শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

আত্মবীজ নষ্ট !

আত্মবীজ নষ্ট !



ভগবদ্ গীতায়, অষ্টম অধ্যায়ের, অষ্টম ও দশম শ্লোকে, অধিযজ্ঞ-এর উপাসনার ফল, বলা হয়েছে , পরম দিব্যপুরুষ প্রাপ্তি !
অধিযজ্ঞ-  যজ্ঞাধিষ্ঠাত্রী,  অর্থাৎ যজ্ঞ অধিষ্ঠাত্রী, অর্থাৎ, যজ্ঞের অধিষ্ঠাত্রী দেবতা। যেমন, কৃষ্ণ, বিষ্ণু। 'অধিষ্ঠাত্রী' শব্দটা কিন্তু, ' আধিষ্ঠাতা' শব্দটির, স্ত্রী লিঙ্গ ! অধিষ্ঠাতা শব্দের অর্থ, অবস্থানকারী, অধিষ্ঠান করে, এমন ! দিব্য কথাটির অর্থ, 'স্বর্গীয়'। দিব্যপুরুষ, স্বর্গের দেবতা। 'পরম দিব্যপুরুষ' বলতে বোঝায়, অনেক উঁচু দরের দেবতা ! যেমন, কৃষ্ণ স্বয়ং, বা কৃষ্ণের প্রায় সমতুল্য, ভগবান বিষ্ণু !
গীতার অষ্টম অধ্যায়ের ত্রয়োদশ শ্লোকে বলা হয়েছে, পরম অক্ষর নির্গুণ ব্র্‌হ্মের উপাসনার ফল, পরম গতি প্রাপ্তি ! অর্থাৎ, ব্রহ্মপ্রাপ্তি !
অষ্টম অধ্যায়ের চতুর্দশ শ্লোকে বলা হয়েছে, সগুণ সাকার ভগবান স্রীকৃষ্ণের উপাসনার ফল, ঈশ্বর লাভ !


ঈশ্বর প্রাপ্তির পর আর পুনর্জন্ম হয় না !
অর্থাৎ, আত্মবীজ কোন অবস্থাতেই, আর অঙ্কুরোদ্গম ( অঙ্কুর-এর উদ্‌গম ) হয় না !
ঈশ্বর নিজেই তা বীজতলায় ছড়াতে পারেন না !
জলছেচনও করতে পারেন না !
নিষেক করাতে পারেন না !
প্রকৃতিও সহযোগিতা করে না !
সূর্যও আলো দেয় না !
ফলে আত্মবীজের বীজ, তার আধার, সব নষ্ট হয়ে যায় !

শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

আভিধানিক ত্রি শব্দ

আভিধানিক ত্রি শব্দ


পুরোটাই আভিধানিক !

ত্রি শব্দ !



"চোদনা- প্রেরণা; প্রবর্তনা; তর্জনা। চুদ্ (  প্রেরণে ) + অন ভাব + আপ্। বি; স্ত্রী।"

"চোদয়িতা- প্রবর্তক; প্রেরক। ণিজন্ত চুদ্ বা ( = চোদি ) + তৃন্ কর্তৃ। বিণ; পু। স্ত্রী- চোদয়িত্রী।"

"চোদিত- প্রেরিত, প্রবর্তিত, নিয়োজিত। ণিজন্ত চুদ্ ( = চোদি ) + ক্ত কর্ম। বিণ।"


'চোদনা', 'চোদয়িতা', 'চোদয়িত্রী', 'চোদিত', এই চারটি শব্দই, আভিধানিক !


'চোদিত',  'কর্ম' বলে উল্লৈখ আছে !  ওখানে, 'পুরুষ' বা 'স্ত্রী' বলে কোন উল্লেখ নেই !
কাজেই ধরে নিচ্ছি, 'চোদিত', পুরুষ অথবা স্ত্রী উভয়ের মধ্যে, যে কোন একজন হতে পারে !
পুরুষ 'চোদিত' হলে, স্ত্রীর ইচ্ছা, স্ত্রীর স্বাধীনতা,স্ত্রীর রতি শক্তি, স্ত্রীর নিজস্ব সঙ্গম শক্তি. স্ত্রীর স্বামির প্রতি ভালোবাসা দারুণভাবে প্রশংসার্হ এবং প্রশংসিত হয় !


যদি লিমেরিক লিখি, তবে এরকম হবে-


লিমেরিক

'চোদনা' সবসময়েই স্ত্রী !

'চোদয়িতা' পুরুষ !
'চোদয়িত্রী' স্ত্রী !

