঠিক করেছি। তোমার হেল্প চাই'। তারপরেই বললেন,' দেখো,এই সময় আমার গানতো খরচা করে কেউ করবেনা। তুমি আমাকে বলো,আমি যদি আটটা গান করি,কত খরচ হতে পারে'?
ভাবা যায় ?
শেষ পর্যন্ত অবশ্য মহুয়া লাহিড়ী এগিয়ে এসেছিলেন সেই রেকর্ড করার জন্য। এই রেকর্ডের কাজেই বেঙ্গালুরু পৌঁছে শান্তনু বসু ফোন করলেন মান্নাদেকে, তিনি জিজ্ঞেস করলেন,'কাল তুমি কখন আসবে?' একটু অবাক হয়ে শান্তনু বসু বললেন,'দাদা আমি তো আজই আপনার সঙ্গে গান নিয়ে বসবো বলেই দুপুরে চলে এলাম। আমি যদি পাঁচটা-ছটা নাগাদ যাই'। একটু ইতস্তত হয়ে মান্না দে জবাব দিলেন,'আজ তো চুমু (ছোট মেয়ে সুমিতা) কাজে চলে যাবে। তুমি কাল এসো'।
শান্তনু বসু বললেন,'কাউকে লাগবেনা দাদা। আমি আর আপনি হলেইতো হবে'। তিনি তাও বললেন 'অসুবিধে আছে'। শান্তনু বসু নিশ্চুপ। এবার তিনি নিজেই অস্বস্তির সঙ্গে বললেন 'আমাকে তো তালাবন্ধ করে চাবি নিয়ে ও কাজে চলে যায়। আবার রাত বারোটা সাড়ে বারোটা নাগাদ আসে'। স্তম্ভিত শান্তনু বসু বললেন 'দাদা, এভাবে'!! 'আর বোলো না,আর বোলো না। আমার জীবনটা শেষ হয়ে গেল, আর বাঁচতে ইচ্ছে করেনা '। বলেই হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন মান্না দে।
ইনি সেই মান্না দে যিনি নিজের সারাটা জীবন উৎসর্গ করেছেন আমাদের গান শোনাতে। ইনি সেই মান্না দে যিনি উপমহাদেশের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ গায়কদের একজন!!
কে জানে শেষ জীবনে কার কি লেখা আছে 

কোরানের নির্দেশ










কোরানের নির্দেশ


কোরআন-এর চারটি বাণী

অজানা তথ্য   তার প্রথম পোস্ট                                        
ফেসবুক থেকে  শেয়ার করেছেন        প্রণব কুমার কুণ্ডু

����জিহাদি গ্রন্থ কোরানের কিছু শান্তির বাণী �����


অমুসলিম বনাম মুসলিম এর প্রতি আল্লার আচার আচরণ ।


সুরা আন নিসা।

4:89)

ﻭَﺩُّﻭﺍْ ﻟَﻮْ ﺗَﻜْﻔُﺮُﻭﻥَ ﻛَﻤَﺎ ﻛَﻔَﺮُﻭﺍْ ﻓَﺘَﻜُﻮﻧُﻮﻥَ ﺳَﻮَﺍﺀ ﻓَﻼَ ﺗَﺘَّﺨِﺬُﻭﺍْ ﻣِﻨْﻬُﻢْ ﺃَﻭْﻟِﻴَﺎﺀ ﺣَﺘَّﻰَ ﻳُﻬَﺎﺟِﺮُﻭﺍْ ﻓِﻲ ﺳَﺒِﻴﻞِ ﺍﻟﻠّﻪِ ﻓَﺈِﻥ ﺗَﻮَﻟَّﻮْﺍْ ﻓَﺨُﺬُﻭﻫُﻢْ ﻭَﺍﻗْﺘُﻠُﻮﻫُﻢْ ﺣَﻴْﺚُ
 ﻭَﺟَﺪﺗَّﻤُﻮﻫُﻢْ ﻭَﻻَ ﺗَﺘَّﺨِﺬُﻭﺍْ ﻣِﻨْﻬُﻢْ ﻭَﻟِﻴًّﺎ ﻭَﻻَ ﻧَﺼِﻴﺮًﺍ
তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না।


(4:90)