'চোদিত', পুরুষ অথবা স্ত্রী, যে কেউ হতে পারে !
পুরুষ 'চোদিত' হলে, সে ক্ষেত্রে, , নারীর প্রগতিশীলতা বাড়ে !


*সূত্র  'সরল বাঙ্গালা অভিধান,' পৃষ্ঠা ৫১৫, নবম সংস্করণ, পুনর্মুদ্রণ: এপ্রিল ২০১৬, সুবলচন্দ্র মিত্র সংকলিত, প্রধান উপদেষ্টা জ্যোতিভূষণ চাকী, পরিমার্জনা ও সম্পাদনা, শৈলেন চক্রবর্তী।
নিউ বেঙ্গল প্রেস প্রাইভেট লিমিটেড, ৬৮, কলেজ স্ট্রিট, কলকাতা ৭০০০৭৩। 


স্বায়ত্তশাসন !

স্বায়ত্তশাসন !


আত্মশাসন !

ওটাই স্বায়ত্তশাসন !

কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতিক্রমে, প্রজারাই, নিজেরা নিজেদের, শাসনকার্য নির্বাহ করবে !

এ ওকে শাসন করবে, তো ও একে !

ওটা
self government !

মোদিজি
শুনেছেন ?
 

বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

তুমি দেবী নও, আসলে 'ঈশ্বরী' !

তুমি দেবী নও, আসলে 'ঈশ্বরী' !



আমাদের শাস্ত্রে, স্বামিকে, দেবতা হিসাবে, উত্থাপিত করা হয়েছে !

স্ত্রীরা, স্বামির কাছে,  'দেবী' হিসাবে, উল্লিখিত হন নি !

শাস্ত্রের কি বিচার !

তবে 'দিদিমণিরা', নিজেরা নিজেকে, 'ঈশ্বর' হিসাবে, বুঝতে শিখুন !

অর্থাৎ, যদি মনে ধরে, 'ঈশ্বরী' হোন !

দেখুন, আপনাদের অন্তর অনুভূতি কত পাল্টে যায় !

বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৬

নারীদের তর্পণে অধিকার নেই !

নারীদের তর্পণে অধিকার নেই !



নারীদের তর্পণে অধিকার নেই !

কেবল স্বামিহীনা, বিধবা, নারীদের ক্ষেত্রে, যাদের পুত্র, পৌত্র ইত্যাদি নাই, তাঁরা, স্বামী, শ্বশুর, এবং দাদাশ্বশুরের ( শ্বশুরের পিতার ), তর্পণ, পৌরাণিক শাস্ত্রবিধিঅনুসারে করতে পারেন।

বৈদিক শাস্ত্রবিধিতে সে সংস্থান নেই ।

পুত্র, পৌত্ররা যদি বেঁচে থাকে, তবে, নারীদের সেই অধিকার নেই।


তর্পণে, জলদান দ্বারা, মৃত পূর্বপুরুষদের, দেবগণের, এবং দেবকল্পদিগের, প্রীতির জন্য, এবং তৃপ্তিসাধনের নিমিত্ত, চেষ্টা করা হয় !  তাঁরা, প্রীত হবেন কিনা, তাঁদের তৃপ্তিসাধন হবে কিনা, এটা তাঁদের মানসিক ব্যাপার !

তর্পণ, মৃত পূর্বপুরুষের জন্য, জীবিত বংশধরের জলদান।

এটা পিতৃযজ্ঞ।

তর্পিত, যাঁর তর্পণকরা হয়েছে, এমন। তিনি তো আর বেঁচে নেই ! জীবিত লোকের তর্পণ হয় না ! জীবিত থাকলে এমনি তাঁর হাতে এক গেলাস জল তুলে দেওয়া যায় ! তাতে নিশ্চয় তাঁর প্রীতির উদ্রেক হয় এবং তিনি পিপাসার্থ থাকলে, তাঁর তৃপ্তিসাধন, নিশ্চিতভাবে হবে।

তর্পী, তর্পণকারী।

তর্পিণী, তর্পণকারীণী। তর্পীর স্ত্রী লিঙ্গ।

সংক্ষিপ্ত তর্পণ
" আব্রহ্মস্তম্বপর্যন্তং জগৎ তৃপ্যতু "।


* সূত্র ঃ 'বিশুদ্ধ নিত্যকর্ম্ম পদ্ধতি', শ্রীরামদেব স্মৃতিতীর্থ, পৃষ্ঠা ৮৩।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সংসার

 ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সংসার




ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ১৬১০৮ জন রানি। ষোলো হাজার একশো আট জন। তাঁদের মধ্যে, আট জন পাট রানি বা মহিষী। বাকি ১৬১০০ জন সাধারণ রানি।

প্রত্যেক রানির ১১টি করে সন্তান।

প্রত্যেক রানির ১০টি করে পুত্র সন্তান।

প্রত্যেক রানির মাত্র একতি করে কন্যা সন্তান।

শ্রীকৃষ্ণের পুত্র সংখ্যা = ১৬১০৮ x ১০ =১৬১০৮০। এক লক্ষ একষট্টি হাজার আশি জন !