ﺇِﻻَّ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳَﺼِﻠُﻮﻥَ ﺇِﻟَﻰَ ﻗَﻮْﻡٍ ﺑَﻴْﻨَﻜُﻢْ ﻭَﺑَﻴْﻨَﻬُﻢ ﻣِّﻴﺜَﺎﻕٌ ﺃَﻭْ ﺟَﺂﺅُﻭﻛُﻢْ ﺣَﺼِﺮَﺕْ ﺻُﺪُﻭﺭُﻫُﻢْ ﺃَﻥ ﻳُﻘَﺎﺗِﻠُﻮﻧَﻜُﻢْ ﺃَﻭْ ﻳُﻘَﺎﺗِﻠُﻮﺍْ ﻗَﻮْﻣَﻬُﻢْ ﻭَﻟَﻮْ ﺷَﺎﺀ ﺍﻟﻠّﻪُ ﻟَﺴَﻠَّﻄَﻬُﻢْ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﻓَﻠَﻘَﺎﺗَﻠُﻮﻛُﻢْ ﻓَﺈِﻥِ ﺍﻋْﺘَﺰَﻟُﻮﻛُﻢْ ﻓَﻠَﻢْ ﻳُﻘَﺎﺗِﻠُﻮﻛُﻢْ ﻭَﺃَﻟْﻘَﻮْﺍْ ﺇِﻟَﻴْﻜُﻢُ ﺍﻟﺴَّﻠَﻢَ ﻓَﻤَﺎ ﺟَﻌَﻞَ ﺍﻟﻠّﻪُ ﻟَﻜُﻢْ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﺳَﺒِﻴﻼً
কিন্তু যারা এমন সম্প্রদায়ের সাথে মিলিত হয় যে, তোমাদের মধ্যে ও তাদের মধ্যে চুক্তি আছে অথবা তোমাদের কাছে এভাবে আসে যে, তাদের অন্তর তোমাদের সাথে এবং স্বজাতির সাথেও যুদ্ধ করতে অনিচ্ছুক। যদি আল্লাহ ইচ্ছে করতেন, তবে তোমাদের উপর তাদেরকে প্রবল করে দিতেন। ফলে তারা অবশ্যই তোমাদের সাথে যুদ্ধ করত। অতঃপর যদি তারা তোমাদের থেকে পৃথক থাকে তোমাদের সাথে যুদ্ধ না করে এবং তোমাদের সাথে সন্ধি করে, তবে আল্লাহ তোমাদের কে তাদের বিরুদ্ধে কোন পথ দেননি।


(4:91)

ﺳَﺘَﺠِﺪُﻭﻥَ ﺁﺧَﺮِﻳﻦَ ﻳُﺮِﻳﺪُﻭﻥَ ﺃَﻥ ﻳَﺄْﻣَﻨُﻮﻛُﻢْ ﻭَﻳَﺄْﻣَﻨُﻮﺍْ ﻗَﻮْﻣَﻬُﻢْ ﻛُﻞَّ ﻣَﺎ ﺭُﺩُّﻭَﺍْ ﺇِﻟَﻰ ﺍﻟْﻔِﺘْﻨِﺔِ ﺃُﺭْﻛِﺴُﻮﺍْ ﻓِﻴِﻬَﺎ ﻓَﺈِﻥ ﻟَّﻢْ ﻳَﻌْﺘَﺰِﻟُﻮﻛُﻢْ ﻭَﻳُﻠْﻘُﻮﺍْ ﺇِﻟَﻴْﻜُﻢُ ﺍﻟﺴَّﻠَﻢَ ﻭَﻳَﻜُﻔُّﻮَﺍْ ﺃَﻳْﺪِﻳَﻬُﻢْ ﻓَﺨُﺬُﻭﻫُﻢْ ﻭَﺍﻗْﺘُﻠُﻮﻫُﻢْ ﺣَﻴْﺚُ ﺛِﻘِﻔْﺘُﻤُﻮﻫُﻢْ ﻭَﺃُﻭْﻟَـﺌِﻜُﻢْ ﺟَﻌَﻠْﻨَﺎ ﻟَﻜُﻢْ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﺳُﻠْﻄَﺎﻧًﺎ ﻣُّﺒِﻴﻨًﺎ
এখন তুমি আরও এক সম্প্রদায়কে পাবে। তারা তোমাদের কাছেও স্বজাতির কাছেও এবং নির্বিঘ্ন হয়ে থাকতে চায়। যখন তাদেরকে ফ্যাসাদের প্রতি মনোনিবেশ করানো হয়, তখন তারা তাতে নিপতিত হয়, অতএব তারা যদি তোমাদের থেকে নিবৃত্ত না হয়, তোমাদের সাথে সন্ধি না রাখে এবং স্বীয় হস্তসমূহকে বিরত না রাখে, তবে তোমরা তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। আমি তাদের বিরুদ্ধে তোমাদেরকে প্রকাশ্য যুক্তি-প্রমাণ দান করেছি।


(4:92)

ﻭَﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﻟِﻤُﺆْﻣِﻦٍ ﺃَﻥ ﻳَﻘْﺘُﻞَ ﻣُﺆْﻣِﻨًﺎ ﺇِﻻَّ ﺧَﻄَﺌًﺎ ﻭَﻣَﻦ ﻗَﺘَﻞَ ﻣُﺆْﻣِﻨًﺎ ﺧَﻄَﺌًﺎ ﻓَﺘَﺤْﺮِﻳﺮُ ﺭَﻗَﺒَﺔٍ ﻣُّﺆْﻣِﻨَﺔٍ ﻭَﺩِﻳَﺔٌ ﻣُّﺴَﻠَّﻤَﺔٌ ﺇِﻟَﻰ ﺃَﻫْﻠِﻪِ ﺇِﻻَّ ﺃَﻥ ﻳَﺼَّﺪَّﻗُﻮﺍْ ﻓَﺈِﻥ ﻛَﺎﻥَ ﻣِﻦ ﻗَﻮْﻡٍ ﻋَﺪُﻭٍّ ﻟَّﻜُﻢْ ﻭَﻫُﻮَ ﻣْﺆْﻣِﻦٌ ﻓَﺘَﺤْﺮِﻳﺮُ ﺭَﻗَﺒَﺔٍ ﻣُّﺆْﻣِﻨَﺔٍ ﻭَﺇِﻥ ﻛَﺎﻥَ ﻣِﻦ ﻗَﻮْﻡٍ ﺑَﻴْﻨَﻜُﻢْ ﻭَﺑَﻴْﻨَﻬُﻢْ ﻣِّﻴﺜَﺎﻕٌ ﻓَﺪِﻳَﺔٌ ﻣُّﺴَﻠَّﻤَﺔٌ ﺇِﻟَﻰ ﺃَﻫْﻠِﻪِ ﻭَﺗَﺤْﺮِﻳﺮُ ﺭَﻗَﺒَﺔٍ ﻣُّﺆْﻣِﻨَﺔً ﻓَﻤَﻦ ﻟَّﻢْ ﻳَﺠِﺪْ ﻓَﺼِﻴَﺎﻡُ ﺷَﻬْﺮَﻳْﻦِ ﻣُﺘَﺘَﺎﺑِﻌَﻴْﻦِ ﺗَﻮْﺑَﺔً ﻣِّﻦَ ﺍﻟﻠّﻪِ ﻭَﻛَﺎﻥَ ﺍﻟﻠّﻪُ ﻋَﻠِﻴﻤًﺎ ﺣَﻜِﻴﻤًﺎ
মুসলমানের কাজ নয় যে, মুসলমানকে হত্যা করে; কিন্তু ভুলক্রমে। যে ব্যক্তি মুসলমানকে ভূলক্রমে হত্যা করে, সে একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং রক্ত বিনিময় সমর্পন করবে তার স্বজনদেরকে; কিন্তু যদি তারা ক্ষমা করে দেয়। অতঃপর যদি নিহত ব্যক্তি তোমাদের শত্রু সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, তবে মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে এবং যদি সে তোমাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কোন সম্প্রদায়ের অন্তর্গত হয়, তবে রক্ত বিনিময় সমর্পণ করবে তার স্বজনদেরকে এবং একজন মুসলমান ক্রীতদাস মুক্ত করবে। অতঃপর যে ব্যক্তি না পায়, সে আল্লাহর কাছ থেকে গোনাহ মাফ করানোর জন্যে উপর্যুপুরি দুই মাস রোযা রাখবে। আল্লাহ, মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।


মন্তব্যগুলি
Pranab Kumar Kundu
Pranab Kumar Kundu   একটু সরল বাংলা করে বুঝিয়ে বলুন ! আমার বদ্ধ জ্ঞানলোক উন্মিলিত করুন !