শ্রীকৃষ্ণের কন্যা সংখ্যা = ১৬১০৮ x ১ = ১৬১০৮। ষোলো হাজার একশো আট জন।

শ্রীকৃষ্ণের পুত্র সংখ্যার এবং কন্যা সংখ্যার সমষ্টি = ১৬১০৮০ + ১৬১০৮ = ১৭৭১৮৮। এক লক্ষ সাতাত্তর হাজার অষ্টআশি ।

শ্রীকৃষ্ণের পুত্র-কন্যার সংখ্যা এবং রানিদের সংখ্যার সমচ্টি = ১৭৭১৮৮ + ১৬১০৮ = ১৯৩২৯৬। এক লক্ষ তিরানব্বই হাজার দুশো  ছিয়ানব্বই।

শ্রীকৃষ্ণকে ধরে, শ্রীকৃষ্ণের নিজের পরিবারের জন সংখ্যা = ১৯৩২৯৬ + ১ =১৯৩২৯৭। এক লক্ষ তিরানব্বই হাজার দুশো সাতানব্বই।

এই হিসাবের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণের প্রেমিকা শ্রীরাধিকাকে ধরা হয় নি ! কেননা শ্রীকৃষ্ণের সাথে শ্রীরাধিকার কখনও বিয়েই
হয় নি !

বৃন্দাবনের গোপীনীদেরও ধরা হয় নি ! যদিও শ্রীকৃষ্ণের কাছে গো্পীনীরা ছিলেন, গোপীনীবল্লভ ! গোপীজনবল্লভ  !

শ্রীকৃষ্ণ একশো পঁচিশ বছর বেঁচেছিলেন !

ঐ সময়ের মধ্যে, শ্রীকৃষ্ণের পুত্রবধূরা, জামাইরা, নাতি-নাতনিরা,  সম্মিলিতভাবে মিলিয়ে, শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, শ্রীকৃষ্ণের পারিবারিক জনসংখ্যাটা,  বা, , শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, বর্ধিত পারিবারিক জনসংখ্যাটা, নিশ্চয়, কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছিল !

শ্রীকৃষ্ণ, একশো পঁচিশ বছর বেঁচে ছিলেন ।

দোকানদার দশ টাকার কয়েন নিচ্ছে না !

দোকানদার দশ টাকার কয়েন নিচ্ছে না !



নৈহাটির ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক, আমাকে , এক হাজার টাকার দশ টাকার কয়েন দিয়েছে।

শ্রী দুর্গা স্টোর্স, যারা, সকল প্রকার মুদিখানা দ্রব্য, স্টেশনারি দ্রব্য বিক্রেতা, জেরক্স করে, তরল দুধের পাউচ প্যাকেট বিক্রি করে, দুধের দাম হিসাবে হিসাবে, আমার কাছ থেকে দশ টাকার কয়েন নিচ্ছে না !

বলেছে, দু হাজার টাকার নোটও নেবে না !

মনে হয়, একটা রাজনৈতিক দলের পক্ষপুষ্ট হয়ে, কেন্দীয় সরকারের বিরুদ্ধে তারা জেহাদ ঘোষণা করছে ! সাধারণ মানুষকে নাকাল করছে !

দোকানের ঠিকানা, নৈহাটির বরোদা রোডে, কাত্যায়নী গার্লস স্কুলের কাছে, সরকার বাড়ির লাগোয়া। ওদের মোবাইল নম্বর ৯৬৭৪৩৬৩২০৬।

দোকানের যদি বৈধ ট্রেড লাইসেন্স থাকে, সেই ট্রেড লাইসেন্স দেয় তো, নৈহাটি পৌরসভা।
কাজেই নৈহাটি পৌরসভার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তাঁরা ব্যবস্থা নিন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ব্যবস্থা নিন।

পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি  না। আমার কাছে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের কোন সম্মাননা নেই !

ভারত সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তাঁরা কি ব্যবস্থা নেন, তাও দেখবো।